শিরোনাম :

  • নয়াপল্টনে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ জবানবন্দিতে বুলুসহ ১৫ বিএনপি নেতার নাম পেয়েছে পুলিশ সেনা অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল সুদান, সংঘর্ষে নিহত ৭দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২
ভাড়া না বাড়িয়েই অর্ধেক যাত্রী পরিবহন
নিজস্ব প্রতিবেদক
১৩ জানুয়ারি, ২০২২ ১৫:৫৭:৫৮
প্রিন্টঅ-অ+

করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে রাখতে জারিকৃত ১১ দফা বিধিনিষেধ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে আগামী শনিবার থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে অর্ধেক যাত্রী নিয়ে সড়কে বাস চলাচল করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। নতুন করে ভাড়া বাড়ানো হবে না। বিদ্যমান ভাড়ায় যাত্রী পরিবহন করবেন বাস মালিকরা। বাস মালিকদের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক শেষে গতকাল বিকেলে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ মজুমদার এ তথ্য জানিয়েছেন। জানা গেছে, গত সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বিধিনিষেধের প্রজ্ঞাপন জারি করার পর থেকেই ভাড়া বাড়ানোর জন্য সরকারের ওপর চাপ দেয়া শুরু করেন বাস মালিকরা। 


এমন পরিস্থিতিতে বিআরটিএ প্রধান কার্যালয় বনানীতে গতকাল দুপুরের পর সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নিয়ে বৈঠকে বসে বিআরটিএ। ওই বৈঠকে ভাড়া না বাড়িয়ে অর্ধেক সিট ফাঁকা রেখে যাত্রী পরিবহনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বিআরটিএ চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ মজুমদার জানান, বৈঠকে পরিবহন মালিক এবং শ্রমিক সংগঠনের শীর্ষ নেতারা প্রস্তাব করেন যে, বিধিনিষেধ চলাকালে বাস ও মিনিবাসে শতভাগ যাত্রী পরিবহন করা হলে মালিকদের লোকসান গুনতে হবে না। ৫০% যাত্রী পরিবহন করা হলে রাজধানীতে পরিবহন সংকট চরম আকার ধারণ করবে ও যাত্রীদের দুর্ভোগ সীমাহীন পর্যায়ে পৌঁছাবে। এ অবস্থায় বাস ও বাস টার্মিনালে শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করে এখন যেভাবে বাস ও মিনিবাসে যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে সেভাবে শতভাগ যাত্রী পরিবহন করা উচিত। তিনি বলেন, পরিবহন মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের এ প্রস্তাব সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকদের কাছে পাঠানো হবে। তারপর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।


বিআরটিএ চেয়ারম্যান বলেন, এখন বাস ভাড়া বাড়ানো যৌক্তিক হবে না। কারণ গত নভেম্বর মাসে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে এক দফায় পরিবহনের ভাড়া বাড়ানো হয়েছে। এ বিষয়টি নিয়ে পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতাসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আমাদের ব্যাপক আলোচনা হয়েছে। তারা সবশেষে একমত হয়েছেন যে ভাড়া বাড়ানো হলে যাত্রীদের ওপর বেশি চাপ তৈরি করা হবে এবং এটি এ মুহূর্তে বাড়ানো যৌক্তিক হবে না। নূর মোহাম্মদ মজুমদার আরো জানান, আগামী ১৫ জানুয়ারি থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সড়কে গণপরিবহন চলাচল করবে। এ ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদারকি করা হবে। বাস টার্মিনাল ও বাসচালক ও তার সহকর্মী এবং যাত্রীদের শতভাগ মাস্ক পরিধান নিশ্চিত করা হবে। বাসের চালক ও হেলপারকে শতভাগ মাস্ক পরিধান করতে হবে। সব বাস টার্মিনালে স্যানিটাইজেশনের ব্যবস্থা রাখতে হবে। এ বিষয়গুলো তদারকির জন্য সংশ্লিষ্টদের নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বৈঠকে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

আরো পড়ুন