শিরোনাম :

  • মধ্যরাত পর্যন্ত রুদ্ধদ্বার বৈঠক, শর্ত জুড়ে দিয়ে ধর্মঘট প্রত্যাহার আজ সশস্ত্রবাহিনী দিবস ওয়াটারফ্রন্ট স্মার্টসিটি হবে কেরানীগঞ্জে ছোট ভাই প্রেসিডেন্ট, বড় ভাই এবার প্রধানমন্ত্রী ৭ তলার জানালা দিয়ে উড়ে আসছে লাখ লাখ টাকা, কুড়োতে হুড়োহুড়ি
মঙ্গলে মিলেছিল প্রাণের সন্ধান, দাবি নাসার বিজ্ঞানীর
আমার বার্তা ডেস্ক :
১৬ অক্টোবর, ২০১৯ ১১:২৫:৩৩
প্রিন্টঅ-অ+


৪০ বছর আগেই হয়ত আমরা প্রাণের সন্ধান পেয়েছি মঙ্গল গ্রহে। এমনটাই দাবি করলেন নাসার এক সাবেক বিজ্ঞানী। ১৯৭৬ সালে মঙ্গলে একটি বাইকিং ল্যান্ডার পাঠিয়েছিল নাসা। সেইসময় প্রিন্সিপ্যাল ইনভেস্টিগেটর ছিলেন গিলবার্ট ভি লেভিন নামে ওই বিজ্ঞানী। তিনিই সম্প্রতি আমেরিকার একটি জার্নালে ওই অভিযান সংক্রান্ত একটি আর্টিকল লেখেন। সেখানেই তিনি জানান, লাল গ্রহে প্রাণের প্রমাণ পাওয়া গিয়েছিল তখনই।

ওই পরীক্ষার নাম ছিল ‘লেবেলড রিলিজ।’ মূল মঙ্গলের মাটি পরীক্ষা করার জন্যই পাঠানো হয়েছিল ওই ল্যান্ডার। তখনই নাকি সব প্রশ্নের উত্তর মোটামুটিভাবে পাওয়া গিয়েছিল বলে দাবি করেছেন লেভিন।

জানা গেছে, ওই পরীক্ষায় মঙ্গলের মাটিতে কিছু পৌষ্টিক উপাদান পাওয়া গিয়েছিল। বিজ্ঞানীদের মতে, যদি মঙ্গলে প্রাণ থাকত তাহলে তারা খাবার খেয়ে বায়বীয় পদার্থ বর্জন করত, যা তাদের পরিপাকক্রিয়ার প্রমাণ দিত। সেই প্রমাণ নাকি তখন ওই ল্যান্ডারের রেডিওঅ্যাকটিভ মনিটরে পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন ওই বিজ্ঞানী।

তার দাবি, ওই মাটি নিয়ে নাসা দ্বিতীয়বার পরীক্ষা করে দেখেছিল। দু’বারই নাকি প্রাণের প্রমাণই উঠে এসেছিল। কিন্তু নাসা ওই পরীক্ষার ফলাফলের প্রতিলিপি তাদের ল্যাবরেটরিতে বের করতে পারেনি। তাই সঠিক ফলাফল সামনে আসেনি শেষ পর্যন্ত। লেভিন ওই আর্টিকলে পরিস্কার উল্লেখ করেছেন যে, ল্যান্ডারটি আদতে আসল প্রাণের প্রমাণ না পেলেও প্রাণের মত কিছুর হদিশ পেয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীকালে নাসা আর কখনও প্রাণ পরীক্ষা করার কোনও যন্ত্র মঙ্গলে পাঠায়নি বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।

তবে কয়েক দশক বাদে আজ আরও উল্লেখযোগ্য কিছু চিহ্ন পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন তিনি। নাসার ‘কিউরিওসিটি’ অরগ্যানিক জিনিসের চিহ্ন পেয়েছে মঙ্গলে। এমনকি একসময় লবণহ্রদ ছিল বলেও প্রমাণ উঠে এসেছে নাসার হাতে।

গহ্বরের গায়ে লবণের পুরু ওই আস্তরণ দেখেই গবেষকরা মনে করছেন মঙ্গলে প্রাণের অস্তিত্বের প্রমাণ দিচ্ছে ওই লবণের আস্তরণ। বিজ্ঞানীরা জানান, পৃথিবীর সঙ্গে মঙ্গলের জলবায়ু বৈচিত্রের বিশেষ পার্থক্য নেই। তাই পৃথিবীর মতোই লবণ জলের হ্রদ শুকিয়েছে মঙ্গলেও। কীভাবে তা পরিবর্তিত হয়েছে, তা জানতেই গবেষণার জন্য গেল ক্রেটারকে বেছে নেওয়া হয়েছিল।



আমার বার্তা/১৬ অক্টোবর ২০১৯/জহির

 


আরো পড়ুন