
এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক-প্রভাষক নিয়োগপ্রক্রিয়ায় নিয়োগের সুপারিশ পেয়েছেন ১১ হাজার ৭১৩ জন প্রার্থী। আজ বুধবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগের সপ্তম বা বিশেষ নিয়োগপ্রক্রিয়ার ফল প্রকাশ করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ এনটিআরসিএ।
৬৭ হাজার ২০৮টি শূন্য পদের বিপরীতে এই নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছিল। তবে এ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ১২ হাজারেরও কম সংখ্যক সুপারিশ পাওয়ায় বেসরকারি স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৫৫ হাজার ৪৯৫টি পদই শূন্য রয়ে গেল।
সংস্থাটির শিক্ষাতত্ত্ব ও শিক্ষামান শাখার সহকারী পরিচালক মোস্তাক আহমেদ বলেন, ‘১১ হাজার ৭১৩ জন প্রার্থী নিয়োগ সুপারিশ পেয়েছেন। ১৮ হাজার ৩৯৯ জন আবেদন করেছিলেন। এর মধ্যে ইতিমধ্যে এমপিওভুক্ত ১ হাজার ২৭ জন বাদ গেছেন। কারণ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, ইতিমধ্যে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা সমপদে আবেদনের যোগ্য হবেন না। বাকি ১৭ হাজার ৩৭২ জন বৈধ প্রার্থী ছিলেন।’
৫৫ হাজার ৪৯৫টি পদই শূন্য থাকার কারণ ব্যাখ্যা করে এই কর্মকর্তা বলেন, ‘শূন্যপদের বিপরীতে একই বিষয়ে নিবন্ধিত প্রার্থী বা আবেদনকারী না থাকায় এ পদগুলো খালি রয়ে গেছে।’
আজ জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এনটিআরসিএ জানিয়েছে, নিয়োগ সুপারিশকৃত প্রার্থীদের ফলাফল এনটিআরসিএর ওয়েবসাইটের ‘৭ম নিয়োগ সুপারিশ বিজ্ঞপ্তি (বিশেষ)-২০২৬’ নামক সেবা বক্সে এবং লিংকে পাওয়া যাবে।
নির্বাচিত প্রার্থীরা স্ব স্ব ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে ফলাফল দেখতে পারবেন। একইভাবে প্রতিষ্ঠান প্রধানেরাও তাঁদের স্ব স্ব ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে তাঁর প্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত প্রার্থীদের তথ্য দেখতে পাবেন।
এ ছাড়া নির্বাচিত প্রার্থীদের এসএমএস পাঠিয়ে সুপারিশ পাওয়ার খবর জানিয়েছে এ নিয়োগে কারিগরি সহায়তা দেওয়া রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল অপারেটর টেলিটক।
এমপিওভুক্ত স্কুল কলেজের ২৯ হাজার ৫৭১টি, মাদ্রাসার ৩৬ হাজার ৮০৪টি এবং কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৮৩৩টি পদে নিয়োগে গত ৬ জানুয়ারি ‘সপ্তম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি (বিশেষ)-২০২৬’ বিজ্ঞপ্তি জারি করে এনটিআরসিএ।
১০ জানুয়ারি থেকে ১৭ জানুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত এমপিওভুক্ত স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৬৭ হাজারের বেশি শিক্ষক-প্রভাষক পদে নিয়োগ পেতে আবেদন করতে পেরেছিলেন শিক্ষক নিবন্ধন সনদধারী প্রার্থীরা।
শিক্ষক নিবন্ধন সনদের মেয়াদ নিবন্ধন পরীক্ষার ফল প্রকাশের তারিখ থেকে তিন বছর। মেয়াদ থাকা শিক্ষক নিবন্ধন সনদধারী প্রার্থী, ২০২৫ সালের ৪ জুন যাঁদের বয়স ৩৫ বছরের কম, তাঁরা এই নিয়োগের আবেদন করতে পেরেছিলেন।
নিয়োগের আবেদন ফরম পূরণের সময়ই প্রার্থীদের পুলিশ-ভেরিফিকেশন ফরম পূরণ করিয়ে নিয়েছিল এনটিআরসিএ।
আমার বার্তা/জেইচ

