শিরোনাম :

  • চুক্তি মানছে না মিয়ানমার : প্রধানমন্ত্রী পর্যটন বিকাশে মালদ্বীপের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে হবে : রাষ্ট্রপতি বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদের জন্মবার্ষিকী আজ ৯ দিনের তাপপ্রবাহে অ্যান্টার্কটিকার ২০ শতাংশ বরফ গলেছে!
শেখ রাসেল পানি শোধনাগার প্রকল্পের উদ্বোধন রোববার
নিজস্ব প্রতিবেদক :
২৫ জানুয়ারি, ২০২০ ১২:৫৫:৫১
প্রিন্টঅ-অ+


চট্টগ্রাম ওয়াসার পানি সরবরাহ ও সেই পানি খাওয়ার উপযোগিতা নিয়ে কম বিতর্ক হয়নি। তবে ২০১৮ সালের শেষ দিকে চট্টগ্রাম ওয়াসার ‘শেখ রাসেল পানি শোধনাগার প্রকল্প’ থেকে পানি সরবরাহ শুরু হলে সেই সংকট অনেকটাই কাটিয়ে উঠে সংস্থাটি।

চট্টগ্রাম ওয়াসা জানিয়েছে, এই পানি শোধনাগার থেকে প্রতিদিন ৯ কোটি লিটার করে পানি সরবরাহ করা হচ্ছে, যা নগরে পানির চাহিদার ২১ শতাংশই পূরণ করছে।

পানি সরবরাহ শুরুর প্রায় দেড় বছর পর আগামীকাল (২৬ জানুয়ারি) ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রকল্পটির শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, ‘সর্বশেষ গত শনিবার (১৮ জানুয়ারি) আমি ও পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী তাজুল ইসলাম প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেছি। রোববার প্রকল্পটির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।’

‘বর্তমানে এ প্রকল্পটি থেকে ৯ কোটি লিটার পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। এছাড়া রাঙ্গুনিয়ায় শেখ হাসিনা পানি শোধনাগার প্রকল্পের কাজও এগিয়ে চলছে। এই প্রকল্পের কাজ শেষ হলে ২০২২ সালে চট্টগ্রাম ওয়াসা ৫০ কোটি লিটার পানি সরবরাহ করতে পারবে। এছাড়া বোয়ালখালীর ভাণ্ডালজুড়িতে দক্ষিণ চট্টগ্রামের জন্য আরও একটি প্রকল্পের কাজ চলছে। ওই প্রকল্প থেকে বোয়ালখালী, পটিয়া নগরের কর্ণফুলী অংশে পানি সরবরাহ করা যাবে।’

চট্টগ্রাম ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলী মাকসুদ আলম বলেন, ‘প্রকল্পটি চালু হওয়ার ফলে বর্তমানে নগরবাসীকে দৈনিক ৩৬ কোটি লিটার পানি সরবরাহ করছে চট্টগ্রাম ওয়াসা। যদিও এই মুহূর্তে গ্রাহক পর্যায়ে পানির চাহিদা ৪২ কোটি লিটার। অর্থাৎ ওয়াসা চাহিদার প্রায় ৮৬ শতাংশ পূরণ করতে পারছে। এর বাইরে কর্ণফুলী নদীতে রাঙ্গুনিয়ার পোমরা এলাকায় শেখ হাসিনা পানি শোধনাগার দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ শেষ পর্যায়ে। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন শেষে ২০২২ সালে নগরীতে চাহিদার শতভাগ পানি সরবরাহ সম্ভব হবে।’

তিনি জানান, বর্তমানে নগরের বাদুরতলা, বহদ্দারহাট, চকবাজার, বৃহত্তর বাকলিয়া, দেওয়ানবাজার, আন্দরকিল্লা, লালদিঘীর পাড়, কোতোয়ালি থেকে মাঝিরঘাট পর্যন্ত এলাকায় এই প্রকল্প থেকে পানি সরবরাহ করা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম ওয়াসা সূত্র জানায়, হালদা নদীর মদুনাঘাট এলাকায় শেখ রাসেল পানি শোধনাগার প্রকল্পটি স্থাপন করা হয়েছে। ২০১৫ সালে এই প্রকল্পের নির্মাণকাজ নতুন করে শুরু হয়। বিশ্বব্যাংক এই প্রকল্পে অর্থায়ন করেছে। কোরিয়ান একটি প্রতিষ্ঠান প্রকল্পটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন করে। এটিসহ হালদায় বর্তমানে ওয়াসার দুটি প্রকল্প রয়েছে। এ দুই প্রকল্প থেকে নগরীতে ১৯ কোটি লিটার পরিশোধিত পানি সরবরাহ করা হচ্ছে।

এর আগে ২০০৮ সালে প্রকল্পটি ইতালির একটি প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করার কাজ পায়। কিন্তু ডাকটাইল পাইপ কেনা সংক্রান্ত জটিলতার কারণে সরকার ওই প্রতিষ্ঠানকে কাজ করতে দেয়নি। ফলে পুরো প্রকল্পটি অনিশ্চয়তায় পড়ে যায়। চট্টগ্রাম শহরে বিশুদ্ধ পানির ঘাটতি মেটাতে সরকার প্রকল্পটি নিয়ে নতুন করে কাজ শুরু করে।



আমার বার্তা/২৫ জানুয়ারি ২০২০/জহির


আরো পড়ুন