শিরোনাম :

  • আজ পিকেএসএফ উন্নয়ন মেলার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ যে চ্যানেলে দেখা যাবে বাংলাদেশ-ভারত টেস্ট ম্যাচ সৌদি অ্যারামকোতে প্রথমবারের মতো নারী প্রধান ইসরায়েলি হামলায় গাজায় রক্তবন্যা, ২৪ ফিলিস্তিনি নিহত
গ্রামীণ জনগণ প্রকৃত উপজেলার সুফল থেকে বঞ্চিত : জি এম কাদের
নিজস্ব প্রতিবেদক :
২৩ অক্টোবর, ২০১৯ ১৬:৫৭:১৫
প্রিন্টঅ-অ+


জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ (জি এম) কাদের বলেছেন, পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ যে উপজেলা ব্যবস্থা প্রবর্তন করেছিলেন- সেই উপজেলা ব্যবস্থা পূর্ণাঙ্গ পুনঃপ্রবর্তনের আর কোনো বিকল্প নেই। কারণ, উপজেলার কার্যকরী প্রাণশক্তি ছিল উপজেলা আদালত। যার মাধ্যমে বিচার ব্যবস্থা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে গিয়েছিলেন। এখন উপজেলা আছে কিন্তু সেখানে আদালত নেই। ফলে গ্রামীণ জনগণ প্রকৃত উপজেলার সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

বুধবার রাজধানীর বনানীতে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের কার্যালয় মিলনায়তনে উপজেলা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতি বক্তব্য এসব কথা বলেন তিনি।

গ্রামীণ জনপদের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির সবচেয়ে কার্যকর ব্যবস্থা উপজেলা পদ্ধতির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি উল্লেখ করে জি এম কাদের বলেন, উপজেলা আদালত যে নেই- তা নয়, কিন্তু সেই আদালত বসে জেলা শহরে। ফলে বিচার প্রার্থীদের দূর-দূরান্ত থেকে আসতে হয় জেলা শহরে। উপজেলায় আদালত থাকলে উপজেলা সদর আবার প্রাণচাঞ্চল্যে ভরে উঠবে। অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

উপজেলা প্রবর্তনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, পল্লীবন্ধু এরশাদ একটি কল্যাণমুখী, অর্থনৈতিক, প্রশাসনিক গ্রামমুখী জনপ্রতিনিধত্বশীল প্রশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়েই উপজেলা ব্যবস্থা প্রবর্তন করেছিলেন, যা একটি মডেল হিসেবে মর্যাদা লাভ করেছে। এই উপজেলা প্রতিষ্ঠার জন্য জনগণের হৃদয়ে লেখা হয়ে গেছে তার নাম। যতদিন বাংলাদেশ থাকবে ততদিন উপজেলা থাকবে। আর যতদিন এই উপজেলা থাকবে ততদিন ইতিহাসে অমর হয়ে থাকবেন পল্লীবন্ধু এরশাদ। এই উপজেলা জাতীয় পার্টির গর্ব। উপজেলাকে নিয়েই আমরা এগিয়ে যাবো- আগামী দিনের সমৃদ্ধির পথে।

জাতীয় পার্টির মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা বলেন, পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের অনন্য সৃষ্টির মধ্যে উপজেলা পদ্ধতি প্রবর্তন অন্যতম। এরশাদ জনগণের কাতারে ছিলেন, আমরাও সারাজীবন সাধারণ মানুষের কাতারে থেকে রাজনীতি করবো। ৯ বছরের শাসনামলে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ উন্নয়নের যে কীর্তি গড়েছেন, তা এখনো পর্যন্ত কোনো সরকার করতে পারেনি। তিনি বঙ্গবন্ধুর মাজার, মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ, জাতীয় স্মৃতিসৌধ, তিন নেতার মাজারসহ অসংখ্য রাস্তা-ঘাট, ব্রিজ নির্মাণ করেন। বাংলাদেশের উন্নয়নের মূল কাঠামোই তৈরি করেছিলেন পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।

জাতীয় পার্টির সাবেক মহাসচিব জিয়াউদ্দিন বাবলু বলেন, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বাংলাদেশের উন্নয়নের রাজনীতিতে কিংবদন্তি হয়ে থাকবেন। পল্লীবন্ধু অমর হয়ে থাকবেন পল্লীর প্রতিটি মানুষের অন্তরে। পল্লীবন্ধুর প্রতি সাধারণ মানুষের অকৃত্রিম ভালোবাসায় জাতীয় পার্টি বাংলাদেশের রাজনীতিতে বেঁচে থাকবে।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন পার্টির মহাসচিব বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মসিউর রহমান রাঙ্গা, প্রেসিডিয়াম সদস্য সুনীল শুভ রায়, এস. এম. ফয়সল চিশতী, আলমগীর সিকদার লোটন, যুগ্ম মহাসচিব গোলাম মোহাম্মদ রাজু, ছাত্রসমাজের সদস্য সচিব ফয়সল দিদার দিপু, শ্রমিক পার্টির সিনিয়র সাধারণ সম্পাদক শেখ মোহাম্মদ শান্ত, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহ-সভাপতি এস. এম. সোবহান, কৃষক পার্টির সহ-সভাপতি মো. রমজান আলী, মুক্তিযোদ্ধা পার্টির আহ্বায়ক জাফরুল্লাহ মজুমদার।



আমার বার্তা/২৩ অক্টোবর ২০১৯/জহির


আরো পড়ুন