শিরোনাম :

  • নয়াপল্টনে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ জবানবন্দিতে বুলুসহ ১৫ বিএনপি নেতার নাম পেয়েছে পুলিশ সেনা অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল সুদান, সংঘর্ষে নিহত ৭দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২
কৃষককে সতর্ক করতে প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার হচ্ছে না
২৪ মার্চ, ২০২২ ১১:২৫:২৯
প্রিন্টঅ-অ+

প্রাকৃতিক দুর্যোগে বছরে কয়েকবার ফসলের ক্ষতি হয় কৃষকের। তবে আগাম সতর্কতায় কমতে পারে এই ক্ষতি। তাই আবহাওয়ার পূর্বাভাস আধুনিক ও কৃষক উপযোগী করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।


আকাশের মুখ দেখেই কৃষক বলতে পারেন কখন বৃষ্টি নামবে। কখন কোন ফসল বুনতে হবে কোন আবহাওয়ায় কি করতে হবে তা নিয়ে কৃষকের আছে আজন্ম বোঝাপড়া।


কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনা কৃষকের সেই বোঝাপড়ায় ব্যাঘাত ঘটিয়েছে। প্রায়ই নষ্ট হচ্ছে কৃষকের সোনার ফসল। গত বছর নভেম্বরে ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের বাতাসের ঝাপটা বাংলাদেশে না লাগলেও প্রবল বৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষতি হয় ফসলের। আর গত মাঘের শেষ বৃষ্টিতে স্বপ্ন ভাঙে আলু চাষিদের। 


পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বিশ্বের অন্যান্য দেশ ঠিক সময়ে প্রায় নির্ভুল পূর্বাভাস দিয়ে কৃষকের ক্ষতি অনেকাংশে কমিয়ে এনেছে। কিন্তু বাংলাদেশের বাস্তবতা হচ্ছে, মাত্র পাঁচ শতাংশ ধানচাষি আবহাওয়ার পূর্বাভাস মেনে চাষ করেন। অন্যান্য ফসলের বেলায় আবহাওয়া পূর্বাভাস প্রায় অর্থহীন।


বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কৃষককে সতর্ক করতে দেশে প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার হচ্ছে না। অন্যদিকে একাধিক অধিদপ্তর হয়ে আবহাওয়ার সতর্ক বার্তা যতক্ষণে মাঠ পর্যায়ে পৌঁছায়, ততক্ষণে কৃষকের কপাল পোড়া সারা।


২০১৭ সাল থেকে কৃষি আবহাওয়া পূর্বাভাস দেয়া শুরু করে কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তর। সংস্থাটির দাবি, এই পূর্বাভাস কৃষকের জন্য উপযোগী করেই দেয়া হয়। কিন্তু কৃষকের ক্ষতি যত বড়, তত বিস্তৃত নয় এই পূর্বাভাস ব্যবস্থা।


পূর্বাভাস- সতর্কীকরণের যাবতীয় তথ্য আসে আবহাওয়া অধিদপ্তর ও পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, বাংলাদেশর অবস্থান উষ্ণ অঞ্চলে হওয়ায় অনেক ক্ষেত্রে নির্ভুল পূর্বাভাস দেয়া সম্ভব হয় না। 


বর্তমানে যেভাবে পূর্বাভাস দেয়া হয় তা কৃষক উপযোগী নয় বলে মনে করেন এই দূযোগ ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, দায়িত্বশীল সংস্থাগুলো কৃষকের প্রতি আন্তরিক হলে প্রযুক্তির আধুনিকায়ন সময়ের ব্যাপার মাত্র।

আরো পড়ুন