শিরোনাম :

  • আজ আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস আজ ঢাকার তাপমাত্রা বাড়তে পারে অন্ধ্রপ্রদেশে কোভিড সেন্টারে অগ্নিকান্ডে নিহত ৭ ব্রাজিলে করোনায় মৃতের সংখ্যা লাখ ছাড়াল
ধানের বাম্পার ফলনেও হতাশ হবিগঞ্জের কৃষক
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি :
০৭ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১৪:৫৩:৩৪
প্রিন্টঅ-অ+


জেলাজুড়ে আমন ধানের বাম্পান ফলন হলেও হবিগঞ্জের কৃষক হতাশ। তাদের মুখে হাসি নেই।

কারণ বর্তমানে বাজারে প্রায় ৫০০ টাকা মণে ধান বিক্রি হচ্ছে। এতে উৎপাদন খরচই উঠছে না কৃষকের। তাই নতুন ধান উঠলে কৃষকের মনে আনন্দ নেই।  

হবিগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এ মৌসুমে রোপা আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭৮ হাজার হেক্টর। লক্ষ্যামাত্রা ছাড়িয়ে চাষ হয়েছে ৭৯ হাজার ২১৫ হেক্টর। এছাড়া সম্ভাব্য ধান উৎপদন ধরা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন।

জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে জানা গেছে, ইতোমধ্যে ধান কাটা পুরোদমে শুরু হয়েছে। ধানের মূল্য নিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট তৈরি হয়েছে। অসাধু ব্যবসায়ীরা ৫০০ টাকা মণ ছাড়া ধান ক্রয় করছেন না। তাই কৃষকরা বাধ্য হয়ে এ মূল্যে ধান বিক্রি করছেন।

আজমিরীগঞ্জের কৃষক সুমন মিয়া জানান, অনেক পরিশ্রমের পর রোপা আমন ঘরে তোলার পালা। ধান কাটার সময় আসার সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় আড়তদাররা একজোট হয়ে কমিয়ে দিয়েছেন ধানের মূল্য। এ কারণে তিনি বিপাকে পড়েছেন। এতো কম মূল্যে ধান বিক্রি করলে তিনি লোকশানে পরবেন। কৃষক শরীফ মিয়া, কাজল মিয়া, ভিংরাজ মিয়াসহ অনেকেই সুমনের মতো লোকসানের মুখে পড়ে দিশেহারা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. তমিজ উদ্দিন খান বলেন, এ মৌসুমে ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। কৃষকরা ধান কেটে বাড়ি নিয়ে প্রক্রিয়াজাত করে গোলায় তুলছেন।

কৃষকদের ধানের পাশাপাশি পাশাপাশি ভুট্টা, সরিষা, আলু, পাট, তিলসহ অন্যান্য ফসল চাষে আগ্রহী করা হচ্ছে। একাধিক ফসল চাষে লাভের বিষয়ে তাদের অবহিত করা হচ্ছে।

জেলা প্রশাসক মো. কামরুল হাসান বলেন, কৃষকদর ধানের ন্যায্যমূল্য পাওয়ার ব্যাপারে জেলা প্রশাসন উদ্যোগ নেবে। এছাড়া কেউ যদি সিন্ডিকেট গড়তে চান, সে ব্যাপারে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ বিষয়ে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।





আমার বার্তা/০৭ ডিসেম্বর ২০১৯/রহিমা



 


আরো পড়ুন