শিরোনাম :

  • রাজধানীর উত্তরখানে আগুনে একই পরিবারের ৮ জন দগ্ধ ভারতে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় তিতলিবাবরসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড, তারেকসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবনরায়কে ঘিরে ঢাকায় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় আজ
কৃষকদের বাঁচানোর দাবি বাংলাদেশ ন্যাপের
নিজস্ব প্রতিবেদক :
১৩ মে, ২০১৯ ১৫:২২:১৩
প্রিন্টঅ-অ+


ধানের দাম কম ও দিনমজুর না পাওয়ায় টাঙ্গাইলে ধানক্ষেতে আগুন লাগিয়ে অভিনব প্রতিবাদের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা প্রকাশ করে সকল প্রকার সুযোগ-সুবিধা দিয়ে কৃষকদের বাঁচানোর দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ।

সোমবার (১৩ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে দলটির চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেন, আমাদের খাদ্য নিরাপত্তা ও আহার জোগানোর জন্য দিন-রাত কঠোর পরিশ্রম করতে হয় কৃষকদের। তাই অনতিবিলম্বে কৃষি ক্ষেত্রে সকল প্রকার সুযোগ-সুবিধা প্রদান করে কৃষককে বাঁচাতে হবে। ক্রমাগত কৃষি উপকরণ মূল্যবৃদ্ধির ফলে কৃষি কাজে মুনাফা হ্রাস পাচ্ছে। ফলে উৎপাদন খরচটুকুও উঠে আসছে না কৃষকদের।

তারা বলেন, ২০০০ সালের পর থেকে বাংলাদেশে টেকসই দারিদ্র্য বিমোচনে কৃষিখাতই মূল ভূমিকা রেখেছে। এরপরও কৃষিখাতের অগ্রগতি অন্যান্য খাতের তুলনায় সন্তোষজনক নয়। কৃষির সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে ফসলের ভরা মৌসুমে কৃষক ন্যায্য দাম পাচ্ছে না। আমন, বোরো, ইরি ধান কাটার সময় কৃষক কম দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে।

নেতৃদ্বয় আরও বলেন, প্রায় প্রতি মৌসুমেই ফসলের ন্যায্যমূল্য না পেয়ে কৃষকের মধ্যে হাহাকার ওঠে। মধ্যস্বত্বভোগীরা কৃষকদের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে কম দামে ফসল কিনে সরকারের কাছে বেশি দামে বিক্রি করছে। ফলে ক্ষেত্রবিশেষে উৎপাদন খরচ তুলতেই কৃষকদের বেগ পেতে হচ্ছে। যার ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশই হচ্ছে- ধানক্ষেতে আগুন লাগিয়ে প্রতিবাদ।

ন্যাপ চেয়ারম্যান ও মহাসচিব বলেন, ধানের দাম শুধু টাঙ্গাইলেই কম নয়, এ অবস্থা গোটা দেশে। সরকার এদিকে নজর না দিলে আমাদের কৃষি অর্থনীতি ভেঙে পড়তে মনে হয় খুব সময় নেবে না। কৃষক দিন দিন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। ফায়দা লুটছে মধ্যসত্ত্বভোগীরা।

নেতৃদ্বয় ধান, গম, পাট, ভূট্টা ও সবজিসহ ফসলের লাভজনক দাম, ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকারি ক্রয় কেন্দ্র চালু, খোদ কৃষকের কাছ থেকে সরাসরি ফসল ক্রয়, আসন্ন বাজেটে কৃষিখাতে বরাদ্দ বাড়ানো, চাল আমদানি বন্ধ, বিএডিসিকে সচল, পল্লী রেশন-শস্য বিমা চালু, পল্লী বিদ্যুৎ ও ভূমি অফিসের অনিয়ম, হয়রানি, দুর্নীতি বন্ধের জোর দাবি জানান।

এছাড়াও তারা খাস জমি প্রকৃত ভূমিহীনদের মাঝে বিতরণ, পুলিশি হয়রানি, জুলুম, নিপীড়ন, মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার ও গ্রেফতার বাণিজ্য বন্ধ, কৃষকের মাঝে সাটিফিকেট মামলা প্রত্যাহার, নদী ভাঙনরোধে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ, গ্যাস-বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির ষড়যন্ত্র বন্ধের দাবিসহ গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করারও দাবি জানান।



আমার বার্তা/১৩ মে ২০১৯/জহির


আরো পড়ুন