শিরোনাম :

  • তাপস-আতিককে শপথ পড়ালেন প্রধানমন্ত্রী উহান থেকে ২৩ বাংলাদেশিকে নেয়া হয়েছে দিল্লিতে রাজধানীতে ভবনের গ্যারেজে আগুনে শিশুসহ নিহত ৩ নগরের গৃহহীন মানুষের আবাসন সংকটের সমাধান জরুরি
বিএনপি প্রার্থীরা নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায় : তাপস
নিজস্ব প্রতিবেদক :
২৩ জানুয়ারি, ২০২০ ১৫:০৪:৪৩
প্রিন্টঅ-অ+


ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেছেন, ‘ঢাকা সিটি করপোরেশনের নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য নানা কৌশল অবলম্বন করছে বিএনপির প্রার্থীরা। এই নির্বাচনে তারা নিজেরাই বলেছে যে, তারা নির্বাচনকে খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলনের কৌশল হিসেবে নিয়েছেন।’

বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে মুগদা সিএনজি স্টেশন এলাকায় আয়োজিত পথসভায় তিনি এ কথা বলেন। সভায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোর্শেদ কামাল, যুবলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মহি উদ্দিন মহি, মুগদা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন কামাল, ৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ওয়ালি উল্লাহ জুম্মন, সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া রাজাসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তাপস বলেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ১৮টি নতুন ওয়ার্ড আছে। যেগুলোতে উন্নয়নের কোনো ছোয়া লাগেনি। এই ১৮টি ওয়ার্ডকে আধুনিক ও উন্নত শহরে পরিণত করা হবে। নাগরিক হিসেবে তারা যেন সবপ্রকার সুযোগ-সুবিধা পায়, সে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্বাচনী ইশতেহার তৈরির কাজ চলছে, খুব দ্রুত তা প্রকাশ করা হবে। সেখানে আমরা যেসব প্রতিশ্রুতি দেব তা বান্তবায়ন করা হবে।

তিনি বলেন, মেয়র নির্বাচিত হলে দল-মত নির্বিশেষে সবার জন্য কাজ করব। সিটি করপোরেশনের যে উন্নয়ন করা হবে তার সুবিধা সবাই গ্রহণ করবেন। এখানে কোনো দলমত থাকবে না।

স্থানীয় দলীয় কর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমি মুগদার মানুষের ঘরে ঘরে ভোট প্রার্থনা করতে চাই। আপনারা কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবেন না। গণমাধ্যমকর্মীরা যাতে সুন্দর পরিবেশে কাজ করতে পারেন, তাদের সে সুযোগ তৈরি করে দেবেন। বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি হলে সুষ্ঠুভাবে কাজ করা যায় না।

২৪ ঘণ্টা সেবা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাপস বলেন, এবার বৃহৎ পরিসরে সেবা করার জন্য মেয়র পদে দাঁড়িয়েছি। মেয়র নির্বাচিত হলে আপনাদের সঙ্গে নিয়ে প্রত্যেকটি এলাকার উন্নয়ন করে ঋণ শোধ করবে। নগর ভবন শুধু মেয়র, মন্ত্রী এমপিদের জন্য নয়। সাধারণ মানুষের জন্য নগর ভবন ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে। ৯০ দিনের মধ্যে মৌলিক সেবাগুলো সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাবো। ঢাকায় যতোগুলো সেবা প্রতিষ্ঠান আছে প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানকে একটি নীতিমালায় আসতে হবে।



আমার বার্তা/২৩ জানুয়ারি ২০২০/জহির

 


আরো পড়ুন