শিরোনাম :

  • ঢাকায় বাড়তে পারে তাপমাত্রা করোনার ছোবলে এবার চলে গেলেন এসআই মোশাররফ সপ্তাহে তিন দিন ছুটির বিধান আসছে নিউজিল্যান্ডে পেরুতে একদিনেই আক্রান্ত প্রায় ৩ হাজার
ঈদের আগে-পরে ১০ দিন সারাদেশ লকডাউনের দাবি
নিজস্ব প্রতিবেদক :
২০ মে, ২০২০ ১৫:৪৭:২৫
প্রিন্টঅ-অ+


করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগে-পরে সারাদেশ একযোগে ১০দিন লকডাউন করতে সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।

বুধবার (২০ মে) রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এ আই মাহবুব উদ্দিন আহমেদ, ভাইস চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া এবং নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান এক বিবৃতিতে এ দাবি জানান।

বিৃতিতে তারা বলেন, দেশের করোনা পরিস্থিতি ক্রমেই অবনতির দিকে। এই প্রেক্ষিতে সরকার সংক্রমণ রোধে সাধারণ ছুটির মেয়াদ কয়েক দফায় ৩০ মে পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছে। কিন্তু পোশাক কারখানা চালু রাখা এবং সীমিত আকারে দোকানপাট খোলার অনুমতির সুযোগে মানুষের অসচেতনভাবে চলাচল বৃদ্ধি পেয়েছে। রাজধানীতে যাত্রীবাহী বাস ব্যতীত সব ধরনের যানবাহন উদ্বেগজনক হারে চলাচল করছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বাত্বক চেষ্টা করেও নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হচ্ছে। গত ২৬ মার্চ থেকে সারাদেশে যাত্রাবাহী গণপরিবহন বন্ধ থাকার পরেও কয়েক দফায় কর্মজীবী ও শ্রমজীবী মানুষ নানা উপায়ে গাদাগাদি করে রাজধানী থেকে বাড়ি গেছেন এবং বাড়ি থেকে রাজধানীতে ফিরেছেন। অপরিণামদর্শী এমন আচরণ করোনা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

বিবৃতিতে সংগঠনটি বলছে, দেশে চলমান সাধারণ ছুটির মধ্যেই ঈদুল ফিতর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সরকার জনগণকে নিজ নিজ অবস্থানে থেকে ঈদ উদযাপনের আহ্বান জানিয়েছে। এজন্য যাত্রীবাহী গণপরিবহন বন্ধ রাখাসহ ঈদের আগের ৪ দিন ও পরের ২ দিন অন্য সব যানবাহন চলাচলে কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে। তারপরও মানুষকে থামানো যাচ্ছে না।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশন আশঙ্কা প্রকাশ করে জানায়, মোটরসাইকেল, প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস, পণ্যবাহী পরিবহন, ক্ষুদ্র ও হালকা যানবাহনের মাধ্যমে মানুষ বাড়ি ফিরছে। গত কয়েকদিন যাবৎ সড়ক-মহাসড়ক ও ফেরিঘাটসমূহে ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে। এতে করোনা সংক্রমণ দেশব্যাপী ভয়াবহভাবে ছড়িয়ে পড়বে। ঈদ উদযাপন মানেই কর্মস্থল থেকে যে কোনো মূল্যে বাড়ি ফেরা এবং আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে ঘোরাঘুরি করা- এটা আমাদের ঐতিহ্য। মূলত ঈদ উদযাপনের এই সংস্কৃতি করোনা সংক্রমণের মাধ্যমে আমাদেরকে একেবারে খাদের কিনারে নিয়ে যাবে।

এমন আতঙ্কিত বাস্তবতায়- জনগণের চলাচল কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে সকল নৌ-টার্মিনাল, বড় ব্রিজ, জেলার প্রবেশ পথ এবং সড়ক-মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহে সেনাবাহিনী, র‌্যাব, বিজিবি ও পুলিশের সমন্বয়ে পাহারা বসানো জরুরি হয়ে পড়েছে। এজন্য রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের নেতৃবৃন্দ ঈদের আগে-পরে ১০দিন (২১-৩০ মে পর্যন্ত) সারাদেশ লকডাউন করতে সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।



আমার বার্তা/২০ মে ২০২০/জহির


আরো পড়ুন