শিরোনাম :

  • রাজধানীর উত্তরখানে আগুনে একই পরিবারের ৮ জন দগ্ধ ভারতে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় তিতলিবাবরসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড, তারেকসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবনরায়কে ঘিরে ঢাকায় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় আজ
উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপা জিতল লিভারপুল
স্পোর্টস ডেস্ক :
০২ জুন, ২০১৯ ১১:১৭:২০
প্রিন্টঅ-অ+


গেল বছর উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপাটা নিঃশ্বাস দূরত্বে রেখে ঘরে ফিরতে হয়েছিল লিভারপুলকে। এরপর চলতি বছর আবারো তারা ফাইনালে ওঠে।

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা মাত্র ১ পয়েন্টের জন্য ম্যানচেস্টার সিটির কাছে হারালেও চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপা হাতছাড়া করেনি অলরেডরা। শনিবার রাতে স্বদেশি ক্লাব টটেনহ্যাম হটস্পারকে ২-০ গোলে হারিয়ে ইউরোপ সেরার মুকুট পড়েছে তারা।

লিভারপুলের এটা ষষ্ঠ উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা। সবশেষ তারা ২০০৫ সালে জিতেছিল এই শিরোপা। অবশ্য ২০০৭ ও ২০১৮ সালে ফাইনালে উঠেও শিরোপা জেতা হয়নি তাদের।

এর মধ্য দিয়ে শিরোপা জয়ের ক্ষেত্রে ইউরোপের তৃতীয় সেরা ক্লাব হিসেবে নিজেদের অবস্থান তৈরি করেছে লিভারপুল। ৫টি করে চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা জিতে এতোদিন একই কাতারে ছিল বার্সেলোনা, বায়ার্ন ও লিভারপুল। এবার তাদের পেছনে ফেলে উপরে উঠে এল ইংল্যান্ডের ক্লাবটি।

শনিবার অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের মাঠ ওয়ান্ডা মেট্রোপলিটানোতে ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই এগিয়ে যায় লিভারপুল। এ সময় পরিকল্পিতভাবে লিভারপুলের সাদিও মানে বল লাগান টটেনহ্যামের মুসা সিসকোর হাতে। রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান। যদিও টটেনহ্যামের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানানো হয়। কিন্তু রেফারি সেটা আমলে নেননি। পেনাল্টি থেকে গোল করে শুরুতেই অলরেডদের এগিয়ে নেন মোহাম্মদ সালাহ। চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাসে যা ছিল দ্বিতীয় দ্রুততম গোল।

প্রথমার্ধে এই একটি গোলই হয়। দ্বিতীয় গোলটি আসে ম্যাচের অন্তিম মুহূর্তে। ৮৭ মিনিটের মাথায় ব্যবধান দ্বিগুণ করেন দিভোক ওরিগি। এ সময় কর্নার পায় লিভারপুল। কর্নার থেকে ডি বক্সের মধ্যে বল পেয়ে যান জোয়েল মাতিপ। তিনি বামদিকে বল বাড়িয়ে দেন ওরিগিকে। বাম পায়ের শটে ডান কোনা দিয়ে বল জালে পাঠান তিনি। তাতে ২-০ গোলের জয় নিশ্চিত হয় তাদের। নিশ্চিত হয় ১৪ বছর পর চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপা।

অবশ্য প্রথমবার চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে আসা টটেনহ্যাম শুরুতেই পিছিয়ে পড়ে আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি। যদিও সেমিফাইনালে হ্যাটট্রিক করা লুকাস মোরাকে মাঠে নামানোর পর কিছুটা প্রাণ ফিরে পেয়েছিল তারা। কিন্তু কাঙ্খিত গোলের দেখা পায়নি। অন্যদিকে ইনজুরি কাটিয়ে ফাইনালে ফেরা তারকা স্ট্রাইকার হ্যারি কেন নিজের সেই ক্ষীপ্রতা ও ক্ষুরধার পারফরম্যান্স দেখাতে পারেননি। তাতে প্রথমবার ফাইনালে উঠেই শিরোপা জয়ের স্বপ্ন অধরাই থেকে যায়।



আমার বার্তা/০২ জুন ২০১৯/জহির

 


আরো পড়ুন