শিরোনাম :

  • বিশ্বকাপ বাছাইয়ের প্রথম ম্যাচেই সিঙ্গাপুরের চমক চট্টগ্রামের জহুর হকার্স মার্কেটে অগ্নিকাণ্ড হবিগঞ্জে কৃমিনাশক ওষুধ সেবনে বোনের মৃত্যু, দুই ভাই হাসপাতালে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের ‘কঠিন চীবর দান’ উৎসব আজ ডি মারিয়ার জোড়া গোলে পিএসজির বড় জয়
ভোটাধিকারের পর বেঁচে থাকার অধিকারও কেড়ে নেয়া হচ্ছে
নিজস্ব প্রতিবেদক :
০২ অক্টোবর, ২০১৯ ১৬:৩৫:০২
প্রিন্টঅ-অ+


বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেছেন, সরকার মুখে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বললেও বাস্তবে তারা স্বাধীনতার ঘোষণা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিপরীতে দেশ পরিচালনা করছে। এক দেশে দুই অর্থনীতি দুই সমাজ কায়েম করেছে। ভোটাধিকার কেড়ে নেয়ার পর এখন বেঁচে থাকার অধিকারও কেড়ে নেয়া হচ্ছে।

বুধবার (২ অক্টোবর) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় সংহতি মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।

সাইফুল হক আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ৩০ ডিসেম্বরের পর দেশে যে বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। গণসংগ্রামের পথে এ অবস্থার পরিবর্তন ঘটাতে না পারলে এ সুযোগ গ্রহণ করতে পারে ফ্যাসিস্ট শক্তি। তিনি অবদমনের ভীতিকর, অগণতান্ত্রিক ও স্বেচ্ছাচারীতা পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে ভোট ডাকাতির বিদ্যমান সংসদ বাতিল, ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা ও নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ তদারকি সরকারের অধীনে মধ্যবর্তী নির্বাচনের দাবি জানান।

দেশের বিদ্যমান মারাত্মক বৈরী, গভীর অনিশ্চিত পরিস্থিতি ও সংকট থেকে বেরিয়ে আসতে দমনমূলক কৌশল পরিহার করে বিরোধী দল ও জনগণকে আস্থায় নিয়ে গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, সরকারি দল যে গণতান্ত্রিক অধিকার ভোগ করে বিরোধীদের জন্যও তেমন সুযোগ নিশ্চিত করা দরকার। এ জন্যে ছিনিয়ে নেয়া জনগণের ভোটাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং ধ্বংস প্রায় গণআস্থাহীন নির্বাচনী ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন। শাসকদের লক্ষ্য কার্যকরি রাজনৈতিক বিরোধীতাকে নির্মূল করে একদলীয় ফ্যাসিবাদী শাসন দীর্ঘায়িত করা। ৩০ ডিসেম্বরের ভোট ডাকাতির মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রের ন্যূনতম রাজনৈতিক ভারসাম্য নষ্ট করা হয়েছে এবং নিয়মতান্ত্রিক ধারায় সরকার পরিবর্তনের সুযোগ রুদ্ধ করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিদ্যমান গভীর সংকট উত্তরণে পার্টির ৩১ দফা প্রস্তবানা পেশ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, পার্টির রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য বহ্নিশিখা জামালী, আকবর খান, আবু হাসান টিপু, আনছার আলী দুলাল, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রাশিদা বেগম, মাহমুদ হোসেন, অ্যাপোলো জামালী, সংগঠক হুমায়ুন মুজিব, রোকসানা বেগম, রাজিয়া সুলতানা, মো. ইমরান হোসেন প্রমুখ।



আমার বার্তা/০২ অক্টোবর ২০১৯/জহির


আরো পড়ুন