
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী বলেন, ২ হাজার নার্স নিয়োগের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আগামী দুই মাসের মধ্যে এ নিয়োগ সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আগামী দুই বছরের মধ্যে সারা দেশে আরও ৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে প্রায় ১১ হাজার রোগীর বিপরীতে একজন চিকিৎসককে দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। আগামী এক বছরের মধ্যে চিকিৎসক ও নার্স সংকট অনেকটাই দূর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরপর চিকিৎসক ও নার্সের সেবা নিয়ে মানুষের অভিযোগ থাকবে না বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করা হবে। আগামী দুই বছরের মধ্যে এ হাসপাতালে ডায়ালাইসিস সুবিধা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে। এর ফলে গজারিয়াসহ আশপাশের এলাকার মানুষ আরও উন্নত চিকিৎসাসেবা পাওয়ার সুযোগ পাবেন।
পরিদর্শনকালে হাসপাতালের ওষুধ ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের বিষয়ও উঠে আসে। মন্ত্রী জানান, হাসপাতালে ওষুধ ও স্যালাইন মজুত থাকা সত্ত্বেও কিছু রোগীকে তা দেওয়া হয়নি—এমন অনিয়ম তাঁর নজরে এসেছে। এ ছাড়া আরও কয়েকটি অনিয়মের বিষয় তিনি নোট করেছেন। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে এসব বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
পরিদর্শনকালে মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাফসা নাদিয়াসহ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তারা এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

