শিরোনাম :

  • ঢাকায় বাড়তে পারে তাপমাত্রা করোনার ছোবলে এবার চলে গেলেন এসআই মোশাররফ সপ্তাহে তিন দিন ছুটির বিধান আসছে নিউজিল্যান্ডে পেরুতে একদিনেই আক্রান্ত প্রায় ৩ হাজার
দল থেকে বাদ পড়ে সারা রাত কাঁদলেন কোহলি
স্পোর্টস ডেস্ক :
২২ এপ্রিল, ২০২০ ১১:১২:০২
প্রিন্টঅ-অ+


বিশ্ব ক্রিকেটের বর্তমান সময়ে কোন সন্দেহ ছাড়াই সেরা ব্যাটসম্যানের নাম বিরাট কোহলি। তিন ফরম্যাটে সমান দক্ষতায় রান করতে পারেন তিনি। ব্যাট হাতে মাঠে নামলেই গড়েন নতুন নতুন ইতিহাস। খোদ আইসিসি পর্যন্ত তাকে আখ্যা দিয়েছে ‘কিং কোহলি’ হিসেবে।

কিন্তু দিল্লির গলির ক্রিকেটার ‘চিকু’ থেকে আজকের বিশ্বের সেরা ব্যাটসম্যান হওয়ার যাত্রাটা যে একদমই মসৃণ ছিল তা নয়। অন্যান্য সাধারণ মানুষদের মতো ব্যর্থতার হতাশায় নিমজ্জিত হয়েছেন কোহলিও। শুধু তাই নয়, একবার দিল্লি রাজ্য দলে সুযোগ না পেয়ে সারারাত কান্না করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার রাতে স্ত্রী আনুশকা শর্মাকে সঙ্গে নিয়ে লকডাউনে থাকা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অনুপ্রেরণামূলক এক লাইভ সেশনে অংশ নিয়েছিলেন কোহলি। সেখানে জানিয়েছেন নিজের জীবনের অনেক কথা। ব্যর্থতা-হতাশার কথা বলতে গিয়েই ক্যারিয়ার শুরুর সে সময়ের কথা মনে পড়ে যায় কোহলির।

তিনি বলেন, ‘প্রথমবার আমি রাজ্য দলে সুযোগ পেলাম না। আমার এখনও মনে আছে, রাত প্রায় পুরোটা কেটে গিয়েছিল, আমি কাঁদছিলাম শুধু। রাত তিনটা পর্যন্ত চিৎকার করছিলাম। (বাদ পড়ে গেছি) কিছুতেই বিশ্বাস হচ্ছিল না আমার।’

‘কারণ, আমি তখন বেশ ভাল রান করেছিলাম। সবকিছুই আমার পক্ষে ছিল। আমি ঐ পর্যায় পর্যন্ত যাওয়ার জন্য সব জায়গাতেই পারফর্ম করেছি। কিন্তু শেষপর্যন্ত বাদ পড়ে গেলাম। আমি কোচকে দুই ঘণ্টা ধরে একই প্রশ্ন জিজ্ঞেস করছিলাম, কেন আমার সুযোগ হলো না? আমি কিছুতেই বুঝতে পারছিলাম না। তবে তখন যে প্যাশন এবং কমিটমেন্ট ছিল, এটাই অনেক বড় অনুপ্রেরণা।’

শেষপর্যন্ত ২০০৬ সালে দিল্লির রাজ্য দলে অভিষেক হয় কোহলির। মাত্র দুই বছরের মধ্যেই নিজের পারফরম্যান্সের সুবাদে ঢুকে যান তিনি। সেখান থেকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। শুধু এগিয়েই চলেছে কোহলির ব্যাট। এখনও পর্যন্ত তিন ফরম্যাট মিলে করে ফেলেছেন প্রায় ২২ হাজার রান, হাঁকিয়েছেন ৭০টি সেঞ্চুরি।



আমার বার্তা/২২ এপ্রিল ২০২০/জহির


আরো পড়ুন