শিরোনাম :

  • পাঁচ বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা, আসতে পারে শৈত্যপ্রবাহও রাজকীয় পদবি হারাচ্ছেন প্রিন্স হ্যারি-মেগান ইউক্রেনে বিধ্বস্ত বিমানের ব্ল্যাক-বক্স পাঠাবে ইরান পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে সরিয়ে দিলেন কিম
ঘন কুয়াশা আর শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত কুড়িগ্রামের মানুষ
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি :
১৪ জানুয়ারি, ২০২০ ১২:০৩:৪১
প্রিন্টঅ-অ+


ঘন কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় বিপর্যস্ত কুড়িগ্রামের জনপদ। মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) ভোর ৬টায় জেলার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তিন ঘণ্টা পর সকাল ৯টায় তা কমে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, কুড়িগ্রামের ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ প্রবাহিত হচ্ছে। এদিকে ঘন কুয়াশা আর উত্তরের হিমেল হাওয়ায় বিপাকে পড়েছে শ্রমজীবী ও ছিন্নমূল মানুষসহ পশুপাখি। ঘন কুয়াশা ও কনকনে ঠান্ডার কারণে বিশেষ কাজ ছাড়া বাইরে বের হচ্ছে না অনেকেই। শীতে কুড়িগ্রামের নদ-নদী তীরবর্তী চরাঞ্চলসহ প্রান্তিক প্রায় ছয় লাখ মানুষ দুর্ভোগে রয়েছে।

বিকেল থেকে সকাল পর্যন্ত ঘন কুয়াশায় ঢাকা থাকছে চারপাশ। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্য দেখা মিললেও হিমেল হাওয়ায় রোদের মধ্যেও গরম কাপড় পরে চলাচল করছে মানুষ। সকালে বৃষ্টির মতো ঝরছে শিশির। ফলে সকাল সকাল কাজে যোগ দেয়া মানুষ বেশি বিপাকে পড়েছেন।

সকাল ৮টায় কাজে যোগ দেয়া সোনাহাট স্থলবন্দরের পাথর ভাঙা শ্রমিকরা জানান, তাদের সকাল ৭টায় বাড়ি থেকে বের হতে হয়। ঘন কুয়াশা ভেদ করে বন্দরে আসতে তাদের অনেক কষ্ট হয়।

এদিকে নদী নির্ভর কর্মজীবী এবং মৎস্যজীবীরাও বিপাকে পড়েছেন এই শীতে। চিলমারী থেকে রৌমারী নৌরুটের কর্মজীবীরা জানান, প্রচণ্ড শীতে তাদের আয় কমে গেছে। মানুষজন আর আগের মতো ঘাটে আসে না।

নৌকা চালক হাফিজুর রহমান জানান, ঘন কুয়াশার কারণে নৌকা চালাতে কষ্ট হয়। এছাড়া কিছু দেখা না যাওয়ায় ঘাটে পৌঁছাতে অনেক সময় লাগে। বিশেষ করে সন্ধ্যা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত এই সমস্যায় পড়তে হয় তাদের।

কৃষি শ্রমিক করিম মিয়া বলেন, শীতের কারণে চলতি বোরো মৌসুমের কাজ এখনো শুরু হয়নি। ফলে বেকার দিন কাটাতে হচ্ছে তাদের।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিভাগের তথ্য মতে, এখন পর্যন্ত শীতার্ত মানুষের জন্য ৬৩ হাজার কম্বল উপজেলা পর্যায়ে বিতরণ করা হয়েছে। শীতবস্ত্র কেনার জন্য আরও ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে।



আমার বার্তা/১৪ জানুয়ারি ২০২০/জহির


আরো পড়ুন