শিরোনাম :

  • নয়াপল্টনে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ জবানবন্দিতে বুলুসহ ১৫ বিএনপি নেতার নাম পেয়েছে পুলিশ সেনা অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল সুদান, সংঘর্ষে নিহত ৭দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২
শিশুর জন্য মারাত্মক এই ৩ ধরনের ফোবিয়া!
২৭ মার্চ, ২০২২ ১৩:৪০:১৪
প্রিন্টঅ-অ+

কোমলমতি শিশুরা যে কোনো কারণেই হঠাৎ ভয়ে গুটিয়ে যেতে পারে। এই আতঙ্ক তৈরি হতে পারে আপনার পরিবার, অচেনা ব্যক্তি, পড়াশোনার চাপ কিংবা ভয়ানক কোনো ভিডিও দেখে। এমন পরিস্থিতিতে কীভাবে সামাল দেবেন সন্তানকে, জানুন আজকের এই আয়োজনে।


শিশু এমন পরিস্থিতির মধ্যে থাকলে এদের প্রায়ই অন্য মনস্ক থাকে। শরীরে অতিরিক্ত ঘাম, মাথা ব্যথা, ক্লান্তি, পেট ব্যথা, হৃদগতি বেড়ে যাওয়ার মতো উপসর্গগুলো শিশুদের মধ্যে ধীরে ধীরে প্রকাশ পেতে শুরু করে।


শিশু বিশেষজ্ঞদের মতে, ভয় মাত্রা ছাড়িয়ে গেলে তা ফোবিয়ায় পরিণত হয়। বাচ্চাদের মধ্যে বিশেষভাবে তিন ধরনের ফোবিয়া বেশি লক্ষ্য করা যায়। এগুলো হলো-


১. স্পেসিফিক ফোবিয়া: কোনও বিশেষ বস্তু দেখে যদি শিশুর মনে ভীতি সঞ্চার করে তবে চিকিৎসা শাস্ত্রে একে বলা হয় স্পেসিফিক ফোবিয়া। অধিকাংশ ক্ষেত্রে অকারণেই এই ফোবিয়া শিশুদের মনে বাসা বাঁধে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এ ধরনের ফোবিয়ায় বন্ধ ঘর বা আলমারি কিংবা কোনও ব্যক্তি বিশেষের প্রতি মনে ভয় সঞ্চারিত হতে পারে। এ ভয় ক্রমশ ফোবিয়ায় পরিণত হয়। সন্তান কোনও কিছুর মুখোমুখি হলে অস্বাভাবিক আচরণ করতে শুরু করলে বুঝতে হবে যে সেই জিনিসের প্রতি তার মনে ফোবিয়া রয়েছে।


২. অগোরা ফোবিয়া: অগোরা ফোবিয়ায় নিজের কমফর্ট জোন থেকে বেরিয়ে আসার ভয় শিশুকে চারদিকে ঘিরে রাখে। কখনও কখনও এসব শিশুদের প্যানিক অ্যাটাকও হতে দেখা যায়। এই ধরনের শিশু হঠাৎই কান্নাকাটি শুরু করে দেয়। কোনও অবস্থাতেই তারা বাড়ি থেকে বেরোতে চায় না। কারও সঙ্গে কথাও বলে না। তাদের বাধ্য করলেই প্যানিক হয়ে অস্বাভাবিক আচরণ করতে শুরু করে এরা।


৩. সোশ্যাল ফোবিয়া: সোশ্যাল ফোবিয়াকে অনেকেই সোশ্যাল অ্যাংজাইটি ডিসঅর্ডারও বলে থাকে। কারও সঙ্গে দেখা করতে, ভিড় স্থানে থাকতে ভয় পেলে বুঝবেন আপনার শিশু সোশ্যাল ফোবিয়াতে আক্রান্ত। এই রোগে আক্রান্ত শিশুরা স্কুলে যেতেও ভয় পেয়ে থাকে। এমন হলে শিশুরা নিজেদের ইন্ট্রোডিউস করতে, প্রশ্ন করতে, স্টেজে যেতেও ভয় পায়। যে কোনো পরিস্থিতি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে তারা।


এই ধরনের ফোবিয়াগুলো মোকাবিলার একমাত্র উপায় হলো শিশুকে পর্যাপ্ত সময় দেওয়া। শিশুর সঙ্গে কথা বলে এর মূল কারণ খুঁজে বের করে তা দূর করার চেষ্টার দায়িত্ব নিতে হবে অভিভাবককেই।


শিশু বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এরপরও যদি কোনো শিশু ফোবিয়ার সমস্যায় ভোগে, তবে শিশুর প্যানিক অ্যাটাকের উপসর্গগুলো দেখা দেয়। এ সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসতে চিকিৎসকরা শিশুকে কাউন্সিলিং ও  কগ্নিটিভ বিহেভিয়ারাল থেরাপি দিয়ে থাকে।

আরো পড়ুন