শিরোনাম :

  • ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫৬ মৃত্যু শনাক্ত আরও এক হাজার ৩৮৬ জনকরোনায় আক্রান্ত তসলিমা নাসরিনআজকের মেঘমালা দেশের ৭০ ভাগ অঞ্চলকে ছুঁয়েছেসিলেটের নতুন বিভাগীয় কমিশনার খলিলুর রহমান
মিরপুরে শপিংমলে স্বাস্থ্যবিধির বালাই নেই
১৩ এপ্রিল, ২০২১ ১৮:২১:৪৬
প্রিন্টঅ-অ+

রাজধানীর ফ্যাশন হাউজ, দোকানে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। এ জন্য ব্যবসায়ীরা ক্রেতাদের ওপর দোষ চাপাচ্ছেন। আর ক্রেতারা বলছেন, স্বাস্থ্যবিধি বা হাত ধোয়ার ব্যবস্থা দোকানগুলোকে নিশ্চিত করতে হবে।


মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) সকাল থেকে মিরপুরের কয়েকটি শপিংমল ও ফ্যাশন হাউজ ঘুরে স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়ে উদাসীনতা দেখা গেছে। বেশ কয়েকটি দোকানে হাত ধোয়ার স্যানিটাইজার দেয়া হলেও বেশিরভাগ দোকানে নেই সেই ব্যবস্থা।


দোকানে ক্রেতা কম থাকায় সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা গেলেও, অনেক দোকানে ক্রেতা কিংবা বিক্রেতা কারও মুখে মাস্ক ছিল না। কে-ক্রাফট, অঞ্জনস, সারাসহ একাধিক ফ্যাশন হাউজে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা ছিল। তবে বেশিরভাগ ফ্যাশন হাউজ ও দোকানে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা ছিল না।


মিরপুর ১০-এ শাহ আলী শপিং কমপ্লেক্স ঘুরে দেখা গেছে, প্রবেশ মুখে নিরাপত্তাকর্মীরা ক্রেতাদের হাতে স্যাভলনের পানি দিচ্ছেন। তবে মার্কেটে থাকা দোকানগুলোতে স্যানিটাইজার দেয়ার দৃশ্য চোখে পড়েনি।


মিরপুরের ১-এ বাগদাদ শপিং কমপ্লেক্স ঘুরে দেখা গেছে, স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে হাত ধোয়ার জন্য একটি পানির ট্যাংক রাখা আছে, সঙ্গে রয়েছে সাবানও। তবে তা দেখভাল করার জন্য ছিলেন না কেউ। ফলে যে যার মতো মার্কেটে প্রবেশ করছেন।


কেন মাস্ক পরছেন না- এমন প্রশ্ন এড়িয়ে যাচ্ছেন ক্রেতা ও পথচারীরা। অনেকেই আবার হাতে, পকেটে থাকা মাস্ক দেখাচ্ছেন। বিক্রেতারা বলছেন, বেচাকেনা কম। ক্রেতাও কম। তাই সামাজিক দূরত্ব এমনিই তৈরি হচ্ছে।


এদিকে স্বাস্থ্যবিধি ঠিক মতো প্রতিপালন হচ্ছে কি-না তদারকি করার কোনো ব্যবস্থাও চোখে পড়েনি। এ প্রসঙ্গে মিরপুর ১০ এর ঢাকাই জামদানি শাড়ির স্বত্ত্বাধিকারী মনির বলেন, দুপুরের পরই দোকান বন্ধ করতে তোড়জোড় শুরু করে পুলিশ। মানুষের সমাগম তো হয় সন্ধ্যার পরে। একসঙ্গে এক-দু’জন ক্রেতা থাকে। কেউ স্বাস্থ্যবিধি মানে, তো কেউ মানে না। তবে আমরা মাস্ক ছাড়া কাউকে দোকানে ঢুকতে দেই না।

আরো পড়ুন