শিরোনাম :

  • নয়াপল্টনে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ জবানবন্দিতে বুলুসহ ১৫ বিএনপি নেতার নাম পেয়েছে পুলিশ সেনা অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল সুদান, সংঘর্ষে নিহত ৭দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২
শিক্ষা অধিদপ্তরে অভিযোগ শাল্লার আটপাড়া হুসাইনিয়া দাখিল মাদরাসায় ভুয়া পরিচয়ে চাকুরী প্রদান
০৪ মার্চ, ২০২২ ১৫:৩৫:৪৩
প্রিন্টঅ-অ+

সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার আটপাড়া হুসানিয়া দাখিল মাদরাসায় ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্র ও সার্টিফিকেট দিয়ে এমএলএসএস পদে মো. হোসেন আহমদ নামে এক ব্যাক্তির চাকুরী দিয়েছেন কর্তৃপক্ষরা।


এঘটনায় উপজেলার দামপুর গ্রামের বাসিন্দা মাদরাসার দাতা সদস্য মো. আবু বক্কর মিয়া মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, সুনামগঞ্জ বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। গত ২৮ ফেব্রæয়ারি ২০২২ ইং তারিখে এ অভিযোগ দায়ের করা হয় এবং অভিযোগের অনুলিপি মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শাল্লা, থানা নির্বাহী অফিসার, জেলা প্রসাশক সুনামগঞ্জ ও মহা পরিচালক মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, ঢাকা বরাবরে প্রেরণ করা হয়।


অভিযোগে আবু বক্কর মিয়া জানান তার পিতা মৃত চান মিয়া মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতার উত্তরাধিকারী একজন দাতা সদস্য। গত ১ আগস্ট ১৯৯৯ ইংরেজী তারিখে এমএলএসএস পদে মো. হোসেন আহমদকে চাকুরীতে যোগদান দেন কর্তৃপক্ষরা। ইতিমধ্যে মাদরাসাটি এম.পিওভুক্ত হয়েছে বলে জানা যায়। ইদানিং লক্ষ্য করা যায় এমএলএসএস মো. হোসেন আহমদ বেপরোয়া ভাবে চলাফেরা করিয়া মাদরাসার সুনাম ক্ষুণœ করাসহ লোকজনদের অযথা হয়রানি করে চলেছে এবং মাদরাসার টাকা পয়সা আত্মসাৎ করে যাচ্ছে। তার এমন অসাধ আচরণ দেখে এলাকার মানুষজনের মধ্যে সন্দেহ সৃষ্টি হলে অনেক খোঁজ খবর নিয়ে জানতে পারেন তার অষ্টমশ্রেণী উত্তীর্ণ সার্টিফিকেট ভুয়া।


জানা যায়, মো. হোসেন আহমদের জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী জন্ম তারিখ ৪ জুন ১৯৬৭ ইংরেজী, অন্যদিকে তার প্রদানরত স্কুল সার্টিফিকেট অনুযায়ী জন্ম তারিখ ৭ ফেব্রæয়ারি ১৯৭৮ ইংরেজী, যা নিয়োগের সময় প্রদানরত ছাড়পত্রে দেখা যায়। প্রকৃত পক্ষে তার জন্ম তারিখ ৪ জুন ১৯৬৭ ইংরেজী হইলে সে কখনও চাকুরী পাইতে পারেনা বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। বিষটি তদন্ত করে উর্দ্বতন কর্তৃপক্ষ ভুয়া সার্টিফিকেটধারী মো. হোসেন আহমদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন এমনটি দাবী জানান দরখাস্থকারী আবু বক্কর মিয়া। এ ব্যপারে অভিযুক্ত হোসেন আহমদের মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে তার জন্ম তারিখ ভুল ছিল বলে স্বীকার করেছেন। তবে সংশোধনের জন্য চেষ্টা করছেন। এ ব্যাপারে সুনামগঞ্জ জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. জাহাঙ্গীর আলমের সাথে যোগাযোগ করা হলে অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা স্বীকার করে জানান, বিষয়টি খোজঁ নিয়ে দেখে তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরো পড়ুন