শিরোনাম :

  • নয়াপল্টনে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ জবানবন্দিতে বুলুসহ ১৫ বিএনপি নেতার নাম পেয়েছে পুলিশ সেনা অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল সুদান, সংঘর্ষে নিহত ৭দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২
শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের সমর্থনে জবিতে প্রতিকী অনশনের প্লেকার্ড ছিড়ল ছাত্রলীগ
জবি প্রতিনিধি
২৫ জানুয়ারি, ২০২২ ১৬:৩০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীদের অনাশনের সাথে সংহতি প্রতিকী অনশন করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাধারন শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রঙ্গনে দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত সাধারন তারা এ প্রতীকী অনশন করেন। এসময় অনশনরত শিক্ষার্থীদের 


এ সময় অনশনরত শিক্ষার্থীরা বলেন, কিছুদিন যাবৎ  শাহজালাল বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে যে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে তারই প্রতিবাদে সারা দেশে শিক্ষার্থীদের সাথে আমরা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাধারন শিক্ষার্থীরাও এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। তারই প্রতীকিস্বরূপ আমাদের এই অনশন। তারা বলেন শাবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীদের উপর উপাচার্য এর নির্দেশনায় যে পুলিশি হামলা চালিয়েছে তারই প্রতিবাদে সেখানকার সাধারণ শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে অনশন শুরু করে। তাদের অনশনের আজকে পঞ্চম দিন পার হলেও এখনো উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন পদত্যাগ করে নি। আমরাও বলতে চাই অতি দ্রুত শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নিয়ে তাদেরকে অনশন প্রত্যাহার করার ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ও সরকার। 


প্রতীকি অনাশনের এক পর্যায়ে জবি শাখা ছাত্রলীগের কর্মী রুদ্র, মিরাজ হোসেন ও রবিউল ইসলাম অনশনকারীদের কাছ থেকে প্রাকার্ডগুলো টেনে নিয়ে ছিড়ে ফেলে। এ বিষয়ে জবি শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম আক্তার হোসেন বলেন এখন করোনার জন্য ক্যাম্পাস বন্ধ।সেখানে সাধারণ শিক্ষার্থী কারা ? 


অনশনে ছাত্রলীগের কর্মীদের বাধা দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন,এ বিষয়ে তিনি অবগত নন ।


 জবি  নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষার্থী সুমাইয়া সোমা বলেন, আমরা ভিসি ফরিদের পদত্যাগের দাবিতে প্রতীকী অনশনে বসলে ছাত্রলীগের কতিপয় কর্মী আমাদের পোষ্টার প্ল্যাকার্ড ছিড়ে ফেলে। একই সাথে আমাদের অনশন তুলে দেওয়ার চেষ্টা করে। তাদের এরুপ আচরণ এটাই প্রকাশ করে, তারা গুটি কয়েক শিক্ষার্থীকে ভয় পেয়ে ভিসি ফরিদের তোষামোদ করে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই ও একই সাথে ভিসি ফরিদের অবিলম্বে পদত্যাগ এর দাবি জানাই। 


প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, শিক্ষার্থীদের অনশন কর্মসূচিতে বাঁধা দেয়ার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। ঘটনার সাথে সাথেই তিনি স্থান ত্যাগ করেন। পরবর্তীতে উভয় পক্ষকে তিনি প্রক্টর অফিসে ডেকে নিয়ে যান। এসময় প্রক্টর বরাবর শিক্ষার্থীরা লিখিত অভিযোগ দিতে চাইলে, তিনি অভিযুক্তদের মাফ করে দিতে বলেন।

আরো পড়ুন