শিরোনাম :

  • ঢাকায় বাড়তে পারে তাপমাত্রা করোনার ছোবলে এবার চলে গেলেন এসআই মোশাররফ সপ্তাহে তিন দিন ছুটির বিধান আসছে নিউজিল্যান্ডে পেরুতে একদিনেই আক্রান্ত প্রায় ৩ হাজার
গালাগাল আমিও করতে পারি : শেবাগ-গম্ভীরকে শোয়েব
স্পোর্টস ডেস্ক :
১২ মে, ২০২০ ১৪:৫৩:২৬
প্রিন্টঅ-অ+


মাঠের ভেতরে চির প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলেও মাঠের বাইরে বন্ধুত্বের কথাই শোনা যায় ভারত ও পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের মধ্যে। তবে প্রায়ই আবার দ্বন্দ্বের খবরও বের হয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে। বিশেষ করে গৌতম গম্ভীর-শহিদ আফ্রিদি এবং ভিরেন্দর শেবাগ-শোয়েব আখতার কথার যুদ্ধ জমে দারুণ।

যদিও এসব বাকযুদ্ধকে খুব একটা গুরুত্ব দিতে রাজি নন পাকিস্তানের কিংবদন্তি পেসার শোয়েব। তার মতে, মাঝেমধ্যে যতোই ঝামেলা বাঁধুক না কেন, মানুষ হিসেবে অনেক ভালো শেবাগ-গম্ভীররা। তবে সমস্যা হলো, টিভিতে গেলে তাদের কথার কোন ঠিকঠিকানা থাকে না।

আর এটি নিয়েই বেশ ক্ষেপে রয়েছেন শোয়েব। যতই বন্ধুত্ব থাক না কেন, জনসম্মুখে উল্টাপাল্টা মন্তব্যের কারণে শেবাগ-গম্ভীরের সঙ্গে বেশ ঝামেলাই চলছে শোয়েবের। তিনিও হুমকি দিয়ে রেখেছেন যে, চাইলে আজেবাজে গালাগাল তার মুখ থেকেও বের হওয়া সম্ভব।

হেলো অ্যাপকে দেয়া সাক্ষাৎকারে শোয়েব বলেছেন, ‘শেবাগ ও গম্ভীর খুবই ভালো মানুষ। কিন্তু তারা যখন টিভিতে বসে তখন, যা খুশি বলতে শুরু করে। চাইলে আমিও তো বাজে ভাষা ব্যবহার করে গালাগাল করতে পারি ওদের। কিন্তু এমন কিছু বলি না কারণ এসব টিভি অনুষ্ঠান অনেক বাচ্চারাও দেখে।’

কিন্তু হঠাৎ ক্ষেপলেন কেন শোয়েব? আজেবাজে কথা বলার প্রচ্ছন্ন হুমকিই বা কেন দিলেন? এর পেছনে রয়েছে শেবাগেরই একটি মন্তব্য। যা মোটেও সহজভাবে নেননি শোয়েব।

বেশ কয়েকবছর আগে বলিউড স্টার শাহরুখ খানের পাকিস্তানের বিপক্ষে এক ম্যাচের মজার ঘটনা বলেছিলেন শেবাগ। সেখানে তিনি বলেন, ‘আমি ২০০ রানের আশপাশে ব্যাটিং করছিলাম। শোয়েব টানা বোলিং করায় ক্লান্ত ছিল। তাই সে রাউন্ড দ্য উইকেটে এসে একের পর এক বাউন্সার মারতে শুরু করল। আমাকে বুঝিয়ে দিল, এখন শুধু বাউন্সার চলবে। আমি ওকে বললাম, পারলে নন স্ট্রাইকে থাকা শচিন টেন্ডুলকারকে বাউন্সার দিও। পরের ওভারে সে শচিনকে একটা বাউন্সার দিল এবং হুক শটে ছক্কা মেরে দিলেন শচিন।’

শেবাগের এ মন্তব্য বেশ সাড়া ফেলেছিল দুই দলের ক্রিকেট মহলে। তবে শুরু থেকেই এ মন্তব্যের জোর বিরোধিতা করেছেন শোয়েব। জানিয়েছেন ২০১১ সালের বিশ্বকাপে এ বিষয়ে সামনাসামনি জিজ্ঞেস করার পর, শেবাগ নিজের কথারই বিরোধিতা করেছেন।

শোয়েবের ভাষ্য, ‘আপনার কি মনে হয়? এমন কিছু বলার পর আমি এমনি ওকে (শেবাগ) ছেড়ে দেবো? আমরা ২০১১ বিশ্বকাপের সময় বাংলাদেশে ছিলাম। তখন গম্ভীরও সেখানে ছিল। আমি শেবাগকে জিজ্ঞেস করলাম, তুমি টিভিতে এমন কিছু বলেছ? সে তখন সরাসরি বলল যে, এমন কিছু বলেনি। নিজের মন্তব্য নিজেই অস্বীয়াক্র করেছিল। গম্ভীর তখন পাশেই বসা। আমি শেবাগকে বললাম, যদি কখনও শুনি যে এমন মন্তব্য করেছ তুমি, আমি তোমাকে ছাড়ব না।’



আমার বার্তা/১২ মে ২০২০/জহির


আরো পড়ুন