ই-পেপার রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২

মিডিয়া ফুটবল ব্যবসা ও ব্যাংক নিয়ন্ত্রণে যাদের নিয়োগ করেন হাসিনা

আমার বার্তা অনলাইন:
১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১৬:৪২
আপডেট  : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১৬:৪৪

ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের পিপি ওমর ফারুক ফারুকী দাবি করেছেন, সাংবাদিকদের নিয়ন্ত্রণ করার জন্য শেখ হাসিনা শ্যামল দত্ত ও সুভাস সিংহ রায়ের মতো লোককে নিয়োগ করেছিলেন। এছাড়া ফুটবল নিয়ন্ত্রণে সালাউদ্দিন এবং ব্যবসা ও ব্যাংক নিয়ন্ত্রণে নজরুল ইসলাম মজুমদারকে নিয়োগ করেন পতিত স্বৈরাচার হাসিনা।

বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বুধবার ঢাকা মহানগর হাকিম এম এ আজহারুল ইসলামের আদালতে নাসা গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদারের ধানমন্ডি থানা ও যাত্রাবাড়ী থানার রিমান্ড শুনানিতে তিনি এসব কথা বলেন।

পিপি ফারুকী বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট হাসিনা সব জায়গায় তার নিজস্ব লোক নিয়োগ করেছিলেন। যেমন ফুটবলে নিয়োগ করেছিলেন সালাউদ্দিনকে এবং সাংবাদিকদের নিয়ন্ত্রণ করার জন্য নিয়োগ করেছিলেন শ্যামল দত্ত ও সুভাস সিংহ রায়ের মতো লোককে। ব্যবসায় এবং ব্যাংকারদের নিয়ন্ত্রণ করার জন্য যে লোককে হাসিনা নিয়োগ করেছিলেন সেই লোকটা নজরুল ইসলাম মজুমদার।’

এদিন তাকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করে দুই মামলায় ১০ দিন করে রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের পিপি ওমর ফারুক ফারুকী। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তার রিমান্ড বাতিল চেয়ে আবেদন করেন। পরে আদালত ৫ দিন করে দুই মামলায় ১০ দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন।

রিমান্ড শুনানিতে ওমর ফারুক ফারুকী বলেন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে সকল ব্যাংকার এবং ব্যবসায়ী একটা মিটিং করেছিল। সেই মিটিংয়ে উনি (আসামি) বক্তব্য রেখেছিলেন। সেই বক্তব্যে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের বিরোধিতা করেছিলেন এবং শেখ হাসিনাকে বলেছিলেন, ‘আপনি চালিয়ে যান আমরা আপনার পাশে আছি।’ তার এই বক্তব্য সকল মিডিয়া ও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার হয়েছে।

ফারুকী আরও বলেন, ব্যাংক থেকে টাকা-পয়সা লুটপাট করে নিয়ে শেখ পরিবারকে সহযোগিতা করার জন্য সবকিছু করেছিলেন তিনি। এই মজুমদার তাদের সাথে বসে আন্দোলনের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন। সেই হিসাবে সে এই অপকর্মের সাথে জড়িত। এই আন্দোলনে যারা গুলি চালিয়েছে এবং যাদের নির্দেশে চালানো হয়েছে তা থেকে তারা কোনোভাবেই বাঁচতে পারবে না।

আসামিপক্ষের আইনজীবীরা শুনানিতে বলেন, তিনি এক্সিম ব্যাংকের চেয়ারম্যান। বাংলাদেশের অনেক বড় শিল্প উদ্যোক্তা। তার অধীনে ৫ লক্ষ লোক কাজ করে। সে এখন জেলে। কোম্পানি বন্ধ হয়ে গেলে এসব লোক বেকার হয়ে যাবে। তার বিরুদ্ধে মামলায় কোনো অভিযোগ নাই। সে কোনো রাজনৈতিকদলের সদস্য না। সে একজন ব্যবসায়ী মানুষ। সরকার আসে, সরকার যায়। তারা ব্যবসায়ীরা তাদের সুবিধার জন্য যা করা দরকার করে। জেল হাজতে থাকাকালীন তার হার্ডে রিং পরানো হয়েছে বঙ্গবন্ধু মেডিকেলে। তাকে একাধিক মামলায় আগে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। কোথাও কোনো কিছু পায় নাই। তার শারীরিক যে অবস্থা রিমান্ডে নেওয়ার মতো কোনো সুযোগ নেই। রিমান্ড বাতিল করে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেওয়া হোক।

এরপর নজরুল ইসলাম নিজেই কিছু বলতে চান বলে আদালতকে বলেন। এরপর আদালত অনুমতি দেন।

তখন তিনি বলেন, আমি হার্টের রোগী। অনেক কষ্ট হচ্ছে। ওই সময় শেখ হাসিনার পাশে না থাকলে... আমার বড় ভাই ৫ বছর এমপি ছিল। সেই বড় ভাইকে ক্রসফায়ারে মারা হয়েছে। আমারও সেই অবস্থা হতো। আমার রিমান্ড বাতিল করে আমাকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন। আমি শারীরিকভাবে অসুস্থ। এটা আমার একটা সাবমিশন।

পরে আদালত আদেশ দেন।

এরপর আবার রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌশলি (পিপি) ফারুকী বলেন, তারা যখন কোর্টে আসে তাদের অসুস্থ ক্যান্সার এই সেই অনেক কিছু হয়ে যায়; অথচ জুলাই আন্দোলনের সময় এমন জোরে জোরে বক্তব্য দিচ্ছেন যে, বোঝাই যায় না তিনি অসুস্থ। এটা আসলেই তারা বয়স্ক অসুস্থ এটা নাই সেটা নাই সবকিছু হয়ে যায় আন্দোলনে ছিলেন তখন কেনো অসুস্থ ছিলেন না। আমাদের এই ধরনের সম্পদ দরকার নাই যে সম্পদ অভদ্র যে সম্পদ মানুষের সে। যে সম্পদ স্বৈরশাসনের তৈরি করে অর্জন করা হয়েছে সেই সম্পদ আমাদের দরকার নাই এবং কোটি কোটি টাকা দেশ থেকে বাঁচার করেছে। শেখ হাসিনা যে ধরনের শরীর শাসন করেছে। তার আমূল পরিবর্তন। আমরা অল্প খাব হালাল খাবো হালাল পরব হালাল উপার্জন করব আমরা এ ধরনের সম্পদ চাই না এ ধরনের উদ্যোক্তা চাই না যারা মানুষের রক্ত চুষে খায়, সেই ধরনের উদ্যোক্তা আমাদের দরকার নাই। ২০০০ মানুষ মারা গেছে যারা গুলি করেছে তাদের জীবন সাথী যারা ষড়যন্ত্রমূলকভাবে জড়িত তাদেরও তেমন শাস্তি শুরু হয়েছে আমরা এখন পর্যন্ত অর্ধেক মামলা করতে পারি নাই; আরো বাকি আছে।

আমার বার্তা/এমই

জুলাই হত্যা মামলা নিয়ে বাণিজ্য, বিএনপি নেতার দলীয় সাজা

জুলাই হত্যা মামলাকে কেন্দ্র করে ‘বাণিজ্যিক কার্যক্রমে’ জড়িত থাকার অভিযোগে পটুয়াখালী সদর উপজেলা বিএনপির দুই

এক ফ্ল্যাট দেখিয়ে কোটি টাকার প্রতারণা, সিআইডির অভিযানে গ্রেপ্তার ৩

রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকায় একই ফ্ল্যাট বারবার বিক্রির প্রলোভন দেখিয়ে কোটি টাকার প্রতারণা করা একটি চক্রকে

অবৈধ গ্যাস সংযোগ উচ্ছেদে তিতাস গ্যাস কর্তৃক অভিযান ও জরিমানা আদায়

তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিসন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি অবৈধ সংযোগ উচ্ছেদে গাজীপুর, ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে পৃথক অভিযানে

ময়দা-সয়াবিন-সারের বিনিময়ে মিয়ানমার থেকে আসছে মাদক

মিয়ানমার থেকে মাদকের বিনিময়ে বাংলাদেশি খাদ্য ও পণ্য সামগ্রী পাচারকালে ৯ চোরাকারবারিকে আটক করেছে কোস্ট
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ জারি, পৃথক হলো বিচার বিভাগ

বিডিআর হত্যাকাণ্ডে জড়িত আ.লীগ, মূল সমন্বয়কারী তাপস: কমিশন

ইমরান খান বেঁচে আছেন, দেশ ছাড়তে চাপ দিচ্ছে সরকার: পিটিআই

চলতি সপ্তাহে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক জোটের আত্মপ্রকাশ!

রাজনৈতিক দলে যোগদান ও নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ইচ্ছা নেই: ফাওজুল কবির

স্বৈরাচারী শাসন ব্যবস্থা রুখতে রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে পরিবর্তন জরুরি

রেমিট্যান্সে উল্লম্ফন: ২৯ দিনেই এসেছে ৩২ হাজার কোটি টাকা

ডিআরইউর সভাপতি আবু সালেহ আকন, সম্পাদক মাইনুল হাসান

অসুস্থ মায়ের পাশে থাকতে না পারা কত যন্ত্রণা সে সন্তানই বুঝতে পারে

তারেক রহমান দেশে না ফিরলে নির্বাচন হবে না—এমনটি ভাবার কারণ নেই

স্কুলে ভর্তিতে ডিজিটাল লটারি ১১ ডিসেম্বর

কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানের যোগদান

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন ক্রীড়া সাংবাদিক জহির ভূইয়া

মুন্সীগঞ্জে নতুন পুলিশ সুপার মেনহাজুলের যোগদান

বিপিএলের নিলামে সর্বোচ্চ দামে বিক্রি হলেন নাঈম শেখ

বিজিএমইএ ও বিএফএফ এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

বাংলাদেশ শক্তিশালী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে: জাপান রাষ্ট্রদূত

কোন বাধায় আটকে আছে তারেক রহমানের বাংলাদেশে ফেরা?

দেশে ডেঙ্গুজ্বরে আরও ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৬৩৬ জন

বিজয়-মোসাদ্দেকদের নিলামে অন্তর্ভুক্তির রিট উচ্চ আদালতে খারিজ