শিরোনাম :

  • একদিন পিছিয়ে আজ হেমন্তের শুরু টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত ২ বছিলায় জঙ্গি আস্তানায় অভিযান : তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৮ নভেম্বর সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৫ ওমরাহ যাত্রী নিহত পাক-ভারতের গোলাগুলি, নিহত ৪
জি কে শামীমের ৭ দেহরক্ষী মানি লন্ডারিং মামলায় রিমান্ডে
নিজস্ব প্রতিবেদক :
০১ অক্টোবর, ২০১৯ ১৪:০২:৪৪
প্রিন্টঅ-অ+


গুলশান থানায় মানি লন্ডারিং মামলায় আলোচিত যুবলীগ নেতা জি কে শামীমের সাত দেহরক্ষীর চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। সাত দেহরক্ষী হলেন- দেলোয়ার হোসেন, মুরাদ হোসেন, জাহিদুল ইসলাম, সহিদুল ইসলাম, কামাল হোসেন, সামসাদ হোসেন ও আমিনুল ইসলাম।

মঙ্গলবার তাদের ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য দশ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির সিনিয়ার সহকারী পুলিশ সুপার আবু সাঈদ। অপরদিকে তাদের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করেন।

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম সাদবীর ইয়াসির আহসান চৌধুরী তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

গুলশান থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক রবিকুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এর আগে ২৬ সেপ্টেম্বর সাত দেহরক্ষীকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হয়। সে সময় গুলশান থানায় মানি লন্ডারিং আইনে দায়ের করা মামলায় তাদের গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।

ঢাকা মহানগর হাকিম দেবদাস চন্দ্র অধিকারী আসামিদের ওই মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন।

অপরদিকে একই থানায় দায়ের হওয়া অস্ত্র মামলায় ওই সাতজনকে পৃথক আদালতে হাজির করে পুলিশ। এ সময় মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত আসামিদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন জানান মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।

২১ সেপ্টেম্বর অবৈধ অস্ত্র ও মাদক মামলায় আলোচিত যুবলীগ নেতা জি কে শামীমের ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। এর মধ্যে অস্ত্র মামলায় পাঁচদিন ও মাদক মামলায় পাঁচদিন। এছাড়া সাত দেহরক্ষীকে অস্ত্র মামলায় চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজির সুনির্দিষ্ট অভিযোগে গত ২০ সেপ্টেম্বর যুবলীগ নেতা জি কে শামীম ও তার সাত দেহরক্ষীকে আটক করে র্যাব। পরদিন তাদের গুলশান থানায় হস্তান্তর করা হয়।

ওই অভিযানে এক কোটি ৮০ লাখ নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া ১৬৫ কোটি টাকার ওপর এফডিআর (স্থায়ী আমানত) পাওয়া যায়, যার মধ্যে তার মায়ের নামে ১৪০ কোটি ও ২৫ কোটি টাকা শামীমের নামে। একই সঙ্গে পাওয়া যায় মার্কিন ডলার, মাদক ও আগ্নেয়াস্ত্র।



আমার বার্তা/০১ অক্টোবর ২০১৯/জহির


আরো পড়ুন