শিরোনাম :

  • আজ বঙ্গমাতার ৯০তম জন্মবার্ষিকী বঙ্গমাতা ছিলেন বঙ্গবন্ধুর বিশ্বস্ত সহচর, মুক্তিসংগ্রামের সহযোদ্ধা : প্রধানমন্ত্রী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব বাঙালির অহংকার : রাষ্ট্রপতি আজ ঢাকায় তাপমাত্রা বাড়তে পারে
ধোনির কথা শুনলে ডাবল সেঞ্চুরি করা হতো না রোহিতের
স্পোর্টস ডেস্ক :
২১ মে, ২০২০ ১১:১১:৩৩
প্রিন্টঅ-অ+


ওয়ানডে ক্রিকেটে যেখানে একটি ডাবল সেঞ্চুরি করাই দুঃসাধ্য কাজ, সেখানেই একাই তিনটি ডাবল সেঞ্চুরি করে বসে আছেন ভারতের ওপেনিং ব্যাটসম্যান রোহিত। যার প্রথমটি এসেছিল ২০১৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের একদম শেষ ম্যাচে।

ক্লাইন্ট ম্যাকে, নাথান কাউল্টার নাইল, জেমস ফকনার, হাভিয়ের ডোহার্টিদের পিটিয়ে ১৫৮ বলে ২০৯ রানের ইনিংস খেলেছিলেন রোহিত। তবে সেদিন যদি অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনির কথা শুনতেন রোহিত, তাহলে হয়তো ডাবল সেঞ্চুরি করা হতো না তার।

সেই ম্যাচের প্রায় ৭ বছর পর রবিচন্দ্রন অশ্বিনের সঙ্গে এক লাইভ আড্ডায় এ কথা জানিয়েছেন রোহিত। সেদিন তার সামনে ছিল ভিরেন্দর শেবাগের ২১৯ রানের রেকর্ড ভাঙার সুযোগ। কিন্তু ইনিংসে ৩ বল বাকি থাকতেই ফিরে যান ১২ চার ও ১৬ ছক্কার মারে ২০৯ রান করে।

নিজের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরির স্মৃতিচারণ করে রোহিত বলেছেন, ‘সত্যি কথা বলতে, আমি কখনও ভাবিনি যে ওয়ানডেতে ডাবল সেঞ্চুরি করতে পারব। এটা বলা যায় হয়ে গেছে। সেদিন উইকেট ছিল ব্যাটিং সহায়ক এবং ব্যাঙ্গালুরুর ছোট বাউন্ডারিও বাড়তি সাহায্য করেছে।’

‘আমার মনে আছে, সেদিন ম্যাচ শুরুর পরপরই ৩০ মিনিট বৃষ্টির বাগড়ায় খেলা বন্ধ ছিল। পুনরায় শুরুর পর দ্বিতীয় ওভারেই ফিরে যায় শিখর (ধাওয়ান)। এরপর কোহলির সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি হয়, সেও রানআউট হয়ে প্যাভিলিয়নমুখী হয়। আমি এখনও জানি না ভুলটা কার ছিল। তবে আমি তখনই বুঝতে পারছিলাম, আমাকে শেষপর্যন্ত খেলতে হবে এবং বড় একটা সংগ্রহ দাঁড় করাতে হবে। কার ঐ সিরিজে অনেক রান হচ্ছিল।’

অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনির সঙ্গে মাত্র ৯৪ বলে ১৬৭ রানের বিশাল জুটি গড়েছিলেন রোহিত। সেই জুটির সময় ধোনি বারবার বলছিলেন, ধীরে ধীরে খেলতে। কিন্তু রোহিত সে কথায় কান দেননি। আর তিনি সেটি শোনেননি বলেই পৌঁছতে পেরেছেন ডাবল সেঞ্চুরিতে। অন্যথায় হয়তো সম্ভব হতো না এ কীর্তি।

রোহিত বলেন, ‘আমার মনে আছে, যখন ধোনি উইকেটে এলো, তখন আমাকে বারবার বলছিল বেশি বড় শট না খেলতে। যেহেতু আমি সেট ব্যাটসম্যান ছিলাম, আমাকে লম্বা সময় উইকেটে দেখতে চাচ্ছিল সে। তাই ঝুঁকিপূর্ণ শট খেলতে বারণ করছিল। তবে আমি বুঝতে পারছিলাম বল ব্যাটে দারুণভাবে লাগছে। তাই আমি চাইলেই যেকোন বোলারকে মারতে পারি এবং সে কথা ভেবেই আক্রমণাত্মক খেলতে শুরু করি।’

সে ম্যাচে শেষ ১০ ওভারে ভারতের স্কোরে যোগ হয়েছিল ১৫১ রান। এর মধ্যে রোহিত ৩৫ বল খেলে করেন ৯৬ রান। দলীয় ৪০ ওভার শেষে তার ব্যক্তিগত সংগ্রহ ছিল ১২৩ বলে ১১৩ রান। সেখান থেকে ডাবল সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছিলেন রোহিত। ম্যাচে ভারত জিতেছিল ৫৭ রানের ব্যবধানে।



আমার বার্তা/২১ মে ২০২০/জহির


আরো পড়ুন