শিরোনাম :

  • নয়াপল্টনে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ জবানবন্দিতে বুলুসহ ১৫ বিএনপি নেতার নাম পেয়েছে পুলিশ সেনা অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল সুদান, সংঘর্ষে নিহত ৭দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২
কানাডায় বাংলাদেশের ব্র্যান্ডিং করবে যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ
২৭ জানুয়ারি, ২০২২ ১১:৩৭:৩৫
প্রিন্টঅ-অ+

দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য-বিনিয়োগ বাড়াতে কানাডায় বাংলাদেশের ব্র্যান্ডিং করবে কানাডা-বাংলাদেশ যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ।


অর্থনীতির বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগের নতুন নতুন ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। অবকাঠামো সুবিধা, অভ্যন্তরীণ বিশাল বাজার, বিশ্বের প্রধানতম বাজারগুলোতে শুল্কমুক্ত সুবিধা থাকায় এ অঞ্চলের অন্যতম সেরা বিনিয়োগ গন্তব্য এখন বাংলাদেশ। কিন্তু এখনো এ সুবিধা সম্পর্কে কানাডার বিনিয়োগকারীরা অবগত নন। তাই বাংলাদেশের সঙ্গে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য জোরদার করতে কানাডায় বাংলাদেশকে ব্র্যান্ডিং করবে উভয় দেশের যৌথ ওয়ার্কং কমিটি।


গত মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত কমিটির ভার্চুয়াল বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা করেন উভয় দেশের সরকারের মনোনীত সদস্যরা। সভায় কো-চেয়ার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতির (এফবিসিসিআই) সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন ও কনজ্যুমার হেল্থের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও ভাইস চেয়ারম্যান নুজহাত তাম-জামান। 


দুই দেশের যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের আগের বৈঠকে পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্র হিসেবে অগ্রাধিকারমূলক খাত হিসেবে পর্যটন, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, শিক্ষা, ওষুধশিল্প ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে চিহ্নিত করা হয়েছিল।


গত মঙ্গলবারের বৈঠকে নতুন করে ব্লু ইকোনমি ও প্লাস্টিক খাতকে অন্তর্ভুক্ত করার আহŸান জানিয়েছেন এফবিসিসিআই সভাপতি। তিনি বলেছেন, সমুদ্র অর্থনীতিতে বিশ্বের অন্যতম সেরা দেশ কানাডা। সমুদ্র সম্পদকে সুষ্ঠুভাবে ব্যবহার করার ক্ষেত্রে কানাডার বিশেষ দক্ষতা ও জ্ঞান রয়েছে। অন্যদিকে বাংলাদেশের ৭১০ কিলোমিটার সমুদ্রসীমা ও বঙ্গোপসাগরে ২০০ নটিক্যাল মাইলের অর্থনৈতিক অঞ্চল রয়েছে। কিন্তু এর বেশির ভাগই অব্যবহৃত। কানাডার বিনিয়োগ, কারিগরি জ্ঞান ও প্রযুক্তিগত সহায়তা পেলে বাংলাদেশের অর্থনীতি আরও এগিয়ে যাবে।


ওয়ার্কিং কমিটির কাছে শিগগিরই এফবিসিসিআই ব্লু ইকোনমি প্লাস্টিক ও পর্যটনের ওপরে খাতভিত্তিক প্রতিবেদন জমা দেবে উল্লেখ করে জসিম উদ্দিন বলেন, দক্ষতা উন্নয়ন ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে প্রতিবেদন জমা দেবেন এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক সৈয়দ আলমাস কবির।


এ সময় নির্দিষ্ট পণ্যের আমদানি-রফতানি ও বাণিজ্য বাধা দূর করতে পণ্যভিত্তিক অ্যাসোসিয়েশনের মধ্যে আন্তঃযোগাযোগ জোরদার করার বিষয়ে একমত হয়েছে দুইপক্ষ। বৈঠকে বাংলাদেশি পণ্যের রফতানি বাড়াতে কানাডার রুলস অব অরিজিন আরও সহজ করার বিষয়ে কথা বলেন উদ্যোক্তারা। অন্যদিকে ব্যবসা বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহজ করার লক্ষ্যে বাংলাদেশে অন-অ্যারাইভাল ভিসার দাবি করা হয় কানাডার পক্ষ থেকে।


বৈঠকে কানাডায় বাংলাদেশি চামড়া, চামড়াজাত পণ্য ও জুতা রফতানির সম্ভবানার ওপর গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন এফবিসিসিআই পরিচালক ও এমসিসিআই ঢাকার সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম। দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের ওপর প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন সাস্কাচেওয়ান ট্রেড অ্যান্ড এক্সপোর্ট পার্টনারশিপের (স্টেপ) সভাপতি ক্রিস ডেকার।


কমিটির পরবর্তী বৈঠক আগামী ৭ ফেব্রæয়ারি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

আরো পড়ুন