শিরোনাম :

  • নয়াপল্টনে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ জবানবন্দিতে বুলুসহ ১৫ বিএনপি নেতার নাম পেয়েছে পুলিশ সেনা অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল সুদান, সংঘর্ষে নিহত ৭দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২
ব্যবসায়ী উজ্জ্বল হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচার দাবি
১৩ মে, ২০২২ ১৪:১১:৩৬
প্রিন্টঅ-অ+

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল পর্যটন কেন্দ্ৰে মোবাইল ফোন ব্যবসায়ী উজ্জ্বল মিয়াজীকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি স্থানীয় নৌ ডাকাত কবির খালাশি, জজ মিয়া খালাশি ও নাহিদ খালাশিসহ সব আসামিকে গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে নিহতের পরিবার।


গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধন থেকে এ দাবি জানানো হয়।


মানববন্ধনে নিহতের বড় ভাই গোলাম কিবরিয়া মিয়াজি বলেন, গত ৪ মে (বৃহস্পতিবার) রাতে একটি ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে শ্বশুরবাড়ি এলাকা চাঁদপুরের মতলবে যান ব্যবসায়ী উজ্জ্বল মিয়াজি। একই রাতে মতলব উপজেলার ষাটনল পর্যটন কেন্দ্রে অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শনে গেলে সেখানে হঠাৎ এসে ফাঁকা গুলি ছোড়ে স্থানীয় নৌ ডাকাত কবির খালাশি। পরে ব্যবসায়ী উজ্জ্বল মিয়াজির সঙ্গে থাকা লোকজন পালিয়ে গেলে তার পায়ে গুলি করে তাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করে কবির খালাশি, জজ মিয়া খালাশি, নাহিদ খালাশি, তুশার খালাশি ও বাবলা ডাকাতসহ আরও ২০ থেকে ২৫ জন দুর্বৃত্ত।


তিনি বলেন, এ হত্যাকাÐের পরদিন আমি নিজে বাদী হয়ে চাঁদপুরের মতলব উত্তর থানায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করি। তবে হত্যাকাÐের ৭ দিনেও চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলার কোনো আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় আমরা সুষ্ঠ বিচার নিয়ে শঙ্কায় রয়েছি।


তিনি অভিযোগ করে বলেন, কবির খালাশি চক্র এলাকার নৌ ডাকাত হিসেবে পরিচিত। তারা খুন খারাবি, দখলবাজি, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত। এই চক্রের কতিপয় সদস্য আমার ভাইকে ডাকাত বলে অপপ্রচার করছে। অথচ আমার ভাই ঢাকার একটি শপিং মলে মোবাইলের ব্যবসা করত।


নিহত উজ্জ্বলের বোন মেরি মিজি বলেন, বিচার না করলে আমাদের পরিবারকে জনসম্মুখে হত্যা করা হোক। আমি কাফনের কাপড় নিয়ে বের হয়েছি। বিচার না পাওয়া পর্যন্ত ঘরে ফিরব না।


মানববন্ধনে তার পরিবারের অন্যান্য সদস্য এবং বন্ধুরা উপস্থিত ছিলেন।

আরো পড়ুন