শিরোনাম :

  • ২৪ ঘন্টায় হাসপাতালে ১৭০৬ ডেঙ্গু রোগী দেশে ফিরেছেন ৭৯৮২ হাজি আরও এক বাংলাদেশি হাজির মৃত্যু নিষিদ্ধই হলেন শাহজাদ জঙ্গি সংগঠন ‘আল্লাহ’র দলের ভারপ্রাপ্ত আমিরসহ আটক ৪
এ কে খন্দকারকে তথ্যমন্ত্রীর ধন্যবাদ
নিজস্ব প্রতিবেদক :
০২ জুন, ২০১৯ ১৬:৩০:০৯
প্রিন্টঅ-অ+


‘১৯৭১ : ভেতরে বাইরে’ বইয়ে ভুল লেখার জন্য ক্ষমা চাওয়ায় বইটির লেখক ও সাবেক মন্ত্রী এ কে খন্দকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

রোববার ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলটির প্রচার ও প্রকাশনা উপ-কমিটির এক সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ ধন্যবাদ জানান।

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘লেখক তার বক্তব্য যে কোনো সময় প্রত্যাহার করতে পারেন। যে কোনো লেখকের সেই স্বাধীনতা আছে, ভুল স্বীকার করতে পারেন। এ কে খন্দকার সাহেবকে ধন্যবাদ জানাই, তার উপলব্ধি হয়েছে যে, তার ভুল হয়েছে। তবে এ ক্ষেত্রে একটি দুর্বলতা থেকেই যায়। একজন লেখক কেন অন্যের প্রভাবে প্রভাবিত হয়ে একটি ঐতিহাসিক সত্যকে ভিন্নভাবে, ভুলভাবে উপস্থাপন করলেন? সেই প্রশ্নটি থেকেই যায়। এরপরও তিনি যে তার স্ত্রীকে নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসে জাতির কাছে ক্ষমা চেয়েছেন, বঙ্গবন্ধুর আত্মার কাছে ক্ষমা চেয়েছেন, এজন্য আমি তাকে ধন্যবাদ জানাই।’

তিনি বলেন, ‘এ কে খন্দকার সাহেব তার ভুল স্বীকার করেছেন, একই সঙ্গে কয়েকজনকে অভিযুক্ত করেছেন, এই অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর অভিযোগ।’

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি নিয়ে দলটির নেতাদের বক্তব্য প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, ‘ঈদের আগে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি পাওয়ার বিষয়টি তো সরকারের হাতে নয়, খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়টি আদালতের হাতে। তারা যদি আদালত থেকে জামিন পেতেন তাহলে ঈদের আগেই তার মুক্তি পাওয়ার সুযোগ তৈরি হতো। কিন্তু তারা আদালত থেকে তো সে জামিন পাননি। ঈদের পরে তারা সেই জামিন পাবেন কি না, সেটি আদালত বলতে পারবেন। তাদের আদালতের মাধ্যমে বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে আনতে হবে। একজন শাস্তিপ্রাপ্ত আসামিকে মুক্ত করার জন্য অন্য কোনো পথ নেই।’

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আন্দোলনের কথা, এরকম বহু আন্দোলন ১০ বছর ধরে আমরা শুনে আসছি। ঈদের পর, বর্ষার পর, শীতের পর, গরম একটু কমলে আন্দোলন হবে। এটি কোন বছর হবে, তারা ভালো জানে। এই কথাগুলো বলে নিজেদের হাসিরপাত্র না করার জন্য তাদের অনুরোধ জানাই।’

তিনি বলেন, ‘জনগণ অত্যন্ত নির্বিঘ্নে, স্বস্তির সঙ্গে রমজানের রোজা রাখতে পেরেছে। দেশে দ্রব্যমূল্যের দাম বাড়েনি। কারণ, সরকার রমজানের আগেই খাদ্যপণ্যের পর্যাপ্ত মজুতের ব্যবস্থা করেছিল। পণ্যের দাম না বাড়ার জন্য ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করেছিল সরকার।

একই সঙ্গে আপনারা দেখেছেন সরকার ভেজালবিরোধী অভিযান চালিয়েছে, যাতে করে রমজানের সময় মানুষকে ভেজাল খাদ্য কেউ না খাওয়ায়। সেই ধারাবাহিকতায় আমরা আশা করি, এবার ঈদ উৎসব অত্যন্ত নির্বিঘ্নে পালন করতে পারবে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব আশরাফ সিদ্দিকী বিটু প্রমুখ।



আমার বার্তা/০২ জুন ২০১৯/জহির


আরো পড়ুন