ই-পেপার বুধবার, ০৭ জানুয়ারি ২০২৬, ২৪ পৌষ ১৪৩২

গভীর সমুদ্রে গবেষণা ও সমস্যা চিহ্নিত করতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

আমার বার্তা অনলাইন:
০৬ জানুয়ারি ২০২৬, ১৪:৩০
প্রধান উপদেষ্টার কাছে সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ ও ইকোসিস্টেমের ওপর পরিচালিত জরিপ ও গবেষণা প্রতিবেদন জমা দেয় কমিটি

বঙ্গোপসাগরের তলদেশে প্লাস্টিকের অস্তিত্ব ও জেলিফিশের অস্বাভাবিক আধিক্য নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের স্থলভাগের সমপরিমাণ অঞ্চল জলভাগ হলেও এই বিপুল সম্পদ আমরা এখনো পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারিনি।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ ও ইকোসিস্টেম-সংক্রান্ত এক গবেষণা প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন।

গবেষণা জাহাজ ‘আরভি ডক্টর ফ্রিডজফ ন্যানসেন’ কর্তৃক পরিচালিত এই জরিপ ও গবেষণা প্রতিবেদনটি প্রধান উপদেষ্টার কাছে হস্তান্তর করে এ সংক্রান্ত কমিটি।

গত বছরের ২১ আগস্ট থেকে ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আটটি দেশের ২৫ জন বিজ্ঞানীর সমন্বয়ে এই জরিপ চালানো হয়, যার মধ্যে ১৩ জন ছিলেন বাংলাদেশি। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সেস-এর অধ্যাপক সায়েদুর রহমান চৌধুরী বৈঠকে গবেষণা উপাত্ত তুলে ধরেন।

তিনি জানান, গবেষণায় ৬৫ প্রজাতির নতুন জলজ প্রাণীর অস্তিত্ব পাওয়া গেলেও পরিবেশগত ভারসাম্যহীনতার চিত্র ফুটে উঠেছে।

অধ্যাপক সায়েদুর বলেন, ‘বাংলাদেশে গভীর সমুদ্রে জেলিফিশের আধিক্য মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে গেছে। এটা ইমব্যালেন্সের (ভারসাম্যহীনতা) লক্ষণ। ওভারফিশিংয়ের কারণে এটি হয়েছে।’ এছাড়া দুই হাজার মিটার গভীরতায়ও প্লাস্টিক পাওয়া গেছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়। ২০১৮ সালের গবেষণার তুলনায় দেখা গেছে, গভীর সমুদ্রে বড় মাছের সংখ্যা কমে যাচ্ছে এবং স্বল্প গভীরতায়ও মাছের পরিমাণ আশঙ্কাজনকভাবে হ্রাস পেয়েছে।

বৈঠকে জানানো হয়, গভীর সমুদ্রে ২৭০ থেকে ২৮০টি বড় ট্রলার মাছ আহরণ করলেও এর মধ্যে ৭০টি ট্রলার ‘সোনার’ (Sonar) ব্যবহার করে ‘টার্গেটেড ফিশিং’ করছে। এটি অত্যন্ত আগ্রাসী পদ্ধতি হওয়ায় বড় মাছ ধরা পড়লেও ক্ষুদ্র জেলেরা ক্ষতির মুখে পড়ছেন। এ প্রসঙ্গে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেন, ‘এভাবে টার্গেটেড ফিশিং হলে বঙ্গোপসাগর মাছশূন্য হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। ‘সোনার ফিশিং’ নিয়ে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে।’

তবে গবেষণায় টুনা মাছের আধিক্য ও উজ্জ্বল সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছে। এছাড়া সুন্দরবনের নিচে একটি ‘ফিশিং নার্সারি’র সন্ধান পাওয়া গেছে, যা সংরক্ষণে সরকার নির্দেশ দিয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টা তার বক্তব্যে বলেন, সামুদ্রিক সম্পদকে কাজে লাগাতে পর্যাপ্ত গবেষণা ও পলিসি সাপোর্ট প্রয়োজন। বৈঠকে জানানো হয়, যুক্তরাজ্যের রয়েল নেভির একটি বহুমুখী সার্ভে ভেসেল ‘এইচএমএস এন্টারপ্রাইজ’ বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়ায় রয়েছে, যা সমুদ্র গবেষণায় সক্ষমতা বাড়াবে। প্রধান উপদেষ্টা জাপান, ইন্দোনেশিয়া ও মালদ্বীপের সাথে যৌথ গবেষণার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, বিশেষজ্ঞ জ্ঞানের সমন্বয়েই অর্থনীতির নতুন দিগন্ত উন্মোচন হবে।

বৈঠকে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন– প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী ও মৎস্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ড. মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন।

আমার বার্তা/এমই

কল্যাণভিত্তিক পরিবহন ব্যবস্থায় আনসার-ভিডিপির অগ্রযাত্রা

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যদের সার্বিক কল্যাণ ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আনসার-ভিডিপি

আমি মনে করি না কোনো দল ‘না’ ভোটের পক্ষে যাবে: প্রধান উপদেষ্টা

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনে অনুষ্ঠিত গণভোটে কোনো রাজনৈতিক দল ‘না’ ভোটের পক্ষে যাবে- এমনটা

আ.লীগ যে বর্বরোচিত ঘটনা ঘটিয়েছে তা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল: প্রধান উপদেষ্টা

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ঢাকার রায়ের বাজারে বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা ১১৪ জনের মরদেহ থেকে ডিএনএ

শহীদদের আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসে চিরদিন লিপিবদ্ধ থাকবে

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ঢাকার রায়ের বাজারে বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা ১১৪ জনের মরদেহ থেকে ডিএনএ
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কল্যাণভিত্তিক পরিবহন ব্যবস্থায় আনসার-ভিডিপির অগ্রযাত্রা

আমি মনে করি না কোনো দল ‘না’ ভোটের পক্ষে যাবে: প্রধান উপদেষ্টা

আ.লীগ যে বর্বরোচিত ঘটনা ঘটিয়েছে তা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল: প্রধান উপদেষ্টা

যুক্তরাষ্ট্রের তাড়া করা ট্যাংকারের সুরক্ষায় সাবমেরিন পাঠালো রাশিয়া

চীনা রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে: হুমায়ুন কবির

বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় বেবিচকের বিশেষ মহড়া

রাষ্ট্রায়ত্ত ও বহুজাতিক কোম্পানি পুঁজিবাজারে আনতে সরকারের সম্মতি

শহীদদের আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসে চিরদিন লিপিবদ্ধ থাকবে

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চব্যয় শিক্ষার্থীর জন্য বড় প্রতিবন্ধকতা

মধ্যবর্তী নির্বাচনে হারলে অভিশংসন করা হতে পারে, উদ্বিগ্ন ট্রাম্প

ভারত একজনকেই নিরাপত্তা দিতে পারছে না, পুরো টিমকে কিভাবে দেবে

পোস্টাল ব্যালট নিয়ে হতাশার কথা জানালেন শহীদুল আলম

এশিয়ার সর্বপ্রথম মেডিকেল অ্যানাটমি লার্নিং অ্যাপ ভার্চুকেয়ারের উদ্বোধন

তারেক রহমানের সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

নির্বাচনী মাঠে দলীয় সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন ডিসি-এসপিরা: জামায়াত

পুলিশের ঊর্ধ্বতন ১৪ কর্মকর্তাকে বদলি

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বিজয়ী না হলে ফ্যাসিবাদ ফিরে আসবেই: মনির হায়দার

ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে বাংলাদেশ অনড়

বিশ্বকাপ ইস্যুতে ক্রীড়া উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক শেষে যা বললেন বুলবুল

নির্বাচন কমিশনকে গণভোটের প্রচার নিয়ে মাঠে নামার আহ্বান: সাখাওয়াত হোসেন