শিরোনাম :

  • নয়াপল্টনে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ জবানবন্দিতে বুলুসহ ১৫ বিএনপি নেতার নাম পেয়েছে পুলিশ সেনা অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল সুদান, সংঘর্ষে নিহত ৭দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক ভাতৃত্বের
(বিশেষ প্রতিনিধি)
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ১৬:৫৬:৪২
প্রিন্টঅ-অ+

ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক গভীর ও কালের বিবর্তনে উত্তীর্ণ। রক্ত দিয়ে লেখা এ সম্পর্ক ছিন্ন করা যায় না। এ সম্পর্ক শুধু বন্ধুত্বের নয়, এ সম্পর্ক ভাতৃত্বের। এ সম্পর্ক যে কোনো প্রতিবেশী দেশের জন্য রোল মডেল।বর্তমানে দুই দেশের সম্পর্ক সর্বোচ্চ চূড়ায়। ভবিষ্যতে এ সম্পর্ক আরো দৃঢ় হবে।


শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পেট্রাপোল স্থলবন্দরের দ্বিতীয় কার্গো গেটের নির্মাণ কাজ এবং প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল ভবন-১ এর যৌথ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ সব কথা বলেন বক্তারা।


ভারতের পেট্রাপোল স্থলবন্দরের দ্বিতীয় কার্গো গেট এবং প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল-১ এর যৌথ ভাবে উদ্বোধন করেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী জনাব খালিদ মাহমুদ চৌধুরী,  ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জনাব নিশীথ প্রামানিক, এবং পশ্চিমবঙ্গের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জনাব নিত্যানন্দ রায়। 


অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী জনাব খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, অন্যান্যের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত জনাব  বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী, ভারতীয় স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আদিত্য মিশ্র, বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. আলমগীর।


এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ঢাকাস্থ ভারতীয় হাই কমিশন জানিয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম স্থলবন্দর আইসিপি পেট্রাপোল বাংলাদেশ থেকে আসা যাত্রীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বন্দর। এটি ভারতের নবম বৃহত্তম আন্তর্জাতিক অভিবাসন বন্দর, যা বছরে প্রায় ২৩ লাখ যাত্রীকে সেবা প্রদান করে। ভারতীয় স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ দ্বারা নির্মিত, নতুন এক হাজার তিনশ পাঁচ বর্গমিটারের এই টার্মিনাল ভবনটিতে যে কোনও সময়ে ৫৫০ জন যাত্রীকে সেবা দেয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। ভবনটি যাত্রীদের চলাচল ঝামেলামুক্ত ও সহজতর করবে এবং একই ছাদের নিচে যাত্রীদের ইমিগ্রেশন, কাস্টম এবং সুরক্ষা সুবিধা দিয়ে সজ্জিত। ভবনে ৩২টি  ইমিগ্রেশন কাউন্টার, ৪টি কাস্টমস কাউন্টার এবং ৮টি সুরক্ষা সেবা কাউন্টারের পাশাপাশি অন্যান্য অংশীদারদের জন্য পর্যাপ্ত কার্যালয় রয়েছে।


ভারত-বাংলাদেশ কূটনৈতিক অংশীদারিত্বের গুরুত্বপূর্ণ পঞ্চাশ বছর উদযাপন করছে এ বছর। অতিথিরা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে শক্তিশালী করার এবং প্রয়োজনীয় আধুনিক অবকাঠামো স্থাপনের গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করেছেন যাতে মানুষে মানুষে যোগাযোগ আরও সহজ হয়।


ভারতীয় স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ পেট্রাপোলে একটি অত্যাধুনিক যাত্রী টার্মিনাল ভবন (২) নির্মাণ করছে যাতে অর্ধ মিলিয়ন যাত্রীকে সেবা দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছিল এবং ২০২২ সালের মধ্যে এটি শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।


উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথিরা ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে একটি সাধারণ দ্বিতীয় কার্গো গেইটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। দুই দেশের স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের মধ্যে শক্তিশালী সীমান্ত সংস্থা সমন্বয়ের একটি উদাহরণ হিসেবে এই পদক্ষেপটি একটি উন্নত প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার মাধ্যমে সীমান্তে পণ্যছাড়করণ প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করবে এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও সংযোগ আরও বৃদ্ধি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।


আমার বার্তা/সি এইচ কে

আরো পড়ুন