শিরোনাম :

  • নয়াপল্টনে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ জবানবন্দিতে বুলুসহ ১৫ বিএনপি নেতার নাম পেয়েছে পুলিশ সেনা অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল সুদান, সংঘর্ষে নিহত ৭দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২
আ. স. ম আল আমিন
দ্বীনের জন্য দরদ
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ ২১:৪৯:২৩
প্রিন্টঅ-অ+

দ্বীন তো গ্রহণ করা খুবই সহজ, দ্বীনের উপর টিকে থাকা এটা খুবই কঠিন, তার থেকেও কঠিন তাঁকে সমাজে প্রতিষ্ঠা করা, দ্বীনের উপর অটল থাকা এটা পরম সৌভাগ্যের ব্যাপার, যারা ইসলামকে সমাজে প্রতিষ্ঠা করতে চাই। তাদের হৃদয়ে সবসময় ব্যাকুলতা, চিন্তা- ফিকির ও দরদ থাকা দরকার। কারণ ইসলাম তো হছে মহান রবের কাছে গ্রহনযোগ্য দ্বীন, পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে,  নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে দ্বীন একমাত্র ইসলাম। আল্লাহ তায়া’লার এই পছন্দের দ্বীনকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য,  মহানবী সা. এর অন্তরে সবসময়  পেরেশানি  ছিল, তিনি  সহপাঠীদের অন্তরে দ্বীন প্রতিষ্ঠার ব্যাকুলতার চেতনা সৃষ্টির জন্য ব্যতিব্যস্ত ছিলেন। রাসূল সা.-এর  পেরেশানির কথা আল্লাহ তায়ালা কোরআনে ব্যক্ত করেছেন।  যদি তারা এই বিষয়বস্তুর প্রতি ঈমান না আনে,  তবে দুশ্চিন্তায় আপনি হয়তো এদের পিছনে নিজের প্রাণটি খোয়াবেন। (সূরা আল কাহফ : আয়াত ৬)


আমরা একজন মুসলিম  হিসেবে আমাদের এরকম পেরেশানি থাকা দরকার,  কিন্তু আজ  দ্বীন  প্রতিষ্ঠার কাজ  আমাদের কাছে অনেক কষ্টদায়ক মনে হয়। তার জন্য একটি উদাহারন হলো, হঠাৎ করে রাত ২টায় আপনার সন্তান খুবই অসুস্থ,  কিন্তু ২০ মিনিটের মধ্যে হসপিটালে না নিলে আপনার সন্তান মারা যাবে,  এই মুহূর্তে  রাস্তায় কোন গাড়ী নেই। এখন আপনি কাঁধে করে হসপিটাল নিয়েগেছেন, এতে আপনার কোন কষ্ট হয়নি, কারন আপনার সন্তান, তার প্রতি আপনার মায়া মমতা রয়েছে। দ্বীন প্রতিষ্ঠার কাজ ও ঠিক  এমন, যদি আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সাথে করা যায় তাও সহজ হয়ে যাবে, ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ আমাদের সবাইকে দ্বীনের প্রতি পেরেশান হওয়ার তৌফিক দান করুক।


লেখক : শিক্ষার্থী, মাহাদুল ইকতিসাদ ওয়াল ফিকহীল ইসলামী ঢাকা


 

আরো পড়ুন