শিরোনাম :

  • শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস আজ অসাম্প্রদায়িক সমাজ গড়তে পারলে বুদ্ধিজীবীদের আত্মত্যাগ সার্থক হবে : রাষ্ট্রপতি যারা মানবতাবিরোধীদের বাঁচানোর চেষ্টা করছে, তাদেরও বিচার হবে : প্রধানমন্ত্রী বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
মিন্নির বিষয়ে যা বললেন খন্দকার মাহবুব
নিজস্ব প্রতিবেদক :
২৪ জুলাই, ২০১৯ ১৬:৩৮:১৬
প্রিন্টঅ-অ+


বরগুনার রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় তার স্ত্রী ও প্রধান সাক্ষী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির রিমান্ডের সমালোচনা করেছেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন।

বুধবার সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে খন্দকার মাহবুব সাংবাদিকদের বলেন, একজন মহিলাকে, যুবতী মেয়েকে একজন পুরুষ পুলিশ কর্মকর্তার হেফাজতে দেয়া হলো। একবারও আদালত চিন্তা করল না, তার ওপরে কী ধরনের মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন হতে পারে।

তিনি বলেন, আমরা মনে করি, রাজনৈতিক প্রভাবে আমাদের নিম্ন আদালতগুলো বেপরোয়া হয়ে উঠছে। এমনকি সুপ্রিম কোর্টের আদেশও তারা অমান্য করছে। আপনারা জানেন, বরগুনায় আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিকে রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। রিমান্ডের পরে তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও নেয়া হয়েছে। কতটা সত্যি, কতটা মিথ্যা, সেটা বিচারে দেখা যাবে। আমাদের কথা হলো, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা রয়েছে- যদি কাউকে রিমান্ডে নিয়ে স্বীকারোক্তি নেয়া হয়, তাকে অবশ্যই বিচারিক আদালতে উপস্থিত করতে হবে। যার ফলে সে বলতে পারে, রিমান্ডে থাকাকালীন তাকে নির্যাতন করা হয়েছে কি না। নির্যাতন যদি করা হয়ে থাকে, ওই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

এই জ্যেষ্ঠ আইনজীবী বলেন, কথিত স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির পরে তাকে আদালতে না নিয়ে সরাসরি জেলখানায় পাঠিয়ে দেয়া হলো। তার আইনজীবী আবেদন করল- আমরা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছি, সেটা প্রত্যাহার করতে চাই। আপনি তাকে আদালতে আনেন। কিন্তু তাকে আনা হলো না। এভাবে আইনের বরখেলাপ হচ্ছে।

মিন্নিকে জামিন না দেয়ার সমালোচনা করে প্রবীণ এ আইনজীবী বলেন, আমাদের ফৌজদারি কার্যবিধিতে রয়েছে, আসামি যদি মহিলা হয়, অসুস্থ হয়, তাহলে আদালত তাকে জামিন দেবেন। আইনের সম্পূর্ণ বরখেলাপ করে রাজনৈতিক প্রভাবে অথবা একটা বিশেষ উদ্দেশ্যে, মামলার মূল আসামিরা যাতে ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকে, সে কারণে তাকে জামিন দেয়া হলো না। এটাও আইনের বরখেলাপ। আমি আশা করব, আমাদের উচ্চ আদালত এ ব্যাপারে নজর দেবেন, যেহেতু নিম্ন আদালতগুলো সুপ্রিম কোর্টের আওতাধীন। সেই কারণে সুপ্রিম কোর্ট এর যথাযথ ব্যবস্থা নেবেন।

সুপ্রিম কোর্টের কাছে লিখিত আবেদন করে হস্তক্ষেপ চেয়েছেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে খন্দকার মাহবুব বলেন, আমি করিনি। আমি তো আইনজীবী। এটা কোর্টের দায়িত্ব। তাকে যদি জামিন না দেয়া হয়, তাহলে উচ্চ আদালতে যখন আসবে তখন আমরা এর প্রতিবাদ করব। আইনি সহায়তা দেব।



আমার বার্তা/২৪ জুলাই ২০১৯/জহির

 


আরো পড়ুন