
পাবনার ভাঙ্গুড়ায় নৌপথে ইঞ্জিনচালিত নৌকা ও ট্রলারে এসে ঘটছে ডাকাতি ও চুরির ঘটনা। এসব ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে চুরি ও ডাকাতি ঠেকাতে মাঝ নদীতে বাঁশের বেড়া দিয়ে আটকে দিয়েছেন স্থানীয়রা। উপজেলার দিলপাশার ইউনিয়নের বেতুয়ান গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। স্বেচ্ছাশ্রমে গত মঙ্গলবার এ বেড়া স্থাপন সম্পন্ন করেন এলাকাবাসী।
স্থানীয়রা জানান, সম্প্রতি উজানে উপজেলার অষ্টমণিষা বাজারে সোনার দোকানে ডাকাতি ও কয়েকটি পৃথক গরু চুরির ঘটনা সংঘটিত হয়। এসব ঘটনা গুমানী নদীর নৌপথে নৌকা ও ট্রলার নিয়ে এসে ঘটানো হয় এবং পরে দুর্বৃত্তরা নৌযানে গুমানি নদী দিয়ে ভাটির দিকে পালিয়ে যায়। এভাবেই সহজেই নৌপথ ব্যবহার করে এসব ঘটনা ঘটানো হয়। ফলে আশপাশের এলাকাবাসীর মনে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। এজন্য গ্রামবাসী নৌপথে বাইরে থেকে নৌকা বা ট্রলারের অবাধ প্রবেশ রোধে মাঝ নদীতে বাঁশের বেড়া দিয়েছে। তবে একটি অংশে নৌযান চলাচলের সুযোগ রাখা হয়েছে।
বেতুয়ানের স্থানীয় বাসিন্দা আবির বলেন, কিছু দিন আগে আমাদের গ্রাম থেকে দুইটি মহিষ ও একটি গরুচুরি করে নিয়ে গেছে। নদী দিয়ে সহজেই প্রবেশ করে এরকম ঘটনা প্রায়ই ঘটানো হচ্ছে। কোনোভাবেই রোধ করা যাচ্ছে না। তাই বাঁশের বেড়া দেওয়া হয়েছে।
বেতুয়ান গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা ও দিলপাশার ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. শরিফুল ইসলাম সজীব খাঁন বলেন, মাঝে মাঝে নদী দিয়ে এসে চুরি ডাকাতির ঘটনা এলাকাবাসীকে আতঙ্কিত করেছে। তাই সবাই মিলে আলাপ করে তিন দিনের স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁশ দিয়ে বেড়াটি স্থাপন করা হয়েছে। যেন রাতের আঁধারে অবাধেই বাইরে থেকে দুর্বৃত্তরা গ্রামে প্রবেশ করতে না পারে।
এ ব্যাপারে ভাঙ্গুড়া থানার ওসি এস এম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, নৌ-পথে গরুচুরি ও ডাকাতির ঘটনায় গ্রামবাসীর মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছিল। ফলে তারা গুমানির নদীর মাঝ বরাবর বেড়া দেওয়ার উদ্যোগ নেন। তবে দিনে যাতে নৌকা চলাচল বাধাগ্রস্ত না হয় সেটা দেখাশোনার জন্য গ্রামবাসীর পক্ষে লোক রাখা হয়েছে।
আমার বার্তা/এল/এমই

