শিরোনাম :

  • রাজধানীতে ট্রাকের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত জবানবন্দিতে বুলুসহ ১৫ বিএনপি নেতার নাম পেয়েছে পুলিশ উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত ২দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২
মিস্টার ডিপেন্ডেবলের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ার
অপূর্ব চক্রবর্তী:
০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ১৭:০২:৫৮
প্রিন্টঅ-অ+

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের মিস্টার ডিপেন্ডেবল খ্যাত উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের ইতি টেনেছেন। 


দীর্ঘ ১৬ বছরের ক্যারিয়ারের মুশফিকের রয়েছে অসংখ্য অর্জন। এত দীর্ঘ সময়ে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলা প্রথম ক্রিকেটার মুশফিক; খেলেছেন ১৫ বছর ২৭৭ দিন। এ তালিকায় ২য় স্থানে আছেন বাংলাদেশের অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান।


২০০৬ সালে বাংলাদেশের প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচের সদস্য ছিলেন মুশফিক। জিম্বাবুয়ে বিপক্ষে ২০০৬ সালের ২৮ নভেম্বর সেদিনের ম্যাচ দিয়ে সূচনা হয়েছিল তার টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের।


২০০৬ থেকে ২০২২ দীর্ঘ ১৬ বছরের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে মুশফিক ১০২টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন। বাংলাদেশের হয়ে শতাধিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলা তিন জন খেলোয়াড়দের মধ্যে একজন মুশফিক।


যেখানে ৯৩ ইনিংসে ব্যাট করে ১৯.৪৮ গড়ে ৬ টি অর্ধশতকের বিনিময়ে করেছেন ১ হাজার ৫০০ রান। যা ব্যাটিং তালিকায় বিশ্বে ৪৬ তম। ৩৫ বছর বয়সী এ উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যানের ব্যাটিং স্ট্রাইক রেট ছিল ১১৫.০৩।


২০১১ থেকে ২০১৪ বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের অধিনায়ক ছিলেন মিস্টার ডিপেন্ডেবল। সে সময় ২৩ ম্যাচে ১৯ ইনিংসে ব্যাট করে করেছিলেন ৪১৮ রান।


টি-টোয়েন্টিতে দুইবার খেলেছিলেন সর্বোচ্চ ৭২ রানের অপরাজিত ইনিংস। ২০১৮ সালে মার্চে শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত ত্রি-দেশীয় নিদাহাস ট্রফিতে একবার শ্রীলঙ্কা এবং আরেকবার ভারতের বিরুদ্ধে খেলেছিলেন সর্বোচ্চ রানের ইনিংস।


এশিয়ার দুই শক্তিধর দেশ ভারত এবং শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বরাবরই আগ্রাসী ছিল মুশির ব্যাট। ভারত এবং শ্রীলঙ্কার সাথে সমান ১১ ম্যাচ খেলে রান করেছিলেন যথাক্রমে ২২৯ এবং ৩০০।


টি-টোয়ান্টি ক্যারিয়ারে মুশি চার মেরেছেন সর্বাধিক ১২৬ টি, যা ব্যাটসম্যানদের মধ্যে বাউন্ডারি রেকর্ডে ৫০ তম।


এছাড়াও টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে ডাক (০ রানে আউট) হয়েছে ৮ বার, এ তালিকার তিনি রয়েছেন ১১ তম স্থানে।


আইসিসি ম্যানস টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ৭ আসরে ৩৩ ম্যাচে ২৮ ইনিংসে ব্যাট হাতে করেছেন ৪০২ রান।


উইকেটরক্ষক হিসেবে ক্যাচ-স্টাম্পিং মিলিয়ে ৬২টি ডিসমিসাল রয়েছে মুশির ঝুলিতে, যা উইকেটরক্ষকদের মধ্যে চতুর্থ।


এছাড়াও টি-টোয়েন্টিতে সর্বমোট ৪২টি ক্যাচ নিয়েছেন মুশফিক। যার মধ্যে উইকেটের পেছনে ৩২টি ক্যাচ। উইকেটরক্ষক হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ ক্যাচের দিক দিয়ে যা বিশ্বে সপ্তম।


মুশির দখলে রয়েছে ৩০টি স্টাম্পিং, যা টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে উইকেটরক্ষকদের মধ্যে তৃতীয় সর্বোচ্চ। এ তালিকায় শীর্ষ দুই স্থানে আছেন ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনী এবং পাকিস্তানি উইকেটরক্ষক কামরান আকমাল।


এদিকে টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নিলেও ক্রিকেটের অন্য দুই সংস্করণ অর্থাৎ টেস্ট ও একদিবসীয় ম্যাচে খেলা চালিয়ে যাবেন মুশফিক। এছাড়াও ঘরোয়া পর্যায়ে টি-টোয়েন্টি খেলে যাবেন অভিজ্ঞ এ ক্রিকেটার।

আরো পড়ুন