ই-পেপার শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩

এইচএমপিভিতে মৃত্যুর আশঙ্কা কম, আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই

আমার বার্তা অনলাইন:
০৮ জানুয়ারি ২০২৫, ১৯:৪৫
আপডেট  : ০৮ জানুয়ারি ২০২৫, ২০:০০

হিউম্যান মেটানিউমো ভাইরাস (এইচএমপিভি) নিয়ে এই মুহূর্তে বাংলাদেশের মানুষের আতঙ্কিত হওয়ার মতো কিছু নেই বলে জানিয়েছে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর)।

আজ বুধবার (৮ জানুয়ারি) রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. তাহমিনা শিরীন জানান, ২০১৭ সালে এইচএমপিভি প্রথম শনাক্ত হয় বাংলাদেশে। এরপর কমবেশি প্রতিবছরই শনাক্ত হয়ে আসছে। এ পর্যন্ত অনেকের শরীরে ভাইরাসটি শনাক্ত হলেও জটিলতার ইতিহাস নেই। এ কারণে এইচএমপিভি ভাইরাস নিয়ে এই মুহূর্তে আতঙ্কিত হওয়ার মতো কিছু নেই।

তিনি বলেন, ভাইরাসটি তেমন ক্ষতিকারক নয়। এর লক্ষণ সাধারণ নিউমোনিয়ার মতো, জ্বর-সর্দি-কাশি হয়। শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা হয়। মৃত্যুর আশঙ্কা কম। মৃত্যু হার নেই বললেই চলে। তাই আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি চীন-জাপানে এইচএমপিভি ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। যে কারণে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতেও দুই শিশুর শরীরে এই ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। তাই বিষয়টি বাংলাদেশের স্বাস্থ্য বিভাগও নজরদারিতে রেখেছে। তবে ভারতের শনাক্ত হওয়া এইচএমপি ভাইরাসের সঙ্গে চীনে মিউটেশন হওয়া এইচএমপি ভাইরাসের কোনো যোগ নেই।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের বেসিক সায়েন্স ও প্যারা ক্লিনিক্যাল সায়েন্স অনুষদের ডিন ও বঙ্গবন্ধু সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. সাইফ উল্লাহ মুন্সী বলেন, এই ভাইরাসটি আমাদের দেশে অনেক আগে থেকেই আছে। এটা তেমন ক্ষতিকর না। এটা শুধু শিশু এবং বয়স্কদের সংক্রমিত করে। মূলত শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা করে থাকে। অনেক সময় গায়ে ব্যাথা, বমিও ও নিউমোনিয়া হয়। এতে মৃত্যুর শঙ্কা যে খুব একটা বেশি, তা নয়। মৃত্যুহার নেই বললেই চলে। এতে আতঙ্কগ্রস্থ হওয়ার কিছু নেই।

এইচএমপিভি প্রথম শনাক্ত হয়েছিল ২০০১ সালে নেদারল্যান্ডসে। দুই বা তার বেশি মানুষের মধ্যে সরাসরি সংযোগের মাধ্যমে এই ভাইরাস ছড়ায়। এ ছাড়া সংক্রমিত কোথাও কিছু স্পর্শ করলে,তা থেকেও ভাইরাসটি ছড়ানোর ঝুঁকি থাকে।

এইচএমপিভির কারণে শ্বাসতন্ত্রের উপরের অংশে মাঝারি ধরনের সংক্রমণ হয়। বেশির ভাগ মানুষের ক্ষেত্রে এই সংক্রমণকে ইনফ্লুয়েঞ্জার সংক্রমণ থেকে আলাদা করা যায় না। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তিদের শরীরে সর্দিকাশি ও জ্বরের মতো উপসর্গ দেখা যায়।

আমার বার্তা/এমই

একদিনে হাম ও হামের উপসর্গে আরও ১১ জনের মৃত্যু: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কেউ মারা যায়নি, তবে হাম সন্দেহে সারাদেশে আরও ১১ জনের

হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও সাতজনের মৃত্যু

গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে

একদিনে হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৫ জনের মৃত্যু: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নিশ্চিত হাম ও সন্দেহে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে

সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় হাম নিয়ন্ত্রণে এসেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা হাম নিয়ন্ত্রণে
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

৩ টন সমপরিমাণ যৌন উত্তেজক ওষুধ জব্দ, এআই দিয়ে কণ্ঠ নকল করে প্রতারণা

বাংলাদেশ-নেপা‌ল ব্যবসায়িক সংযোগ জোরদারে গুরুত্ব দিলেন রাষ্ট্রদূত

তরুণদের উৎসাহ দিতে কলেজছাত্রের বানানো রেসিং কার চালালেন প্রধানমন্ত্রী

ধামরাইয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থী হত্যাকান্ডের মূল আসামি গ্রেপ্তার

মোবাইল ডেটার মেয়াদের সীমাবদ্ধতায় গ্রাহকের ভোগান্তি বাড়ছে: মাসুদ কামাল

একদিনে হাম ও হামের উপসর্গে আরও ১১ জনের মৃত্যু: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

ফ্যামিলি কার্ড দিতে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ ও দুর্নীতি থাকবে না: প্রতিমন্ত্রী

জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে নির্মূলে কাজ করতে হবে: ফখরুল

আসন্ন বাজেটে তামাকপণ্যে কার্যকর কর ও মূল্য বৃদ্ধির দাবি তরুণদের

২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা চলতি বছরেই অনুষ্ঠিত হবে: শিক্ষামন্ত্রী

আমরা মন্ত্রণালয়ে এসি ছাড়ি না, ফ্যান ব্যবহার করি: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী

জঙ্গি হামলার আশঙ্কা নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই: সিটিটিসি

সামাজিক মাধ্যমে তাপমাত্রা নিয়ে ভুয়া বার্তা, ফায়ার সার্ভিসের সতর্কতা

জুলাই সনদের প্রতিটি দফা বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর: প্রধানমন্ত্রী

রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে কাজ করে যাচ্ছে জামায়াত: মির্জা ফখরুল

সন্দেহভাজনকে নিয়ে সামনে এলো শিউরে ওঠার মতো তথ্য

১ মে পল্টনে শ্রমিক দলের সমাবেশ, উপস্থিত থাকবেন তারেক রহমান

বিএনপি ফ্যাসিবাদের রাস্তা ধরে হাঁটা শুরু করেছে: শফিকুর রহমান

হকারদের জন্য ৬টি মাঠে অস্থায়ী মার্কেট করা হবে: ডিএনসিসি প্রশাসক

জাতিসংঘে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্য: বায়োইকোনমি রেজল্যুশন গৃহীত