শিরোনাম :

  • অরুণ জেটলি বিরল এক ক্যানসারে ভুগছিলেন কোথায় গিয়ে থামবে আজ নিউজিল্যান্ড! শিশু সায়মা হত্যা : তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৬ সেপ্টেম্বরওএসডি হচ্ছেন জামালপুরের সেই ডিসি দ্বিতীয় ম্যাচেই হোঁচট খেলো রিয়াল মাদ্রিদ
‘আগুন দাউ দাউ করে জ্বলছে, আমার জন্য দোয়া করো’
নিজস্ব প্রতিবেদক :
৩০ মার্চ, ২০১৯ ১০:৪১:০৯
প্রিন্টঅ-অ+

আমাদের ভবনে আগুন লেগেছে। এ মুহূর্তে আগুন দাউ দাউ করে জ্বলছে। এখান থেকে বেরোতে পারব কিনা জানি না। আমার জন্য দোয়া করো।’


বনানীর এফআর টাওয়ারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সময় স্ত্রী ফাতেমা বেগমের সঙ্গে মোবাইল ফোনে শেষ কথাগুলো বলেন পারভেজ মৃধা সাজ্জাদ (৪৬)। এরপর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সময় তার বেয়ে নিচে নামতে গিয়ে ভবন থেকে পড়ে সাজ্জাদের মৃত্যু হয়।


গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার মহেশপুর ইউনিয়নের বলুগ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে সাজ্জাদ। বৃহস্পতিবার বিকালে সাজ্জাদের মৃত্যুর খবর বাড়িতে পৌঁছলে আত্মীয়স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। গোটা এলাকায় নেমে আসে শোকের ছায়া। শুক্রবার সকাল ১০টায় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তার লাশ দাফন করা হয়।


এফআর টাওয়ারের ১১ তলায় কার্গো পরিবহন কোম্পানি স্ক্যানওয়েল লজিস্টিকসের সিনিয়র ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন সাজ্জাদ। ১৫ বছর ধরে একই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সাজ্জাদ একমাত্র সন্তান সিয়াম ও স্ত্রী ফাতেমাকে নিয়ে ঢাকায় থাকতেন। রাজধানীর মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে সিয়াম এ বছর এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছে।


সাজ্জাদের ছোট ভাই কলেজ শিক্ষক পারভেজ খসরু জানান, ‘দুপুরে ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলার পর তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। বিকালে এক লোকের মাধ্যমে মোবাইল ফোনে তার মৃত্যুর খবর পাই। এরপর বনানীর ১৫নং রোডের বনানী ক্লিনিকের বারান্দায় তার লাশ পড়ে থাকতে দেখি।’ তিনি আরও বলেন, আগুন লাগার পর ওই ভবনের ১১ তলা থেকে ডিশের ক্যাবল ধরে নামতে গিয়ে তার ভাই নিচে পড়ে যান। এতে তার মৃত্যু হয়।


খসরু আরও জানান, ওমরাহ হজ করে ২৫ মার্চ দেশে ফিরেছেন সাজ্জাদ। তিন ভাই-বোনের মধ্যে দ্বিতীয় ছিলেন সাজ্জাদ।


 


আমার বার্তা/৩০ মার্চ ২০১৯/রিফাত

আরো পড়ুন