শিরোনাম :

  • নয়াপল্টনে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ জবানবন্দিতে বুলুসহ ১৫ বিএনপি নেতার নাম পেয়েছে পুলিশ সেনা অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল সুদান, সংঘর্ষে নিহত ৭দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২
দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির পেছনে বিএনপির হাত: বাহাউদ্দিন নাছিম
মাহতাব লিমন, জবি প্রতিনিধি
১০ মার্চ, ২০২২ ১৫:২৮:৩১
প্রিন্টঅ-অ+

স্বাধীনতার সত্তর বছর পরও বাংলাদেশে স্বাধীনতাবিরোধী কুচক্রীমহলের নির্দেশনায় দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে। বর্তমান সময়ে বিএনপির কুচক্রিতে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধের ফলে দ্রব্যমূল্যের যে উর্ধ্বগতি তা নিয়ে রাজনীতি করার অপচেষ্টা করছে এই কুচক্রীমহল। এই কুচক্রীমহলকে সংঘবদ্ধভাবে রুখে দিতে হবে। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আয়োজনে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্যে এসব কথা বলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম।


তিনি বলেন, ৭ই মার্চের ভাষন বিশ্বের কোন কিছুর সাথে তুলনা করা যায় না। কারণ এটি এমন এক ভাষণ যার মধ্যে দিয়েই বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতিকে অর্থনৈতিক মুক্তি, রাজনৈতিক মুক্তির সূচনা করেছিলেন। এরপর বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে ঘাতকদের দালালেরা আমাদের এই দেশকে নব্য পাকিস্তান বানাতে চেয়েছিলো। কিন্তু তারা সফল হয়নি। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা আজ অর্থনৈতিক মুক্তি ও রাজনৈতিক মুক্তির চরম শিখরে পৌঁছে গেছি। তার এই সফলতাকে নষ্ট করার জন্য এখনো একদল কুচক্রী মহল ষড়যন্ত্রের জাল পেতে আছে। তাদের প্রতিহত করার দায়িত্ব বঙ্গবন্ধুর আদর্শের ছাত্রলীগেকেই নিতে হবে।


বাংলাদেশ ছাত্রলীগ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি ইব্রাহিম ফরাজীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আকতার হোসাইনের সঞ্চালনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।


আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষনকে আমাদের বুকে ধারণ করতে হবে। এ ভাষণটি কি অপূর্ব কি অকল্পনীয়! তা আমরা লক্ষ্য করলেই দেখতে পাই। ওই ভাষণে বঙ্গবন্ধু যে কৌশলের আশ্রয় নিয়েছিলেন। তিনি সরাসরি স্বাধীনতার ঘোষণা না দিয়ে পরোক্ষভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। বঙ্গবন্ধুকে যেন কেউ বিছিন্নতাবাদী নেতা হিসেবে অভিহিত করতে না পারে সে দিকে তার সজাগ দৃষ্টি ছিলো।


তিনি ছাত্র সমাজের উদ্দেশ্যে বলেন, একটি কুচক্রীমহল দেশকে যেভাবে অস্থিতিশীল করে তোলার অপচেষ্টা অব্যহত রেখেছে তোমাদের সেদিকে তীক্ষè নজর রাখতে হবে এবং তাদের সকল ষড়যন্ত্রেকে রুখে দিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে আরও শক্তিশালী করতে হবে।


এসময় অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আইন সম্পাদক এ্যাড নাজিবুল্লাহ হিরু, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম বাবু. এমপি।


এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় এবং সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য।

আরো পড়ুন