শিরোনাম :

  • বিদ্যুৎ স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে ‘৮ থেকে ১০ ঘণ্টা’ ঢাকায় বিদ্যুৎ স্বাভাবিক ‘রাত ৮টার মধ্যে, চট্টগ্রামে ৯টায়’দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২ আইসিসির সেরা হওয়ার দৌড়ে বাংলাদেশের নাসুমআফগান ক্রিকেট বোর্ডের সিইওকে বিদায় দিল তালেবান
মিয়ানমার ইস্যুতে প্রয়োজনে জাতিসংঘে যাওয়ার ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
নিজস্ব প্রতিবেদক
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ১৮:১৫:৪৯
প্রিন্টঅ-অ+

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে জিরো লাইনে গোলার আঘাতে একজন নিহত হবার ঘটনার "তীব্র প্রতিবাদ" করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, মিয়ানমার ইস্যুতে বাংলাদেশ যুদ্ধ চায় না, শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান করতে চায়। তবে, কাজ না হলে জাতিসংঘের কাছে জানানো হবে।


শনিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ধানমন্ডি ঢাকা আহছানিয়া মিশনে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।


আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পর্যায়ে বার বার সতর্ক করা হলেও তারা (মিয়ানমার) কথা দিয়ে কথা রাখেনি।


শুক্রবার রাতে বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম ইউনিয়নে তুমব্রু সীমান্তে মিয়ানমার থেকে আসা মর্টার শেলে একজন নিহত হয় ও কয়েকজন আহত হয় । ঘুমধুম সীমান্তে জিরো লাইনে রোহিঙ্গাদের একটি ক্যাম্পে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। গোলাবারুদের আঘাতে একজন মারা গেছে ও কয়েকজন আহত হয়েছে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানান। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে জানিয়ে তিনি আশা করেন মিয়ানমার সংযত হবে।


তিনি বলেন,"এখন যে গোলাগুলি— তাদের অভ্যন্তরীণ কনফ্লিক্ট (সংঘাত) সেটা তাদের ভেতরেই যেন থাকে। আমাদের এদিকে যেন না আসে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও শক্তভাবে বিষয়টি উপস্থাপন করবে," বলছিলেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, তারা কোন যুদ্ধ চান না বরং চান এসব ঘটনার শান্তিপূর্ণ সমাধান। মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) সঙ্গে সবসময় যোগাযোগ হচ্ছে। রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে প্রবেশ ঠেকাতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) কঠোর রয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী।


এর আগে গত ২৮শে অগাস্ট বান্দরবানের এই তুমব্রু সীমান্তেই মিয়ানমার থেকে দু'টি অবিস্ফোরিত মর্টার শেল এসে পড়েছিল। এছাড়া গত তেসরা সেপ্টেম্বর মিয়ানমারের দুটি যুদ্ধবিমান এবং দুটি ফাইটিং হেলিকপ্টারের গোলা বাংলাদেশের সীমানার ভেতরে এসে পড়ে। এই ঘটনাগুলোর ব্যাপারে ঢাকায় নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্রতিবাদ জানানো হয়।


তা ছাড়া কয়েকদিন আগে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঢাকায় বিদেশী কূটনীতিকদের সাথেও বৈঠক করে ঘটনাগুলো সম্পর্ক অবহিত করেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও মিয়ানমার ও রোহিঙ্গা ইস্যুতে বৃহস্পতিবার তার সংবাদ সম্মেলনে মন্তব্য করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন যে, "সমস্যা হয়েছে মিয়ানমার সরকারকে নিয়ে। যে যত চাপই দিক এরা কোন ব্যাপারই নেয় না। এরা নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব সংঘাতে লিপ্ত। এখানেই বড় সমস্যা"।


 

আরো পড়ুন