শিরোনাম :

  • জবানবন্দিতে বুলুসহ ১৫ বিএনপি নেতার নাম পেয়েছে পুলিশ উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত ২দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২ আইসিসির সেরা হওয়ার দৌড়ে বাংলাদেশের নাসুম
আজ ভাটারা ৪০নং ওয়ার্ড আ.লীগের সম্মেলন
তৃণমূলে আস্থার প্রতীক সিদ্দিকুর রহমান
শান্ত ইসলাম, বাড্ডা (ঢাকা)
২৬ জুলাই, ২০২২ ২২:২৬:২৪
প্রিন্টঅ-অ+

রাজনৈতিক পরিবারে বেড়ে ওঠা আলহাজ্ব মো: সিদ্দিকুর রহমান দীর্ঘ এক যুগের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ভাটারা এলাকার নেতা-কর্মীদের কাছে দলের প্রাণ ও আস্থার প্রতীক। এলাকার শিক্ষা বিস্তার ও জনসেবায় নন্দিত এই প্রবীণকেই এবার আওয়ামী লীগের কান্ডারি হিসেবে দেখতে চাইছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতায়ধীন ভাটারা থানা ৪০নং ওয়ার্ডের তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা। 


আলহাজ্ব মো: সিদ্দিকুর রহমান ঐতিহ্যবাহী মুসলিম পরিবারের সন্তান। তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার আশির্বাদ নিয়ে পারিবারিক ভাবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাথে সম্পৃক্ত। তার বংশীয় চাচা মরহুম বরকত উল্লাহ বৃহত্তর সাতারকুল ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। আরেক চাচা মারফত আলী বর্তমান ভাটারা থানা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি। মো: সিদ্দিকুর রহমান প্রায় ৩০ বছর যাবৎ ঢাকা মহানগর উত্তরের অন্তর্গত ভাটারা থানাধীন ছোলমাইদ উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সাথে সম্পৃক্ত। তিনি পর্যায়ক্রমে বিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের দাতা সদস্য, সহ-সভাপতি ও সভাপতি হিসেবে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। একই সঙ্গে তিনি ছোলমাইদ এমদাদুল উলুম মাদ্রাসা ও এতিমখানার পরিচালনা কমিটির সভাপতি, হাতিবাড়ি আবু হানিফা জামে মসজিদের পরিচালনা কমিটির সভাপতি এবং ছোলমাইদ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও সিদ্দিকুর রহমান বিভিন্ন ধর্মীয়, সামাজিক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষকতা করে আসছেন। করোনাকালীন সময়ে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মধ্যে খাবার ও নগদ অর্থ দিয়ে ব্যাপক সহযোগিতা করেছেন। প্রতি বছর শীতকালে তিনি প্রতিবছর কম্বল ও শীত নিবারণের বস্ত্র দিয়ে দরিদ্র, অসহায় ও শীতার্ত মানুষের সহযোগিতা করেন। এমন একজন আওয়ামী লীগের তৃণমূলের সংগঠককে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জন্য গর্বের বলে মনে করেন নেতা-কর্মীরা।


আলহাজ্ব মো: সিদ্দিকুর রহমান বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের একজন সাধারণ কর্মী হিসেবে কোনো পদ-পদবী গ্রহণ না করেই নিজেকে আওয়ামী পরিবারের সদস্য হিসিবে বিগত এক যুগ ধরে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।


সিদ্দিকুর রহমান নিজের ছবি ছাড়াই আওয়ামী লীগের নতুন সদস্য পদ সংগ্রহ ও নবায়ন করার জন্য দৃষ্টিনন্দন কয়েক’শ ফেস্টুন ও কয়েক হাজার পোস্টার দিয়ে দলীয় প্রচার প্রচারণা করেছেন। তিনি সমাজ সেবায় বিশেষ অবদান রাখার জন্য মানবাধিকার ও পরিবেশ সাংবাদিক সংস্থা থেকে হিউম্যান রাইট্স স্বর্ণ পদকে ভূষিত হয়েছেন। ঢাকা-১০ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব রহমত উল্লাহ্ এবং ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক এস এম মান্নান কচির নেতৃত্বে ভাটারা থানার ৪০নং ওয়ার্ডবাসীর উন্নয়ন ও কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন।


তিনি ১৯৯৬ সাল থেকে ২০১৮ সালের সকল জাতীয় নির্বাচন ও মেয়র নির্বাচনে সামনের সারিতে থেকে দলীয় কাজে অংশগ্রহণ করে আসছেন। ২০১০ সালে তিনি নিজ অর্থায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অত্যন্ত আস্থাভাজন বর্ষিয়ান নেত্রী তৎকালীন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী এ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন এবং এমপি এ কে এম রহমতউল্লাহকে সাথে নিয়ে অত্যন্ত সফলভাবে শীতকালীন বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠান আয়োজন করেন।


আলহাজ্ব সিদ্দিকুর নিজ উদ্যোগে ২০১১ সালের ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস অনুষ্ঠানে এমপি এ কে এম রহমতউল্লাহকে প্রধান অতিথি হিসেবে বিদ্যালয়ে নিয়ে আসেন। সেখানে শিক্ষার্থীসহ কয়েক হাজার মানুষ নিয়ে তিনি বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের জন্য দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন। ওই অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য রহমতউল্লাহকে তিনি প্রায় ৬ ফুট দৈর্ঘের বঙ্গবন্ধুর একটি ছবি উপহার দেন, যা আজও এমপি কার্যালয়ে সংরক্ষিত আছে।


আলহাজ্ব সিদ্দিকুর রহমান বলেন, আমি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের “সোনার বাংলা” গঠনের একজন অগ্রগণ্য সৈনিক হিসেবে এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল ও উন্নয়নের বাংলাদেশ গঠনের জন্য দলীয় যে কোন কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ করে দলের রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জনে সব সময় অঙ্গীকারাবন্ধ ছিলাম আছি এবং থাকব। তাই বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সেবক হিসেবে আমাকে ঢাকা মহানগর উত্তরের ৪০ নং ওয়ার্ডের দায়িত্ব দিলে নিষ্ঠার সাথে দলকে এগিয়ে নিতে নেতা-কর্মীদের সাথে নিয়ে কাজ করে যাব।


২০১৭ সালে তিনি শিক্ষা বিস্তার ও জনসেবায় মানবাধিকার সংস্থা থেকে গোল্ড মেডেল অর্জন করেন। ২০১৮ সালে জাতীয় নির্বাচনী প্রচারণায় তিনি এমপি এ কে এম রহমতউল্লাহ’র সাথে গণসংযোগে অংশগ্রহণ করেন। ২০১৮ সালে জাতীয় নির্বাচনে জয় লাভের পর তিনি এমপি এ কে এম রহমতউল্লাহকে ফুলের শুভেচ্ছা জানান। ইমামদের সম্মানী প্রদান অনুষ্ঠানে এমপি এ কে এম রহমতউল্লাহ’র সাথে তিনি একান্তভাবে থেকে কাজ করেন।


ছোলমাইদ উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বেশ কিছু অনুষ্ঠানে তিনি মাননীয় এমপি এ কে এম রহমতউল্লাহকে বিদ্যালয়ে এনে সংবর্ধিত করেন। ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়াকিল উদ্দীন আহমেদকেও তিনি ছোলমাইদ উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে নিয়ে এসেছিলেন।


১৫ আগস্ট, ২০২০ সালে জাতীয় শোক দিবস অনুষ্ঠানে তিনি থানার ২২ জন মুক্তিযোদ্ধাকে ক্রেস্ট ও এককালীন আর্থিক সম্মাননা প্রদান করেন। এ ছাড়াও তিনি যে কোন জাতীয় অনুষ্ঠানে আওয়ামী নেতা কর্মীদের সাথে নিয়ে অনুষ্ঠানকে সার্থকমন্ডিত করতে চেষ্টা করে আসছেন। 


২০২০ সালে করোনা পরিস্থিতির শুরুর দিকে প্রায় দুই হাজার অসহায় পরিবারকে তিনি নিজ খরচে ত্রাণ সহায়তা প্রদান করেন। ২০২১ সালেও তিনি করোনা মহামারী বিপর্যস্ত পরিবারকে নিয়মিত আর্থিক সহায়তা প্রদান করে আসছেন।


এদিকে, আজ বুধবার বাড্ডা থানা ও ৩৯ এবং  ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের সন্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এই সন্মেলনকে ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। বিশেষ করে ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের তুণমূলের নেতা-কর্মীরা মনে করছেন, এবার তাদের প্রত্যাশা পূরণ হতে যাচ্ছে। তৃণমূলের কর্মীদের অনেকের সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা  ৪০ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের সমৃদ্ধি, সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি ও নিয়মতান্ত্রিকতার সাথে সংগঠনকে এগিয়ে নিতে আলহাজ্ব মো: সিদ্দিকুর রহমানকে তৃণমূলের কান্ডারী হিসাবে দেখতে চান। তাদের মতে, এতে করে স্থানীয় আওয়ামী লীগ আরও  গতিশীল হবে।

আরো পড়ুন