শিরোনাম :

  • নয়াপল্টনে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ জবানবন্দিতে বুলুসহ ১৫ বিএনপি নেতার নাম পেয়েছে পুলিশ সেনা অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল সুদান, সংঘর্ষে নিহত ৭দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২
পুতিনের সঙ্গে আলোচনা কুমিরের সঙ্গে দর কষাকষির সমান: জনসন
২২ এপ্রিল, ২০২২ ১৫:৩৪:০১
প্রিন্টঅ-অ+

টানা প্রায় দুই মাস ধরে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান চালাচ্ছে রাশিয়া। রুশ সেনাদের তীব্র হামলায় পূর্ব ইউরোপের এই দেশটি অনেকটাই বিপর্যস্ত। পরাশক্তি রাশিয়াকে মোকাবিলায় পশ্চিমা দেশগুলো অস্ত্র ও নিষেধাজ্ঞা নিয়ে ইউক্রেনের পাশে দাঁড়ালেও রুশ অভিযান তাতে বন্ধ হয়নি।


আর তাই পশ্চিমা নেতাদের ব্যক্তিগত আক্রমণের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। দেওয়া হয়েছে যুদ্ধাপরাধী তকমাও। তবে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এবার পুতিনকে যে তকমা দিয়েছেন তা যেন পূর্বের সবকিছুকে ছাপিয়ে গেছে। প্রেসিডেন্ট পুতিনকে কুমিরের সঙ্গে তুলনা করেছেন তিনি। বৃহস্পতিবার (২১ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স ও সংবাদমাধ্যম বিবিসি।


ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে চলমান যুদ্ধ বন্ধে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে মস্কো-কিয়েভের প্রতিনিধিরা। আর এর মধ্যেই রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সমালোচনায় আবারও সরব হয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। প্রেসিডেন্ট পুতিনকে তিনি সরাসরি কুমিরের সঙ্গে তুলনা করেছেন। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর দাবি, ‘রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে আলোচনা কুমির সামলানোর সমান।’


যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বলছেন, রাশিয়ার সাথে যুদ্ধের অবসানের জন্য চলমান আলোচনা সম্ভবত ব্যর্থ হবে। বুধবার তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট পুতিনের সাথে আলোচনা করা ‘কুমিরের সাথে দর কষাকষির মতো’। জনসনের ভাষায়, ‘কীভাবে আপনি একটি কুমিরের সাথে সমঝোতা করবেন যখন আপনার একটি পা ইতোমধ্যেই তার মুখে ঢুকে গেছে!’


ভারত সফরে যাওয়ার সময় ফ্লাইটের ভেতরে সাংবাদিকদের কাছে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, ইউক্রেনে শক্তিশালী অবস্থান অর্জন করার পরই পুতিন কেবলমাত্র আলোচনার দিকে নজর দিতে পারেন। তবে বরিস জনসন হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ইউক্রেনে শক্তিশালী অবস্থান অর্জন করলে পুতিন হয়তো রাজধানী কিয়েভে নতুন করে হামলা শুরু করতে পারেন।


তিনি আরও বলেন, ইউক্রেনের ভবিষ্যতের সিদ্ধান্ত দেশটির জনগণের ওপরই নির্ভর করবে। জনসনের ভাষায়, ‘ইউক্রেন ছাড়া ইউক্রেন সম্পর্কে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়।’

আরো পড়ুন