শিরোনাম :

  • দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী কাভার্ডভ্যান মালিকদের সঙ্গে আজ বৈঠকে বসবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানের বিক্ষোভে নিহত ১০৬ : অ্যামনেস্টি এবার তাণ্ডব চালাবে ঘূর্ণিঝড় ‘কালমেগি’ তুরস্কের প্রেসিডেন্ট ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর নোবেল পাওয়া উচিৎ
রাজকোটের যে ভুলগুলো নাগপুরে করতে চায় না টাইগাররা
স্পোর্টস ডেস্ক :
০৯ নভেম্বর, ২০১৯ ১৩:১৯:১৬
প্রিন্টঅ-অ+


দিল্লি জয়ের পর আত্মবিশ্বাসে টগবগ করছিল পুরো বাংলাদেশ শিবির। ভারতের মাটিতে তাদের বিরুদ্ধে প্রথম টি-টোয়েন্টি জয় বাংলাদেশের জন্য এক ঐতিহাসিক মাইলফলক। এ কারণে রাজকোটের ম্যাচটা বাংলাদেশ শুরু করেছিল এগিয়ে থেকেই। উজ্জীবিত বাংলাদেশ রাজকোটে ব্যাট করতে নেমে সূচনাও করেছিল উড়ন্ত।

লিটন দাস আর নাইম শেখ মিলে ৭.২ ওভারেই (৪৪ বল) গড়ে ফেলে ৬০ রানের জুটি। ২১ বলে লিটন ২৯ রান করে আউট হয়ে গেলে শুরু হয় ছন্দপতন। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ থেমেছে ১৫৩ রানে। ২৬ বল হাতে রেখেই সেই লক্ষ্য পার হয়ে যায় ভারত।

দুরন্ত সূচনার পর বাংলাদেশের রান যেখানে আরও অনেক দুর যাওয়ার কথা ছিল, সেখানে কেন ১৫৩ রানে থেমে যেতে হলো টাইগারদের? এর সবচেয়ে বড় কারণ, প্রচুর ডট বল। ম্যাচটা ১২০ বলের। সেখানে বাংলাদেশ ডট বলই খেলেছে ৩৮টি। এত বেশি ডট বল খেললে তো পরাজয় নিশ্চিতই।

রাজকোটে ম্যাচ শেষে অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ সে বিষয়টাকেই হাইলাইটস করলেন। কেউ কেউ হয়তো ভাবছিলেন, রোহিত শর্মা এমন তাণ্ডব চালালে কিভাবে প্রতিপক্ষ জেতে। কিন্তু বাংলাদেশের হারের কারণ, সেটা নয়। হারের মূল কারণই হচ্ছে ৩৮টি ডট বল। না হয়, আর বড় লক্ষ্য দেয়া যেতো সেদিন ভারতকে।

বাংলাদেশ যেভাবে ইনিংসের শুরুটা করেছিল, তাতে ১৭০-এর বেশি রান উঠতোই। এই ভুলগুলোই নাগপুরে পরের ম্যাচে করতে চায় না বাংলাদেশ। মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ নিজেই জানালেন সে কথা। তিনি বলেন, ‘টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ৪০-এর বেশি ডট বল খেললে জেতার আশা তখনই শেষ হয়ে যায়। আমরা ৩৮টি ডট বল খেলেছি। পরের ম্যাচে এ ভুলগুলো করা যাবে না। এ বিষয়ে ভালোভাবে নজর দিতে হবে।’

নাগপুরে সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে কি দলে পরিবর্তন আনতে পারে বাংলাদেশ? মাহমুদুল্লাহ কিন্তু তেমন আশা করছেন না। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি না, দলে খুব একটা পরিবর্তনের দরকার রয়েছে। ব্যাটিংয়ে সামান্য কিছু সংশোধন করতে হবে। আমরা যে গতিতে রান তুলতে শুরু করেছিলাম, তাতে ১৭০ রান তুলতেই পারতাম। ১২ ওভারে আমরা ১০৩ রান করেছিলাম। ফলে ১৭০-১৮০ রান করতেই পারতাম।’

সেই রানটাই তুলতে পারেনি বাংলাদেশ। মিডল অর্ডার ভেঙে পড়ায় সে রান করা সম্ভব হয়নি বলে মনে করছেন মাহমুদুল্লাহ। তিনি বলেন, ‘মিডল অর্ডারে বেশ কয়েকটি উইকেট দ্রুত হারানোর ফলে আমাদের রান তোলার গতি কমে যায়। পরের ম্যাচে এই দিকে আমাদের নজর দিতে হবে।’

রাজকোটের ভুল থেকে কি নাগপুরে শিক্ষা নেবে বাংলাদেশ? রোববারই তারই প্রমাণ মিলবে।



আমার বার্তা/০৯ নভেম্বর ২০১৯/জহির


আরো পড়ুন