ই-পেপার শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬, ১৩ চৈত্র ১৪৩৩

দক্ষিণ কোরিয়ার অভিশংসিত প্রেসিডেন্ট ইউন গ্রেপ্তার

আমার বার্তা অনলাইন
১৫ জানুয়ারি ২০২৫, ১১:৫২

দক্ষিণ কোরিয়ার অভিশংসিত প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইয়োলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার স্থানীয় সময় ভোরবেলা রাজধানী সিউলে ইউনের ব্যক্তিগত বাসভবন থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে রয়টার্স।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সিউলের পাহাড়ি এলকার ওই বাসভবনে বসবাস করছিলেন ইউন। বাড়িটির চারদিক কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে ঘেরা ছিল এবং তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য বাড়ির বাইরে ছিল সশস্ত্র বাহিনীর একটি ছোট দল।

মঙ্গলবার রাতে ৩০০ পুলিশ এবং দক্ষিণ কোরিয়ার দুর্নীতি দমন সংস্থার তদন্তকারীদের একটি দল ইউনের বাসভবনের বাইরে অবস্থান নেয়। তারপর ভোরে তাকে গ্রেপ্তার করে মূল শহর অভিমুখে রওনা হয়।

তাৎক্ষণিক এক প্রতিক্রিয়ায় ইউনের আইনজীবীরা জানিয়েছেন, এই গ্রেপ্তার অবৈধ এবং ইউনকে জনসমক্ষে হেয় করার জন্যই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসে ইউন সুক ইয়োলই প্রথম প্রেসিডেন্ট, যিনি অভিশংসন ও গ্রেপ্তার পরিস্থিতির মুখে পড়েছেন।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, ইউনের বাড়ির আশেপাশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও দুর্নীতি দমন সংস্থার কর্মীরা অবস্থান নিয়েছেন— এ খবর প্রচারিত হওয়া পর মঙ্গলবার রাতেই সেখানে জড়ো হতে থাকেন ইউনের সমর্থকরা। ভোরবেলা তাকে গ্রেপ্তারের সময় পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে ইউনের সমর্থকদের খানিক ধস্তাধস্তিও হয়। তবে বড় কোনো সংঘাতের ঘটনা ঘটেনি।

গত ৩ ডিসেম্বর রাতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে ‘রাষ্ট্রবিরোধী শক্তিকে’ সমূলে উৎপাটনের কথা বলে হঠাৎ করেই সামরিক আইন জারির ঘোষণা দেন ইউন। তার এ ঘোষণায় পুরো দক্ষিণ কোরিয়া স্তম্ভিত হয়ে যায়।

পরে প্রবল বিরোধিতার মুখে সামরিক আইন প্রত্যাহারে বাধ্য হন প্রেসিডেন্ট।

কিন্তু তার এই পদক্ষেপে দক্ষিণ কোরিয়া কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে গুরুতর রাজনৈতিক সংকটে পড়ে। গণতান্ত্রিক সাফল্যের গাথা রচনাকারী দক্ষিণ কোরিয়ার অর্জিত সুনাম নষ্ট হওয়ার হুমকি তৈরি হয়। বিরোধী দলের অভিশংসন প্রস্তাবের মুখে পড়েন ইউন।

প্রথম দফা অভিশংসনের পর গত ১৪ ডিসেম্বর ইউনকে বরখাস্ত করেন দেশটির সাংবিধানিক আদালত। তবে দায়িত্ব ও ক্ষমতা হারালেও জটিল আইনি প্রক্রিয়ার কারণে এখনও দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের পদে আছেন ইয়ুন সুক ইয়োল।

আমার বার্তা/জেএইচ

যুদ্ধের মধ্যেই প্রতিদিন প্রায় ১৪ কোটি ডলার আয় করছে ইরান

গত প্রায় এক মাস ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে তীব্র সংঘাত চলা সত্ত্বেও থেমে নেই

ট্রাম্পের ঘোষণার পর কমতে শুরু করেছে জ্বালানি তেলের দাম

ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় মার্কিন হামলা চালানোর সময়সীমা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ১০ দিন পিছিয়ে দেওয়ায় বিশ্ববাজারে

মধ্যপ্রাচ্যে আরও ১০ হাজার স্থলসেনা পাঠানোর কথা ভাবছেন ট্রাম্প

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ বন্ধে ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনার কথা বলছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অপরদিকে যুদ্ধে

সেনা সংকটে ভেঙে পড়তে পারে ইসরায়েলি বাহিনী: সেনাপ্রধান

ইরান ও লেবাননের বিরুদ্ধে একাধিক ফ্রন্টে একযোগে যুদ্ধ পরিচালনা করতে গিয়ে সেনা সংকটে পড়েছে ইসরায়েল।
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

যুদ্ধের মধ্যেই প্রতিদিন প্রায় ১৪ কোটি ডলার আয় করছে ইরান

স্ত্রী-সন্তানসহ মুফতি মমিনের দাফন হবে শ্বশুরবাড়িতে, খোঁড়া হচ্ছে ৪ কবর

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে না পারা জাতির জন্য হতাশাজনক হবে

পল্লবীতে যুবদল নেতা কিবরিয়া হত্যায় দুই ‘শুটার’ গ্রেপ্তার : র‌্যাব

বাংলাদেশের প্রতি অব্যাহত সমর্থন পুনর্ব্যক্ত জাতিসংঘ মহাসচিবের

৩০ হাজার টন জ্বালানি তেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে আরও এক জাহাজ

ট্রাম্পের ঘোষণার পর কমতে শুরু করেছে জ্বালানি তেলের দাম

ঢাকাসহ দেশের ৪ অঞ্চলে ঝোড়ো বৃষ্টির আভাস, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত

এমবাপের নৈপুণ্যে দশজন নিয়েও ব্রাজিলকে হারালো ফ্রান্স

মধ্যপ্রাচ্যে আরও ১০ হাজার স্থলসেনা পাঠানোর কথা ভাবছেন ট্রাম্প

সেনা সংকটে ভেঙে পড়তে পারে ইসরায়েলি বাহিনী: সেনাপ্রধান

ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা আরও ১০ দিন স্থগিত ঘোষণা ট্রাম্পের

২০২৯ পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার প্রস্তাব দিয়েছিল ‘ডিপ স্টেট’: আসিফ মাহমুদ

২৭ মার্চ ঘটে যাওয়া নানান ঘটনা

এলপি গ্যাস আমদানিতে সুবিধা বাড়িয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন সিদ্ধান্ত

স্বাধীনতা দিবসে সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীতে অনারারি কমিশন প্রদান

বৈশ্বিক দাসত্ব ও শোষণ নির্মূলে জোরালো আহ্বান বাংলাদেশের

আবার ১০০ ডলার ছাড়াল তেলের দাম

ইরান ‘সব সীমা অতিক্রম করেছে’: জিসিসি প্রধান

এবার বাব আল-মান্দেব প্রণালি অবরোধের হুমকি দিলো ইরান