
মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় স্বাধীনতা দিবস উদযাপন অনুষ্ঠান শেষে মুন্সিগঞ্জ ৩ আসন সংসদ সদস্য ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর উপস্থিতিতে খাদ্য গুদাম ও উপজেলাধীন জে এম আই ফিলিং পাম্প সহ একাধিক প্রতিষ্ঠান সরজমিনে পরিদর্শন করা হয়েছে।
পরিদর্শনে খাদ্য গুদামের পরিবেশ, খাদ্যশস্যের মান, দুর্নীতি ও অনিয়মের অন্যান্য কারণ যাচাই-বাছাই করা হয়। অপরদিকে একাধিক ফিলিং স্টেশন পাম্প পরিদর্শন করে জ্বালানি তেলের মজুদ ও বিক্রয় নীতি পর্যবেক্ষণ হয়েছে। সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন গণমাধ্যম কর্মীদের জানান খাদ্য গুদামে কোন অনিয়ম, খাদ্য সংরক্ষণ পরিবেশ, খাদ্যমান ও বন্টনে সুনির্দিষ্ট আইন মানা হচ্ছে কিনা, সার্বিক বিষয়ে যাচাই-বাছাই করতে পরিদর্শন করা হয়। পরিদর্শনে কোথাও কোন অনিয়ম বা ত্রুটি পাওয়া যায় নাই।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদুল হাসান জানান যুদ্ধজনিত কারণে অনেক দেশে জ্বালানি তেলের দাম বেশি ।আমাদের দেশে দাম এখনো ঠিক আছে। জ্বালানি তেল মজুদ যথেষ্ট পরিমাণে রয়েছে । মানুষের মধ্যে একটা প্রবণতা কাজ করে সংকট হবে শুনে প্রয়োজনের বেশি বেশি কিনছে । একই ব্যক্তি একই দিনে একাধিক পাম্প থেকে জ্বালানি নিতে চেষ্টা করছে। বিনা নোটিশে সংসদ সদস্য সহ উপজেলা খাদ্য গুদাম পরিদর্শন করা হয় ,পরিদর্শনে কোন ত্রুটি পাওয়া যায় নাই।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপি আহ্বায়ক কমিটি সদস্য মাসুদ ফারুক, গজারিয়া উপজেলা বিএনপি সাবেক সাধারণ সম্পাদক, ইসহাক আলী, মুন্সিগঞ্জ জেলা কৃষক দল সভাপতি সিরাজুল ইসলাম পিন্টু, মুন্সিগঞ্জ জেলা যুবদল সদস্য সচিব মোজাম্মেল হক মুন্নাসহ যুবদল ছাত্রদল ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের অনেক নেতৃবৃন্দ।
আমার বার্তা/এমই

