শিরোনাম :

  • অরুণ জেটলি বিরল এক ক্যানসারে ভুগছিলেন কোথায় গিয়ে থামবে আজ নিউজিল্যান্ড! শিশু সায়মা হত্যা : তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৬ সেপ্টেম্বরওএসডি হচ্ছেন জামালপুরের সেই ডিসি দ্বিতীয় ম্যাচেই হোঁচট খেলো রিয়াল মাদ্রিদ
সোনারগাঁয়ে ভট্টপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র!
সোনারগাঁ প্রতিনিধি :
১৩ জুলাই, ২০১৯ ১২:০৯:৫৪
প্রিন্টঅ-অ+


নারায়নগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ভট্টপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিআর বিলকিসের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অধিক পরিমান টাকা নিয়ে নতুন ড্রেস বানিজ্যের যে অভিযোগ উঠেছে তা মিথ্যা, বানোয়াট, কাল্পনিক ও অনভিপ্রেত যা বিশিষ্ট জনের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। জানা যায়, একটি কুচক্রীমহল অভিভাবকদের ভূল বুঝিয়ে স্বাক্ষর নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব অঞ্জন কুমার সরকারের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করেছেন যা শুনে সচেতন অভিভাবক মহলে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।তাছাড়া সভাপতি পদের  ক্ষমতা দখলই এই কুচক্রী মহলের উদ্দেশ্য।      

এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক বিআর বিলকিস দৈনিক আমার বার্তাকে বলেন, আমি তো কোন ড্রেস বিক্রি কিরিনি। এখন পর্যন্ত কোন ড্রেস আমার কাছে আসেনি।আগের গুলি অভিভাবকগণ স্বেচ্ছায় নিজেরা তৈরি করেছিল ও তারা টেইলারকে টাকা পরিশোধ করেছেন।স্কুলের পরিবেশ, লেখাপড়ার মান বৃদ্বি, শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা শৃংখলা গঠনের অনুশীলন, বাংলা ইংরেজি পড়া ও লেখা নিশ্চিতের ব্যবস্থা গ্রহন,নিয়মিত মা সমাবেশ,বিদ্যালয়ে বিভিন্ন ইনোভেটিভ আইডিয়া বাস্তবায়ন করা সহ শিশু বান্ধব বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহন করেছি,যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এস ডি জি ফোর বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি।বিদ্যালয়ের পোশাক পরিবর্তনে ম্যানেজিং কমিটির সিদ্বান্ত অনুযায়ী ২০১৮ সালের ডিসেম্বর ও ২০১৯ সালের জানুয়ারি তে অভিভাবক দেরকে নোটিশ দেয়া হয়েছে।বিদ্যালয়ের সভাপতি আবু নাইম ইকবাল  মায়েদের সাথে আলোচনা করেছেন। এভাবেই সকলের মতামতের  ভিত্তিতে পোশাক পরিবর্তনের সিদ্বান্ত গৃহীত হয়েছে।মিথ্যা, অসত্য, বানোয়াট তথ্য দিয়ে একজন প্রধান শিক্ষক কে হেয় প্রতিপন্ন ও অসম্মান করা হচ্ছে যা একটি সেরা বিদ্যাপিঠ এর সুনাম নষ্ট করার জন্য যথেষ্টশিক্ষক দের আগমন প্রস্থান নিশ্চিত করা,পাঠটীকা উপকরন সহ দলীয় কাজ সহ মানসম্মত পাঠদান নিশ্চিত করা,শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বৃদ্বি করা, সহপাঠক্রমিক কার্যাবলী বাস্তবায়ন করা,মায়েদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ করা ও মা সমাবেশ করার মাধ্যমে বিদ্যালয়টিকে একটি আধুনিক, যুগোপযোগী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা হল আমার জন্য বিপদের।শ্রেণি পাঠদান চলাকালীন অভিভাবক দেরকে শিক্ষকদের সাথে কথা বলতে না দেয়া, ক্লাসের আগে পরে কথা বলতে বলাকে তারা বলছে অভিভাকের সাথে খারাপ আচরণ করেছি।আগে তারা ক্লাসে ঢুকে শিক্ষকদের সাথে কথা বলত,ক্লাসের সময় নস্ট করত,পরিক্ষার সময় হলে ঢুকে নিজ সন্তানকে বলে দিত,যে সকল শিক্ষক প্রাইভেট পড়ায় তাদের সাথে কথা বলতো, আর এসব কার্যকলাপ বন্ধ করাকে অভিভাবকদের সাথে খারাপ ব্যবহার বলছে।



আমার বার্তা/ ১৩ জুলাই ২০১৯/রিফাত


আরো পড়ুন