শিরোনাম :

  • নয়াপল্টনে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ জবানবন্দিতে বুলুসহ ১৫ বিএনপি নেতার নাম পেয়েছে পুলিশ সেনা অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল সুদান, সংঘর্ষে নিহত ৭দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২
হারিছ চৌধুরীর বিষয়ে কয়েকদিন পর জানানো হবে : ডিএমপি
১৭ মার্চ, ২০২২ ১০:২৬:৩৩
প্রিন্টঅ-অ+

বিএনপি নেতা হারিছ চৌধুরীর বিষয়ে তদন্ত চলছে। কয়েক দিনের মধ্যে সবকিছু বলা যাবে বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। গতকাল বুধবার (১৬ মার্চ) সকালে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান ও অতিরিক্ত কমিশনার একেএম হাফিজ আক্তার সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান। একেএম হাফিজ আক্তারকে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, রাজধানীর পান্থপথে একজন ব্যক্তি মারা গেছেন, তিনি হারিছ চৌধুরী কিনা এ বিষয়ে তদন্তের দায়িত্ব পেয়েছেন আপনারা। তদন্তে কিছু পেয়েছেন কি? এর জবাবে হাফিজ আক্তার বলেন, ‘এ বিষয়ে আমরা তদন্ত করছি। কয়েক দিন পর আপনাদের বিস্তারিত জানানো হবে।’


হারিছ চৌধুরীর মৃত্যু নিয়ে ধূম্রজালের মধ্যে গত ৬ মার্চ দৈনিক মানবজমিন-এ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, হারিছ চৌধুরীর কন্যা ব্যারিস্টার সামিরা চৌধুরী জানান, তার বাবা হারিছ চৌধুরীকে ‘মাহমুদুর রহমান’ পরিচয়ে ঢাকার সাভারের জালালাবাদ এলাকায় একটি মাদরাসার কবরস্থানে গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসের ৪ তারিখ দাফন করা হয়। পরে সরেজমিন খোঁজ নিতে গেলে মাদরাসার পরিচালক মাওলানা আশিকুর রহমান জানান, গত বছরের সেপ্টেম্বরের ৪ তারিখ আছরের নামাজের পর ‘মাহমুদুর রহমান’ নামে একজনকে দাফন করা হয়েছে। যার মরদেহ সামিরা নামে একজন নিয়ে আসে। সামিরা নিজেকে মৃত ব্যক্তির কন্যা হিসেবে পরিচয় দেন। ৫ লাখ টাকা অনুদানের মাধ্যমে মাদরাসার গোরস্থানে ‘মাহমুদুর রহমানকে’ দাফন করা হয় বলে জানান জামিয়া খাতামুন্নাবিয়্যিন মাদরাসার পরিচালক আশিকুর রহমান।


২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ভয়াবহ গ্রেনেড হামলাসহ একাধিক মামলার আসামি ছিলেন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের প্রভাবশালী নেতা সিলেটের হারিছ চৌধুরী। ওই হামলার টার্গেট ছিল বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই হামলা মামলার চার্জশিটেও অভিযুক্ত আসামি ছিলেন হারিছ চৌধুরী। অভিযোগপত্রে তাকে লাপাত্তা দেখানো হয়। ২০০৭ সালে সেনা সমর্থিত তত্ত¡াবধায়ক সরকার আসার পর হারিছ চৌধুরী গা ঢাকা দেন। ২১ আগস্ট হামলা মামলায় তিনি অভিযুক্ত হওয়ার পর ২০১৫ সালে তার বিরুদ্ধে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারি হয়। ইন্টারপোলের রেড নোটিশে তার বিরুদ্ধে অভিযোগের কথা বলা হয়েছে, ‘খুন এবং আওয়ামী লীগের সমাবেশে হ্যান্ড গ্রেনেড বিস্ফোরণ।’ রেড নোটিশে তার ছবিসহ বিভিন্ন ব্যক্তিগত তথ্যও উল্লেখ রয়েছে।

আরো পড়ুন