শিরোনাম :

  • নয়াপল্টনে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ জবানবন্দিতে বুলুসহ ১৫ বিএনপি নেতার নাম পেয়েছে পুলিশ সেনা অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল সুদান, সংঘর্ষে নিহত ৭দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২
শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে চবিতে মানববন্ধন
১৮ এপ্রিল, ২০২২ ১৪:২৮:৫২
প্রিন্টঅ-অ+

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থী দিব্য ভট্টাচার্যসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর স্থানীয়দের হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন চবি প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থীরা। গতকাল রোববার দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের সামনে মানববন্ধন করেন তারা। 


মানববন্ধন শেষে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, প্রক্টর, ছাত্র উপদেষ্টা ও প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সভাপতি বরাবর হামলায় জড়িতদের শাস্তি ও নিরাপদ ক্যাম্পাসের দাবি জানিয়ে স্মারকলিপি দেন।


প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থী মাজহারুল ইসলামের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা বক্তব্য দেন। শিক্ষার্থীরা বলেন, আমরা অনেক দূর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করতে এসেছি। কিন্তু সা¤প্রতিক সময়ে শিক্ষার্থীদের ওপর যেসব অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটেছে এতে আমরা উদ্বিগ্ন। এ অবস্থায় ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় চরম বিঘœ ঘটছে। আমরা নিরাপত্তা চাই। ভবিষ্যতে যেন শিক্ষার্থীদের ওপর এমন হামলা না হয় সেজন্য নিরাপদ ক্যাম্পাস তৈরির দায়িত্ব বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের। আমরা মানববন্ধন থেকে নিরাপদ ক্যাম্পাসের দাবি জানাচ্ছি।


মানববন্ধনে হামলার শিকার ভুক্তভোগী দিব্য ভট্টাচার্য বলেন, হামলার দিন আমি ডিপার্টমেন্টে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে আসছিলাম। সেদিন ক্যাম্পাসে কী ঘটেছিল আমি কিছুই জানতাম না। অথচ ক্যাম্পাসে আসার পথে কিছু বুঝে ওঠার আগেই আমাকে রিকশা থেকে নামিয়ে মারধর করা হয়। ওরা বেশ কয়েকজন মিলে আমাকে বাঁশ, লাঠি, রড ও বিভিন্ন দেশিয় অস্ত্র নিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করে। এতে আমি শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত পাই। আজকে যারা শিক্ষার্থীদের গায়ে হাত তুলছে, আগামীকাল তারা শিক্ষকদের মারবে না, এমন নিশ্চয়তা নেই। তাই প্রশাসনের উচিত দ্রæত সময়ের মধ্যে এসব সন্ত্রাসীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।


এর আগে ১৪ এপ্রিল বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেল ক্রসিং এলাকায় চবি শিক্ষার্থী আরফাত রায়হানের সঙ্গে সিএনজি অটোরিকশা চালকের তর্ক-বিতর্কের একপর্যায়ে স্থানীয় দোকানদারসহ বেশ কয়েকজন মিলে আরাফাতকে মারধর করে। এ ঘটনার পর শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে বিভিন্ন সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পেলেই অতর্কিত মারধর করেন স্থানীয়রা। এসব হামলায় অন্তত ২০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।

আরো পড়ুন