শিরোনাম :

  • ডি মারিয়া উড়িয়ে দিলেন রিয়ালকে তিন সপ্তাহ পরিকল্পনা, অতঃপর অভিযানের গ্রিন সিগন্যাল কোহলির ব্যাটে সহজ জয় ভারতের বিএনপি নেতা শামসুজ্জামান দুদুর বাড়িতে হামলা জাবি উপাচার্যকে পদত্যাগের জন্য আল্টেমেটাম
দেশে ফেরার আকুতি মালয়েশিয়া প্রবাসীর
বিশেষ প্রতিনিধি :
০৪ মে, ২০১৯ ১৪:১৯:০৫
প্রিন্টঅ-অ+


ভাগ্য পরিবর্তনের স্বপ্ন নিয়ে মালয়েশিয়ায় এসেছিলেন ঢাকা যাত্রাবাড়ীর পশ্চিম মাতোয়াইলের আলমগীর হোসেন (৪৯)। কিন্তু ভাগ্যের সে এক নির্মম পরিহাস। পায়ের আঙুলে ইনফেকশন নিয়ে তিনি এখন হাসপাতালের বিছানায় কাতরাচ্ছেন।

আলমগীর হোসেন আলম বর্তমানে কুয়ালালামপুর হাসপাতালে অর্থোপেডিক্স বিভাগে চিকিৎসাধীন।

২০১৫ সালে ট্যুরিস্ট ভিসায় মালয়েশিয়ায় এসে অবৈধ হয়ে পড়েন আলমগীর। বৈধ হওয়ার জন্য রি হায়ারিং প্রোগ্রামের মাই-ইজি ভেন্ডরের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করে সাত হাজার রিংগিত জমা দিয়েছিলেন এক বাংলাদেশি দালালের কাছে। পরে বাংলাদেশি দালাল ভিসা না দিয়ে প্রতারণা করে।

জানা গেছে, মালয়েশিয়ার পোর্ট ক্লাং এলাকায় একটি কনস্ট্রাকশন সাইটে কাজ করার সময় আলমগীরের ডান পায়ের আঙুলে ইনফেকশন হয়। ডায়াবেটিস থাকায় তার তিনটি আঙুলসহ উপরের অংশে পচন ধরে।

গত বৃহস্পতিবার অস্ত্রোপচার করে তার পায়ের তিনটি আঙুল কেটে ফেলা হলেও পুরোপুরি মুক্ত নন তিনি। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ইনফেকশন ভালো না হলে পুরো পা কেটে ফেলতে হবে।

এদিকে মালয়েশিয়ায় হাসপাতালে চিকিৎসা ব্যয়ভার বহনে হিমশিম খাচ্ছেন দরিদ্র আলমগীরের পরিবার। ফলে চিকিৎসকরা তাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর পরামর্শ দিয়েছেন।

এই মুহূর্তে আলমগীরের চিকিৎসা ও দেশে ফেরত পাঠাতে কয়েক লাখ টাকা প্রয়োজন। কিন্তু তার পক্ষে এত টাকা জোগাড় করা সম্ভব নয়। এরইমধ্যে তার চিকিৎসায় সঞ্চিত অর্থও খরচ হয়ে গেছে।

তাই সমাজের বিত্তবান ও সামর্থ্যবান বাংলাদেশি প্রবাসীদের কাছে আর্থিক সহযোগিতা চেয়েছেন আলমগীর হোসেন।

সাহায্য পাঠানোর জন্য ঠিকানা

আশরাফুল মামুন, কুয়ালালামপুর, মালয়েশিয়া। মোবাইল- ০০৬০১১২৮২০৪৩৬৭

শিরিন আক্তার, ঢাকা, বাংলাদেশ, বিকাশ - ০১৭১৭১৬৬৬৭২



আমার বার্তা/০৪ মে ২০১৯/রিফাত


আরো পড়ুন