শিরোনাম :

  • নয়াপল্টনে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ জবানবন্দিতে বুলুসহ ১৫ বিএনপি নেতার নাম পেয়েছে পুলিশ সেনা অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল সুদান, সংঘর্ষে নিহত ৭দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২
কঠিন শাস্তি দেওয়ার মতো অপরাধ করিনি: তৈমুর
২০ জানুয়ারি, ২০২২ ১১:১০:২৬
প্রিন্টঅ-অ+

নারায়ণগঞ্জ বিএনপির প্রভাবশালী দুই নেতার বহিষ্কারকে কেন্দ্র করে দলের জেলা ও মহানগরের রাজনীতি এখন টালমাটাল। বহিষ্কারের কারণে জেলার রাজনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা।


তাদের মতে, সদ্য অনুষ্ঠিত সিটি করপোরেশন নির্বাচনের পর নেতাকে বহিষ্কার করায় দলের একটি অংশের নেতাকর্মীদের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে। আবার শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে দলীয় সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়ে দলকে চাঙ্গা রাখছে চাইছে আরেক অংশ।


তবে কঠিন শাস্তি দেওয়ার মতো অপরাধ করেননি বলে জানিয়েছেন বহিষ্কৃত নেতা অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার ও এটিএম কামাল। তাদের দাবি, দলের পদে থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অনেক নেতা অংশ নিলেও তাদের বহিষ্কার করা হয়নি। এমনকি ব্যবস্থা নেওয়ার আগে নিয়ম অনুযায়ী শোকজ না করা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন দুই নেতা।


বে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের প্রতি অনুগত থেকে বিএনপির সমর্থক হিসাবে রাজনীতি করে যাবেন বলে জানান তারা। বহিষ্কারের পরদিন বুধবার তৈমুর আলম খন্দকার ও এটিএম কামাল যুগান্তরের সঙ্গে টেলিফোনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন।


মঙ্গলবার দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকারকে প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করে বিএনপি। এর আগে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে অংশ নেওয়ায় চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা, জেলার আহ্বায়ক ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।


একইসঙ্গে তৈমুর আলমের নির্বাচনি প্রধান এজেন্ট নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামালকেও প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়।


এদিকে নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিতে আলোচনায় জেলার প্রভাবশালী এ দুই নেতার বহিষ্কার। এর ফলে ভবিষ্যতে জেলা বিএনপির রাজনীতি কোনদিকে গড়াবে সেই আলোচনাও চলছে। জেলা বিএনপির রাজনীতি মূলত দুভাগে বিভক্ত। এর বড় একটি অংশের নেতৃত্বে ছিলেন তৈমুর ও এটিএম কামাল। বিগত আন্দোলন-সংগ্রামেও রাজপথে এদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। তাদের বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক মামলা। খেটেছেন জেলও। জেলার রাজনীতিতে এরা দুজন পরীক্ষিত নেতা হিসাবে পরিচিত। ছিলেন অনেকটা কর্মীবান্ধব। তাদের বহিষ্কারে আগামী দিনের আন্দোলনে জেলা নেতারা কতটা ভূমিকা রাখতে পারবে তা নিয়ে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন।

আরো পড়ুন