শিরোনাম :

  • নয়াপল্টনে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ জবানবন্দিতে বুলুসহ ১৫ বিএনপি নেতার নাম পেয়েছে পুলিশ সেনা অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল সুদান, সংঘর্ষে নিহত ৭দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২
ভোমরা স্থলবন্দর অর্থবছরের ১০ মাসে রাজস্ব ঘাটতি ২৮৮ কোটি টাকার বেশি
১০ মে, ২০২২ ১১:১৭:৫১
প্রিন্টঅ-অ+

করোনা মহামারীসহ বিভিন্ন প্রতিক‚ল পরিস্থিতির কারণে দেশের বন্দরগুলোয় নির্ধারিত রাজস্ব আহরণের চিত্র অনেকটাই নেতিবাচক। ব্যবসায়িক বৈষম্য এবং আমদানি-রফতানি সংক্রান্ত নানা অসুবিধা ও প্রতিবন্ধকতা এ সংকটকে আরো প্রকট করে তুলছে। এমন পরিস্থিতিতে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রাজস্ব আহরণে ব্যর্থ হচ্ছে বন্দরগুলোর শুল্ক বিভাগ। এরই ধারাবাহিকতায় সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরে চলতি অর্থবছরে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ঘাটতি পড়েছে। মোট লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে বন্দরটি ব্যবহার করে প্রথম ১০ মাসে (জুলাই ’২১-এপ্রিল ’২২) অন্তত ৩০ শতাংশ রাজস্ব ঘাটতি পড়েছে।


ভোমরা শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব শাখা থেকে জানা যায়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কর্তৃক ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসের জন্য ভোমরা বন্দরে রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ৯৩৭ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে উল্লিখিত সময়ে বন্দরটি ব্যবহার করে সরকারের রাজস্ব আয় হয়েছে ৬৪৯ কোটি ৪৯ লাখ টাকা।


আয়কৃত রাজস্বের মধ্যে জুলাইয়ে ৪৪ কোটি ৫২ লাখ, আগস্টে ৫৭ কোটি ৬৩ লাখ, সেপ্টেম্বরে ৭৩ কোটি ৩০ লাখ, অক্টোবরে ৭১ কোটি ২৮ লাখ, নভেম্বরে ৭৪ কোটি ২৮ লাখ, ৫৫ কোটি ২৭ লাখ, জানুয়ারিতে ৫৯ কোটি ২০ লাখ, ফেব্রæয়ারিতে ৬২ কোটি ৪১ লাখ, মার্চে ৯৩ কোটি ৯৮ লাখ, এপ্রিলে ৫৭ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। ফলে লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে রাজস্ব ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৮৮ কোটি ২৯ লাখ টাকা।


সূত্রটি আরো জানায়, ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে রাজস্ব আয় হয়েছিল ৭০১ কোটি ২৯ লাখ টাকা, যা চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসের তুলনায় ৫১ কোটি ৮ লাখ টাকা বেশি।


ভোমরা সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান নাসিম জানান, ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে দেশের অন্য যেকোনো বন্দরের চেয়ে সাতক্ষীরার ভোমরা বন্দর অনেক সম্ভাবনাময়। তিনি বলেন, ভারতের বাণিজ্যিক রাজধানী নামে খ্যাত কলকাতার দূরত্ব অন্য সব বন্দরের তুলনায় ভোমরার খুবই কম। কিন্ত্র পণ্য আমদানিতে নানা বৈষম্যের কারণে বন্দরে কাঙ্ক্ষিত রাজস্ব পাচ্ছে না সরকার।


এ ব্যবসায়ী জানান, বন্দরটি ব্যবহার করে আমদানিকারকদের সব ধরনের পণ্য আমদানি করতে দেয়া হলে ব্যবসায়ীরা যেমন লাভবান হবেন, তেমনি সরকারও প্রচুর রাজস্ব আয় করতে পারবে।


এ ব্যাপারে ভোমরা শুল্ক স্টেশনের দায়িত্বরত কাস্টমসের বিভাগীয় সহকারী কমিশনার আমীর মামুন জানান, চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে মূলত এ বন্দরের ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিস্থিতি মন্দা যাওয়ায় রাজস্ব কমে গেছে।

আরো পড়ুন