শিরোনাম :

  • ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস আজ কেরানীগঞ্জের অগ্নিকাণ্ড : নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৯ ইরানের ওপর নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা নাইজারে সেনা ক্যাম্পে হামলায় নিহত ৭১
অভিযান বড় অপকর্মের পূর্বাভাস : রিজভী
নিজস্ব প্রতিবেদক :
০২ অক্টোবর, ২০১৯ ১৪:১৪:৪৮
প্রিন্টঅ-অ+


আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চলমান অভিযানকে বড় কোনো অপকর্মের পূর্বাভাস বলে উল্লেখ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, এ অভিযান বড় কোনো অপকর্মের পূর্বাভাস। এ অভিযান প্রতিহিংসা, ঈর্ষা, চাঁদাবাজি ও স্বজনপোষণের রাজনীতির জটিল সমীকরণের বহিঃপ্রকাশ বলে অনেকে মনে করেন।

বুধবার (২ অক্টোবর) দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, আমরা আগেই বলেছিলাম, দুর্নীতির নামে কথিত অভিযান সম্পূর্ণ রাজনৈতিক হীন উদ্দেশ্যমূলক। ফলে গত ১৩ বছরে আওয়ামী লীগের ঝুড়ি থেকে মহাদুর্নীতির বাতাসা নয় বরং যখন বড় বড় চমচম বের হতে শুরু করেছে, তখন সেটির দায় চাপানোর জন্য তারা লন্ডনের রাস্তা খুঁজে বেড়াচ্ছে।

তিনি বলেন, দুর্নীতিধর্মী রাজনীতির পৃষ্ঠপোষক আওয়ামী লীগ। তাই চলমান সন্দেহজনক অভিযানে ধৃত আওয়ামী যুবলীগ-ছাত্রলীগের চুনোপুটিদের সাথে বিএনপির নাম জড়াতে সরকার জনগণের কোনো সাড়া পাচ্ছে না। খোদ রাজধানীতে গত ১৩ বছর যাবত ডজন ডজন ক্যাসিনো গড়েছে যুবলীগ ও তাদের গডফাদাররা। এ সরকারের আশ্রয়ে-প্রশ্রয়ে দুর্বৃত্তরা টাকার কুমির হয়েছে। দুর্নীতির ইতিহাসে এ এক স্বতন্ত্র ও ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত।

বিএনপির এ নেতা বলেন, সেলিম প্রধান, খালেদ ভূঁইয়া, শামীম, ফিরোজরা সরকারে থাকা তাদের গডফাদারদের ইচ্ছাতেই টাকা পাচার করেছে। গডফাদার পৃষ্ঠপোষকদের কাছ থেকেই তারা দীক্ষা পেয়েছে। দুর্নীতি, অনাচার, আর অনিয়মে গাঁ ভাসিয়ে দিয়েছে। ফলে দুই-একটা ছোট মাছ ধরে এ সরকারের রোগ সারানো সম্ভব নয়।

রিজভী বলেন, আমরা এতদিন বলে আসছিলাম, দুর্নীতি ও ক্যাসিনো বিরোধী এই তথাকথিত অভিযানের অন্যতম লক্ষ্য বিএনপি এবং আগামী দিনের রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমান। সেই থলের বিড়ালটা এবার বের করল। সেটাই আওয়ামী মন্ত্রী-নেতারা ব্রিফিংয়ে স্পষ্ট করল। আওয়ামী লীগ অসততা ও নীতিপঙ্গুত্বতায় ভুগছে বলেই নিজেদের কালিমা অন্যের ঘাড়ে চাপিয়ে আত্মতৃপ্তি লাভ করতে চাচ্ছে। এখন আওয়ামী লীগের কতিপয় দলদাস পত্রিকা ও মিডিয়া তারেক রহমানকে ক্যাসিনোর সাথে যুক্ত করতে কাছা মেরে সপ্তসুরে প্রপাগান্ডা চালাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ব্রিফিংয়ে বলেছেন, সেলিম প্রধান এককালে মামুনের ঘনিষ্ঠ ছিলেন। সেটি তো এক যুগ আগের কথা। মামুনের সাথে ছাড়াছাড়ি হওয়ার পর গত এক দশক ধরে সেলিম প্রধান কার সাথে সংসার করে অনলাইন ক্যাসিনোর ডন হয়েছে, তাতো র্যাব বললো না। বর্তমানে সেলিম প্রধানের কোন কোন নেতা ঘনিষ্ঠ তা কোনো গণমাধ্যমে দেখলাম না।

রিজভী বলেন, সেলিমের আগের সংসারে কী হয়েছে সেটা নিয়েই চলছে টানাটানি, যার কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই। কেবল সেলিম প্রধানই নয়, যাদেরকে এ পর্যন্ত আটক করা হয়েছে সবাই নাকি এক দশক আগে ছিলেন বিএনপির লোক। সেই সময় তারা কী করেছে সেই কেত্তন চলছে দলদাস মিডিয়াগুলোতে। গত ১২ বছর তারা যে আওয়ামী লীগের গডফাদারের মাধ্যমে হরিলুট করেছে তার কাহিনী কই? সেগুলো বলতে-লিখতে কি শরম করে?



আমার বার্তা/০২ অক্টোবর ২০১৯/জহির


আরো পড়ুন