শিরোনাম :

  • ‘রেড জোন’ ওয়ারীতে লকডাউন শুরু যেসব অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে আজ পিআরএলে থাকা যুগ্মসচিবের করোনায় মৃত্যু ইইউ রেমডেসিভির ব্যবহারের ছাড়পত্র দিল
ফায়ার সার্ভিসের ১১৭ জন করোনা আক্রান্ত, সুস্থ ১৬
নিজস্ব প্রতিবেদক :
০৩ জুন, ২০২০ ১৩:৩৩:৫৫
প্রিন্টঅ-অ+


ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ৬ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ ১১৭ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্তদের মধ্যে ১৬ জন সুস্থ হয়েছেন। বাকি ১০০ জনকে কোয়ারেনটাইনে রাখা হয়েছে এবং একজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

বুধবার দুপুরে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদফতরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (মিডিয়া সেল) মো. শাহজাহান শিকদার জানান, অগ্নিদুর্ঘটনা নির্বাপণ ও উদ্ধারকাজে অংশ নিয়ে তাদের কয়েকজন প্রথমে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হন বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরে তাদের থেকে অন্যরা সংক্রমিত হয়ে থাকতে পারেন।

করোনা আক্রান্তদের মধ্যে ১৮ জন সদর দফতর সিদ্দিকবাজার ফায়ার স্টেশনের, ১৯ জন তেজগাঁও ফায়ার স্টেশনের, ১৭ জন অধিদফতরের বিভিন্ন শাখার, ৯ জন সদরঘাট ফায়ার স্টেশনের, ১১ জন হাজারীবাগ ফায়ার স্টেশনের, ৭ জন ঢাকা কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষের, ৭ জন ডি.ই.পি.জেট ফায়ার স্টেশনের (সাভার), ৮ জন সাভার ফায়ার স্টেশনের, ১ জন লালবাগ ফায়ার স্টেশনের, ১ জন মোহাম্মদপুর ফায়ার স্টেশনের, ২ জন মানিকগঞ্জ ফায়ার স্টেশনের, ৪ জন চট্টগ্রাম লামার ফায়ার স্টেশনের, ১ জন ডেমরা ফায়ার স্টেশনের, ৪ জন খিলগাঁও ফায়ার স্টেশনের, ২ জন মুন্সিগঞ্জ ফায়ার স্টেশনের, ১ জন পলাশী ফায়ার স্টেশনের, ১ জন বড়লেখা ফায়ার স্টেশনের (সিলেট), ১ জন সালতা ফায়ার স্টেশনের (ফরিদপুর), ১ জন সৈয়দপুর ফায়ার স্টেশনের (নীলফামারী) এবং ২ জন পোস্তগোলা ফায়ার স্টেশনের কর্মী।

আক্রান্তদের মধ্যে ১০০ শয্যাবিশিষ্ট সৈয়দপুর হাসপাতালে ১ জন চিকিৎসাধীন আছেন, ৬ জনকে হোম কোয়ারেনটাইনে রাখা হয়েছে এবং বাকিদের বিভিন্ন স্থানে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেনটাইনে রাখা হয়েছে।

শাহজাহান শিকদার আরও জানান, করোনা আক্রান্তদের সবাই ভালো আছেন। তাদের মধ্যে ১৬ জনের পরপর দুইবার নমুনা পরীক্ষায় নেগেটিভ হওয়ায় তাদের সুস্থ ঘোষণা করা হয়েছে। সদরঘাট ফায়ার স্টেশনের ৯ জনের মধ্যে ৯ জনই সুস্থ এবং অন্য সুস্থরা হলেন ২ জন অধিদফতরের, ২ জন সিদ্দিকবাজার ফায়ার স্টেশনের, ১ জন কন্টোল রুমের ও পোস্তগোলা ফায়ার স্টেশনের ২ জন। আক্রান্ত অন্যদের ওপর নিবিড়ভাবে নজর রাখা হচ্ছে এবং স্বাস্থ্যের উন্নতি না হলে বা অবনতি হলে প্রয়োজনে তাদের আইসোলেশনে রাখা হবে বা হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা করা হবে।



আমার বার্তা/০৩ জুন ২০২০/জহির



 


আরো পড়ুন