শিরোনাম :

  • তিন অতিরিক্ত এসপিসহ সাত এএসপিকে বদলি বিশ্ব মানবাধিকার দিবস আজ এনআরসির বিরুদ্ধে জোট বাঁধার আহ্বান মমতার ধর্ষক রাম রহিমের সঙ্গে দেখা করলেন হানিপ্রীত
৫ বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ পেয়েও ভর্তি অনিশ্চিত ফাতেমার
নাটোর প্রতিনিধি :
০২ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১৮:৪২:০৭
প্রিন্টঅ-অ+


শৈশব থেকেই বিসিএস ক্যাডার হবার ইচ্ছা। সে অনুযায়ী প্রস্তুতি নিয়েছেন। সাফল্যও এসেছে। সুযোগ পেয়েছেন দেশের অন্যতম ৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার। কিন্তু নাটোরের ফাতেমা খাতুনের আশৈশব ইচ্ছা ভেস্তে যাওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে অর্থাভাবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি এবং পরের কয়েক বছর পড়ার খরচ জোগানোই এখন তার মূল চিন্তা।

নাটোরের লালপুর উপজেলার তিলকপুর গ্রামের চা বিক্রেতা ইউসুফ আলীর আদম্য মেধাবী কন্যা ফাতেমা খাতুন।

ইউসুফ আলী জানান, তিন শতাংশ বাড়ির জমি ছাড়া আর কিছুই নেই। মেয়ে একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পেলেও ভর্তি করানোর ও পড়ানোর টাকা নেই। ফাতেমার বড় বোন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্মান বিভাগের চতুর্থ বর্ষে অধ্যায়নরত। তার একার পক্ষে দুই বোনের লেখাপড়া করানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

ছোটবেলা থেকেই দুর্দান্ত মেধাবী ফাতেমা। পিএসসিতে জিপিএ-৫, জেএসসিতে জিপিএ-৫, এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেলেও পরীক্ষার সময় অসুস্থ থাকায় এইচএসসিতে পান জিপিএ-৪.৯২।

ফাতেমা এবার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় ক ইউনিটে মেধাতালিকায় ৭৪৭তম, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় খ ইউনিটে মেধাতালিকায় ৩৩৪তম, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে খ ইউনিটে ১৮৩, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে খ ইউনিটে মেধাতালিকায় ১৪তম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে গ ইউনিটে ৪৯৫তম হয়েছেন।

ভর্তি হতে প্রায় ১৫ হাজার টাকা লাগবে তিনি জেনেছেন। কিন্তু ভর্তির টাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের খরচ জোগানো তার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে। আগামী সপ্তাহে তার ভর্তির প্রক্রিয়া শুরু হবে। আগামী ১০ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির শেষ দিন। কিন্তু তার এই স্বপ্ন পূরণে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে অর্থ।

ভবিষ্যতে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করে ফাতেমা বিসিএস ক্যাডার হতে চান। ফাতেমা বলেন, আমি আল্লাহর রহমতে ৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছি। আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন, আমি যেন শুধু শিক্ষিত না হয়ে একজন ভালো মানুষ হতে পারি।

মেয়ের উচ্চ শিক্ষার জন্য সবার সহযোগিতা চেয়েছেন বাবা ইউসুফ আলী।



আমার বার্তা/০২ ডিসেম্বর ২০১৯/রহিমা


আরো পড়ুন